মরহুম মাস্টার কে এম আজিজ উল্যা'র অসাধারন জীবন

Sonali News    ১১:৩৬ এএম, ২০২১-০৬-২৩    274


মরহুম মাস্টার কে এম আজিজ উল্যা'র অসাধারন জীবন

মরহুম মাস্টার কে এম আজিজ উল্যা'র অসাধারন জীবন : আকতারুজ্জামান মোহাম্মদ মোহসীন

“মরহুম মাস্টার কে এম আজিজ উল্যা'র অসাধারন জীবন”
(জম্মঃ ২৩ মার্চ ১৯৩৮ মৃত্যুঃ ১৩ জুন ২০২১)

মরহুম মাস্টার কে এম আজিজ উল্যা এক অবিসংবাদিত মানুষের নাম । একজন স্কুল মাস্টার । তাঁর দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে অনেক ছাত্র-ছাত্রীর শিক্ষক ছিলেন । তিনি যেখানে শিক্ষকতা করেছেন, যাদের শিক্ষক ছিলেন সেখানে তিনি তাদের প্রিয় আর মধ্যমনি হয়ে ছিলেন । এটা যদিও অনেক শিক্ষকের বেলায় ঘটে, তাঁর বেলায় খুব সাধারন ভাবেই ঘটেছে বলে মনে হয়েছে। তাঁর ছাত্র-ছাত্রীরা অনেকে এখন বার্ধক্যে এসে পৌঁছুলেও তাঁকে মনে-প্রানে শ্রদ্ধাভরে সরণ রেখেছেন । যেখানে তিনি পা দিয়েছেন, যে পরিবেশে তিনি পৌঁছেছেন, সেখানেই তিনি অতি সহজভাবেই তাঁর অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন । কোথাও তাঁর অবস্থানের জন্য কারও সাথে দরকষাকষি করতে হয়নি । যা আজকাল আমাদের মত বিতর্কিত মানুষের জীবনে এতটা সহজ নয় । সবাই তাঁকে সম্মানের সাথে নিজের স্থান ছেড়ে দিয়ে সম্মান দিয়েছেন, ভালবাসা দিয়েছেন ।

মরহুম মাস্টার কে এম আজিজ উল্যা অতি সাধারন একজন মানুষ ছিলেন । তাঁকে শৈশব-কৈশোরকাল দেখার সুযোগ আমার না হলেও যারা দেখেছেন তাদের মুখে শোনা যায় গত ১৯৯০ সালে তাঁকে যেমন দেখেছি, বিগত শৈশব-কৈশোর, যৌবন কালেও তিনি তেমনই ছিলেন । একই ভাবে বলা যায় মৃত্যুর আগ অবধি আমরা সবাই তাঁকে একই রকম দেখেছি । তাঁর এমন জীবন যাপনে ছিল দারুন অভ্যস্ততা । এমন জীবন যাপন, এমন পরিবেশে থাকার জন্য তাঁকে কখনও কোথাও সমস্যায় পরতে হয়নি । তিনি যেমন সাধারন পরিবেশের মানুষ ছিলেন তেমনি বিলাসী পরিবেশেও ছিলেন মানানসই । কোথাও তাঁর এমন অভ্যস্ত জীবন যাপনের জন্য পরিবর্তিত পরিবেশে বিব্রত হতে হয়নি । বরাবরই তিনি খুব সাধা সিধে জীবন যাপনের একজন মানুষ । মানুষ সময়ের এবং সুযোগের সাথে নিজেদের বদলে নেয়, কিন্তু মরহুম মাস্টার কে এম আজিজুল্যা'কে তেমন বদলাতে দেখা যায়নি ।

মরহুম মাস্টার কে এম আজিজ উল্যা নির্মোহ নির্লোভ মানুষ ছিলেন । তিনি জীবনের পাওয়ার জন্য যত চেষ্টা করেননি, দেয়ার জন্য তাঁর চেয়ে বেশি চেষ্টা করেছেন । তাঁর কাছে কখনও লোভ দেখা যায়নি । তাঁকে কোন মোহ কখনও বিচলিত করেনি । ইচ্ছা করলে তিনি জীবনকে অন্য ভাবে সাজিয়ে নিতে পারতেন । কিন্তু নিজের নির্মোহ নির্লোভ জীবনটা তাঁর অতি সাধারনভাবে কেটে গেছে সাধারন মানুষের মত । তাঁর জীবন সম্পর্কে জানতে গেলে তাঁর আশপাশে সকলের কাছে জানা যায় তাঁর এমন নির্মোহ নির্লোভ জীবন । তাঁর ছাত্র ছাত্রী থেকে শুরু করে চেনা জানা মানুষও অনেক ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন । কখনও কারও কাছে তিনি নিজের জন্য দাড় করাননি । অতি সাধারন জীবন ব্যবস্থার সাথে অভ্যস্ত থাকায় তাঁকে কোন অভাব, বিত্ত বৈভব স্পর্শ করতে পারেনি । ফলে বরাবরই তিনি এক অসাধারন মানুষ হিসাবে আমাদের কাছ থেকে বিধায় নিয়েছেন ।

মরহুম মাস্টার কে এম আজিজ উল্যা ছিলেন অত্যন্ত ভদ্র । তাঁর ভদ্রতার ব্যপারে কোন তুলনা হয় না । তিনি যে কোন সমাজের জন্য ভদ্র মানুষ ছিলেন । তাঁর ভদ্রতার উদাহরণে বলা যায় তিনি নিজের সমাজটাই যেন সব সময় বয়ে বেড়াতেন । যদিও প্রত্যেক স্থানের নিজস্ব একটা ভদ্রতার পরিবেশ থাকে, কিন্তু তিনি যেন যে কোন পরিবেশের ভদ্র লোক ছিলেন । তাঁর ভদ্রতা সর্বদা আপোষহীন ছিল । একই সাথে সহজ করে বললে বলতে হয় তাঁর ভদ্রতা জ্ঞান ছিল আপোষহীন । আমাদের দেশে এমন মানুষ অনেক থাকলেও তাদের সচরাচর খুব একটা দেখা যায় না । কিন্তু আমরা খুব কাছে থেকে এমন একজন ভদ্রলোক মরহুম মাস্টার কে এম আজিজুল্যা'কে দেখেছি । ঠিক অন্য বিষয়ের মত ভদ্রতার ব্যপারেও বলা যায় তাঁর তুলনা তিনি নিজেই ।

মরহুম মাস্টার কে এম আজিজ উল্যা ছিলেন অত্যন্ত নম্র মানুষ । যাকে ভদ্রতার সাথে তুলনা করলে কিছুটা কম করা হবে । তিনি ৮৪ বছর বয়সেও অনেকটা শিশু সুল্ভ নম্র ছিলেন । নম্রতাকে আমাদের ভাষায় সব সময় ভদ্রতার সাথে চালিয়ে দেয়া হয়, তিনি তাঁর অনেক ঊর্ধ্বে ছিলেন । তিনি এমন নম্র ছিলেন যে, তাঁর সাথে রাগ করে কথা বলা যায় না, তাঁকে কোন বিষয় নিয়ে জোর করা যায় না । কথায় যেমন নম্র ছিলেন, আচার আচরণেও তিনি একই রকম ছিলেন। যে কোন মানুষের সাথেই তিনি তাঁর সহজাত স্বভাবের নম্র মানুষ ছিলেন । তাঁর নম্রতা দেখে মনে হতো তিনি এমন একটি স্বভাবের প্রতিযোগিতা করছেন যেন তিনি এমন আচরণে পুরস্কারটা তাকেই অর্জন করতে হবে । ফলে তাঁর নম্রতাতে বিশ্লেষণ করার জন্য যদি কোন দর্শন শাস্ত্রের কাউকে পাওয়া যায়, তবে তিনিই এটাকে যথার্থ বিশ্লেষণ করতে পারবেন ।

মরহুম মাস্টার কে এম আজিজ উল্যা একই সাথে অসম্ভব বিনয়ী একজন মানুষ । তাঁর বিনয়াবনতা যে কেউ স্বীকার করবেন । তিনি শিশু, বৃদ্ধ, নারী, পুরুষ, ছাত্র, শিক্ষক, মূর্খ, জ্ঞানী সকলের কাছে একজন বিনয়ী মানুষ ছিলেন । যে ধরনের, যে প্রকৃতির, যে স্বভাবের মানুষ তাঁর সংস্পর্শে এসেছেন তিনিই অকপটে তাঁর বিনয়ের কথা স্বীকার করবেন । শুধু স্বীকার নয়, তারা কেউ তাঁর বিনয়ের কথা ভুলতে পারবেন না । একজন মানুষ হিসাবে সর্বত্রই এমন ভাবে বিনয় প্রকাশ করা অনেকটা অসম্ভব, যা তাঁর পক্ষে অবলীলায় সম্ভব ছিল । তিনি যাকে যেখানে পেয়েছেন তাঁর কাছেই তার বিনয় প্রকাশ পেয়েছে । সব মানুষের সাথে বিনয় প্রকাশে তিনিই যেন এগিয়ে থাকতেন । তাঁর আগে কেউ তাঁর প্রতি বিনয় প্রকাশ করতে পারেননি । আমার মনে হয় না কোন মানুষের কাছে তাঁর বিনয় সংক্রান্ত ব্যপারে প্রশ্ন থাকতে পারে।

মরহুম মাস্টার কে এম আজিজ উল্যা নম্র, ভদ্রতার সাথে অত্যন্ত কোমল হৃদয়ের মানুষ ছিলেন । কোন শিশু যেমন খুব সহজে তাঁর বন্ধু হতে পেরেছে, তেমনি যে কোন বয়সের মানুষকে তিনি বন্ধু করে নিতে পেরেছেন । তাঁর বন্ধুত্বের সম্পর্কের আলোচনা করলে আমরা যেমন তাঁর সমবয়সী বা কাছা কাছি বয়সের মানুষকে তাঁর বন্ধু হিসাবে দেখেছি, তেমনি তাঁর তৃতীয় প্রজম্মের মানুষকেও তাঁর বন্ধুর মত দেখেছি । এটা কেবল মাত্র একজন সদা কোমল হৃদয়ের মানুষের পক্ষে সম্ভব । শিশু থেকে বৃদ্ধ, নারী থেকে পুরুষ, স্ত্রী থেকে কন্যা, ছেলে থেকে পুত্রবধূ, এক কথায় সকল স্তরের মানুষের কাছে তিনি কোমল হৃদয়ের মানুষ ছিলেন । তাঁর কোমল হৃদয়টা যে কোন সময় যে কেউ উদ্ভাসিত হতে দেখেছে । এভাবে সর্বত্রই এমন কোমল হৃদয় প্রকাশ পাওয়াটা সচরাচর দেখা যায় না, যা মরহুম মাস্টার কে এম আজিজুল্যা'র কাছে দেখা যেত । তিনি এমন গুনের জন্যও অনেকের কাছে বেশি সরণীয় হয়ে আছেন ।

মরহুম মাস্টার কে এম আজিজ উল্যা একজন শ্রদ্ধাভাজন, ভালবাসার মানুষ ছিলেন । তিনি যার সাথে মিশেছেন তিনি হতে পারেন ছোট, বড়, শিক্ষিত, অশিক্ষিত, ধনী, দরিদ্র, যেই হোক না কেন তাঁর কাছ থেকেই তিনি খুব সহজভাবেই ভালবাসা ও শ্রদ্ধা আদায় করে নিয়েছেন । তাঁর কথা-বার্তা, চাল-চলন, আচার-আচরণ, মেলা-মেশা, আলাপ-চারিতা সব কিছুতেই তাঁকে একজন শ্রদ্ধাভাজন মানুষ হিসাবে শ্রদ্ধা করতে কারও কার্পণ্য ছিল না । এটা তিনি যেমন জোর করে আদায় করেননি, একই ভাবে কাউকে জোর করে করতেও হয়নি । সবাই তাঁকে যেখানে পেয়েছেন সেখানেই মনের অজান্তেই শ্রদ্ধা করেছেন । একই ভাবে তিনি সবার ভালবাসাও কুড়িয়ে নিয়েছেন সারা জীবন । তাঁকে চেনে, জানে কিন্তু ভালবাসেনি এমন মানুষ বোধ হয় খুঁজে পাওয়া যাবে না । তিনি যেমন উজার করে মানুষকে শ্রদ্ধা ভালবাসা বিলিয়েছেন, ঠিক তেমনি তিনিও সবার কাছ থেকে শ্রদ্ধা ভালবাসা কুড়িয়ে নিয়েছেন ।

মরহুম মাস্টার কে এম আজিজ উল্যা'র দীর্ঘ জীবনে তাঁর রাজনৈতিক সমর্থন থাকাটা অস্বাভাবিক ছিল না । কোন রাজনীতিবিদের সাথে তাঁর সম্পর্কের কখনও অবনতি হয়েছে এমন কোন নজির ছিল না । যদিও কেউ অভদ্রতার কারনে, শিষ্টাচার না জানার কারনে এমন ঘটার সম্ভাবনা ছিল, তিনি তাদের খুব সহজে ক্ষমা করে দিয়ে তাদের কাছা কাছি পৌঁছে যেতেন । ফলে অশ্রদ্ধার পরিবর্তে তিনি তার কাছ থেকে শ্রদ্ধাই আদায় করে নিয়েছেন । তাঁর কাছে সব রাজনীতির মর্যাদা ছিল । তিনি সব আদর্শ রাজনীতির জন্য সবাইকে সম্মান করতে পারতেন । যে কোন রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষ যে তাঁর প্রিয় হতে পারেন সেটা তিনি সকল রাজনীতির মানুষের সাথে চলা ফেরা করে, যোগাযোগ রেখে প্রমান দিয়ে গেছেন । তিনি নিজ গুনে ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষের অকুণ্ঠ ভালবাসা পেয়ে গেছেন ।

মরহুম মাস্টার কে এম আজিজ উল্যা কাউকে ছোট করে নিজে বড় হতে চেষ্টা করেননি । এটা আমাদের সমাজের অহরহ এবং ছড়ানো রোগ হলেও তিনি সর্বদা তাঁর ঊর্ধ্বে ছিলেন । তাঁকে কখনও কেউ শুনতে পায়নি কারও সম্পর্কে মন্দ বলতে । বরং কেউ কোন বদনাম করতে চেষ্টা করলে তা ভুল হিসাবে বিবেচনা করে ক্ষমা করার পরামর্শ দিয়ে পাশ কাটিয়ে নিয়েছেন । অন্যের যত ছোট কাজ হোক তাঁর কাছে তা ছিল অনেক মুল্যবান । যে কজের জন্য তিনি এত উৎসাহ দিতে পারতেন, যা বলে বুঝানো সম্ভব নয় । কিন্তু তিনি তাঁর প্রশংসনীয় কাজের কথা একবারও উচ্চারন না করে থাকতে পারতেন । তাঁর জন্য কোন কৃতিত্বের প্রত্যাশা করতেন না । তিনি অন্যের প্রশংসা, অন্যের গুণকীর্তন করতে ভালবাসতেন । এমন স্বভাব আমাদের সাধারন মানুষের মাঝে খুব কম থাকে যা তার কাছে সদা বিদ্যমান ছিল । তার কাছে গেলে মানুষের নিজের প্রতি নিজের আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যেত । কি করে মানুষকে বড় করে আলোচনা করতে হয় তা তাঁকে না দেখে বুঝার উপায় ছিল না ।

মরহুম মাস্টার কে এম আজিজ উল্যা বিভিন্ন মতাদর্শের মানুষেরও কাছাকাছি হয়েছেন । কিন্তু কোথাও তাঁকে ভিন্ন মতাদর্শের কারনে বিরাগের শিকার হতে হয়নি । একই ভাবে মতাদর্শের কারনে তাঁকে কোথাও হেনস্তাও হতে হয়নি যা আজকাল মানুষকে সচরাচর হতে দেখা যায় । তাতেই প্রমান করে যে, তিনি সকল মানুষকে মানিয়ে চলতে দারুন ভাবে অভ্যস্ত ছিলেন । একই সাথে তিনি অনেক ধার্মিক মানুষের মাঝে বিচরণ করেছেন । ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি একজন নিষ্ঠাবান ধার্মিক মানুষ ছিলেন । ধার্মিক মানুষদের কাছে তিনি কখনও শিখেছেন, কখনও তাদের শিখিয়েছেন । কিন্তু কারও সাথে তাঁর মতের সংঘাত ঘটেনি । অন্যের উপদেশ, মতামত খুব সহজ করে মেনে নেয়ার এক অসাধারন ক্ষমতা ছিল তাঁর । তিনি যুক্তিপূর্ণ বিতর্ক অনুষ্ঠানের দক্ষ বিতার্কিক ছিলেন, কিন্তু কারও সাথে কোন বিষয় নিয়ে বিতর্ক এড়িয়ে চলতে পারার অপার ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন । ফলে তাঁকে নিয়ে কোথাও এমন বিতর্কের অবতারনা ঘটেনি ।

উপরের কোনটা বাড়িয়ে বা রুপদান করে বলা নয় । যারা তাঁকে দেখেছেন, যারা তাঁর সাথে চলেছেন তারা নিশ্চয় আমার কথায় সমর্থন দেবেন । আমার মনে হয় মরহুম মাস্টার কে এম আজিজুল্যা আমাদের কাছে এমন একটা উদাহরণ ছিলেন যাকে অনুসরণ করা যায়, যাকে অনুকরণ করা যায় । তিনি বরাবরের মত একজন অত্যন্ত সাদা মনের মানুষ ছিলেন । আমার মনে হয় একটু শান্ত হয়ে ভাবলে আমাদের প্রত্যেকের মনে হবে, যদি মরহুম মাস্টার কে এম আজিজুল্যা'র মত হতে পারতাম । কারন তিনি এমন এক ব্যক্তি যাকে আমরা কেউ ভুলতে পারছি না, পারব না । তাঁর মৃত্যুর পর তাঁকে আমরা যেভাবে সরণ করছি এমনই করে যদি সরণীয় হয়ে থাকতে পারতাম ? একজন অতি সাধারন মানুষ কি করে আমাদের সবার কাছে এত অসাধারন হয়ে উঠেছেন আমরা কেউই আগে বুঝতে পারিনি । মৃত্যুর পর তাঁকে নিয়ে যত আলোচনা চলছে সেটাই আমাদের মনে করিয়ে দেয় আমাদের জীবনটা যদি তাঁর মত করা যেত ! তাইতো মনে মনে ভাবি যদি মরহুম মাস্টার কে এম আজিজ উল্যা'র মত একটা জীবন গড়া যেত ।

আকতারুজ্জামান মোহাম্মদ মোহসীন
সাহিত্যিক ও সমসাময়িক বিষয় লেখক
www.rokomari.com/book/author/12661


রিলেটেড নিউজ

আগস্ট : নিস্তব্ধতার কান্না

আগস্ট : নিস্তব্ধতার কান্না

Sonali News

ঐতিহাসিক ফরাসি দার্শনিক মালরো তাঁর `Rops and the mice' উপন্যাসে লিখেছেন, একজন ত্রিকালদর্শী শিল্পীর ফাঁসি ... বিস্তারিত

ডিভোর্স : লাঞ্ছিত একটি পদক্ষেপ

ডিভোর্স : লাঞ্ছিত একটি পদক্ষেপ

Sonali News

একটি সংবেদনশীল ও স্পর্শকাতর শব্দের পরিসমাপ্তি ডিভোর্স! আগামীর স্বপ্ন নিয়ে যখন মহাকাশ ভ্রমণের ... বিস্তারিত

আছাদুল হক চৌধুরী সাহেব মিয়া ছিলেন সন্দ্বীপের  কিংবদন্তি জননেতা

আছাদুল হক চৌধুরী সাহেব মিয়া ছিলেন সন্দ্বীপের কিংবদন্তি জননেতা

Sonali News

বিপন্ন মানবতা মাড়িয়ে উদ্ধারে সিদ্ধহস্ত একজন মানবিক যোদ্ধা। জীবন যৌবন মাড়িয়ে মা মাটি ও মানুষের ... বিস্তারিত

 স্মৃতিচারণ

স্মৃতিচারণ

Sonali News

শ্রদ্ধেয় এ কে এম আজিজ উল্যাহ স্যার আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। কিন্তু রেখে গেছেন অজস্র স্মৃতি। তা ... বিস্তারিত

আমার দেখা মাস্টার কে এম আজিজ উল্ল্যা

আমার দেখা মাস্টার কে এম আজিজ উল্ল্যা

Sonali News

গত ১৩ জুন ২০২১ তারিখ বিকাল ৫.৩০ ঘটিকায় সকলের প্রিয় মানুষ জনাব মাস্টার কে এম আজিজ উল্ল্যা আমাদের ... বিস্তারিত

ভাসান চর সমস্যার আন্তরিক সমাধান চাই

ভাসান চর সমস্যার আন্তরিক সমাধান চাই

Sonali News

ন্যায়ামস্তি, ভাসান চর, রোহিঙ্গা নিবাস যে নামেই ডাকুন এই জনপদ সন্দ্বীপের ন্যায়ামস্তিই । অনিয়মের ... বিস্তারিত

সর্বশেষ

ছোট গল্প  # রাজকন্যা

ছোট গল্প # রাজকন্যা

Sonali News

মুকুট হীন ♔ রাজার রাজ্য ও রাজপ্রাসাদ এবং রাজদরবার না থাকলেও আছে একজন প্রিন্সেস! রাজা অকৃত্রিম ... বিস্তারিত

সন্দ্বীপের সরকারী হাসপাতালে সিজারের ব্যবস্থা হচ্ছে

সন্দ্বীপের সরকারী হাসপাতালে সিজারের ব্যবস্থা হচ্ছে

Sonali News

ইলিয়াস কামাল বাবু ::সন্দ্বীপ উপজেলায় মা মনি এমএনসিএসপি প্রকল্প কার্যক্রম উদ্বোধন কালে প্রধান ... বিস্তারিত

সন্দ্বীপে জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের চাহিদা নিরুপণে ইপসা'র কর্মশালা

সন্দ্বীপে জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের চাহিদা নিরুপণে ইপসা'র কর্মশালা

Sonali News

ইলিয়াস কামাল বাবুজলবায়ু পরিবর্তন জনিত সমস্যায় ক্ষতিগ্রস্থ মানুষদের চাহিদা নির্ণয়ে ইয়ং পাওয়ার ... বিস্তারিত

হেলেনা জাহাঙ্গীরের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে জয়যাত্রা ফাউন্ডেশন

হেলেনা জাহাঙ্গীরের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে জয়যাত্রা ফাউন্ডেশন

Sonali News

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক, জয়যাত্রা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হেলেনা ... বিস্তারিত