আমার দেখা মাস্টার কে এম আজিজ উল্ল্যা

Sonali News    ০৫:২৭ পিএম, ২০২১-০৬-১৪    243


আমার দেখা মাস্টার কে এম আজিজ উল্ল্যা

আমার দেখা মাস্টার কে এম আজিজ উল্ল্যা - আকতারুজ্জামান মোহাম্মদ মোহসীন

গত ১৩ জুন ২০২১ তারিখ বিকাল ৫.৩০ ঘটিকায় সকলের প্রিয় মানুষ জনাব মাস্টার কে এম আজিজ উল্ল্যা আমাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমিয়েছেন । জীবদ্দশায় খুব বেশি আনন্দের জীবন যাপন না করলেও তিনি নিজে নিজে বর্নাঢ জীবন যাপন করে গেছেন । তিনি একাধারে শিক্ষক হয়ে ছাত্র ছাত্রীদের শ্রদ্ধা, অভিভাবকের সম্মান কুড়িয়েছে নিয়েছেন । তিনি আপন মহিমায় লিখে মানুষের মনে স্থান করে নিয়েছেন । তিনি আপন মহিমায় সবার কাছে ভাস্মর হয়ে থাকবেন অনেক অনেক কাল । তিনি আজ আর আমাদের মাঝে নেই, আর আমাদের মাঝে কোন অনুষ্ঠানে আসবেন না । তিনি আর আমাদের প্রশংসা করে উৎসাহ যোগাবেন না । আমরা আর তাঁর জ্ঞানগর্ভ কথা শোনার সুযোগ পাব না। এত দিনের আমাদের কাছে ইতিহাস হয়ে থাকা মানুষটা এখন আমাদের কাছে ইতিহাস হয়ে গেছেন । তিনি ছিলেন আমাদের প্রজম্মের ৮৪ বছরের এক জীবন্ত ইতিহাস । এখন তিনি আমাদের কাছে কেবল স্মৃতিতে পরিণত হয়ে গেছেন ।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ভেতর বাহির একই রকম একজন অভিন্ন মানুষ ছিলেন । তিনি ছিলেন খুব সাধারন জীবন যাপনে অভ্যস্ত মানুষ ছিলেন । তার কাছে জীবন মানে নিজেকে উজার করে বিলিয়ে দেয়ার মোক্ষম সময়কাল । তাঁকে দেখেছি খুব অল্পতে কত সুন্দর সন্তুষ্ট হওয়া যায় তার উদাহরণে। তিনি সকলের কাছে ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী আর কোমল মানুষ । তার কাছে কখনও বৈরি সম্পর্ক বলে কিছু দেখিনি । যার সাথে তার নিশ্চিত বৈরিতা হওয়ার কথা ভেবেছি, তার সাথেই তার সুন্দর সাবলীল সম্পর্ক দেখেছি । তার কাছে পৃথিবীর সকল মানুষ মুল্যবান ছিলেন । কাউকে তিনি অবহেলা, তুচ্ছ, ঘৃণা করেছেন বলে জানা নেই । তাঁকে অনেকটা বলা যায় সার্বজনীন মানুষ । মানুষ কথায় বলে কোন মানুষ নাকি নিরপেক্ষ হয় না, কিন্তু আমার চোখে যা দেখেছি মাস্টার কে এম আজিজুল্লাহ কোন পক্ষ দুষ্টে দুষ্ট মানুষ ছিলেন না । যে কোন মানুষ তাঁকে নিশ্চিন্তে বিশ্বাস করতে পারতেন । কারন তাঁর দ্বারা কারও বিন্দু পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে বলা আমার জানা নেই । এমন কি তাঁর তেমন স্বভাবও ছিল না ।
সারা জীবন তিনি সাহিত্য অনুরাগী মানুষ ছিলেন । তাঁর নিজের অনেক মুল্যবান সাহিত্য কর্ম রয়েছে । ব্যক্তিগত জীবনে যতটা সময় পেয়েছেন ততটুকু সময় নিজেকে সাহিত্য চর্চাতে নিয়োজিত রেখেছেন । বলা যায় তিনি একজন বিশুদ্ধ সাহিত্যিক ছিলেন । তার প্রতিটি সাহিত্যে দায়িত্ববোধের পরিচয় পাওয়া যায় । তিনি যা রচনা করেছেন তা সকলের জন্য মার্জিত, রুচি সম্মত, দায়িত্ব সম্পন্ন, সৃষ্টিশীল ছিল । তার সকল রচনা থেকে সকলের জন্য কিছু শেখার ছিল । তিনি কখনও দায়িত্বহীনের মত কোন সাহিত্য রচনা করেন নি । তার মাঝে অনেক হারিয়ে যাওয়া সংস্কৃতির সন্ধান পাওয়া যায় । এক কথায় তার মাঝে সুন্দর গল্প, সুর-তাল-লয়-ছন্দের কবিতা, সুন্দর সুরেলা ছড়া, ছন্দ-তালের জারিগান, পাল্লা দেয়া কবিগান, পুরানো সুরের পুতিসহ ইত্যাদি অনেক কিছুর সন্ধান পাওয়া যেত । তিনি নিজে যেমন সাহিত্য অনুরাগী মানুষ ছিলেন তেমনি যৎসামান্য সাহিত্য চর্চা করেন এমন মানুষ পেলে তিনি সীমাহীন আনন্দ অনুভব করেছেন । কোন নতুন সাহিত্য কর্ম হাতে পেলে অসম্ভব খুশি হয়ে যেতেন । তাঁর খুশি দেখে মনে হয়েছে এমন খুশি মাস্টার কে এম আজিজুল্লাহ’র মত মানুষ ছাড়া আর কেউ এত সহজে এত খুশি হতে পারেন না ।
একজন আলোকিত মানুষ ছিলেন মাস্টার কে এম আজিজ উল্ল্যা । তিনি একাই কেবল আলোকিত মানুষ ছিলেন না । তিনি যাদের আলো দিতে চেষ্টা করেছেন তাদেরও তিনি আলোকিত করার চেষ্টা করেছেন । আমাদের সমাজে আজকাল এমন আলো ছাড়ানোর মানুষ পাওয়া মুশকিল । কারন আমাদের দেশের বর্তমান মানুষগুলোর জীবনের চাহিদা আলোর আগেই এসে সামনে দাঁড়ায় । কিন্তু মাস্টার কে এম আজিজুল্লাহ’কে দেখেছি তাঁর চাহিদা ছিল সবার পরে । তিনি আলো ছড়িয়ে গেছেন জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষ । তাঁর গুনেই মানুষ তাঁকে চিরকাল শ্রদ্ধার সাথে ধারন করেছেন । তিনি মানুষকে যতটা আলো দিতে পারতেন, তাঁর কাছে ঠিক ততটা আনন্দের তৃপ্তি দেখা যেত । আলো ছড়ানোর কাজে, পরোপকারের কাজে বয়স, বার্ধক্য, ব্যস্ততা, অসুস্থতা কিছুই তাঁকে দমিয়ে রাখতে পারেনি । তিনি বরাবর নিজের আলো নিয়ে ছুটে চলেছেন আলোর প্রদীপ জ্বালাতে । তিনি ছিলেন অনন্য সাধারন মানুষ । তাঁর চিন্তা চেত্না ছিল অনেক উচু মানের । সন্দ্বীপকে নিয়ে আর অনেক ভাবনা ছিল । তিনি চিরকাল ছিলেন সমগ্র সন্দ্বীপের জন্য এক নিবেদিত প্রান । তিনি কখনও আত্ম কেন্দ্রিক মানুষ ছিলেন না । তিনি অন্যের সুখে সুখী, অন্যের দুঃখে দুখী হয়ে মিশে যেতেন ।
খুব কাছে থেকে তাঁকে দেখার, তার আদর পাওয়ার সুযোগ হয়েছিল । আমার দেখা মানুষ হিসাবে তাঁকে তুলনা করতে পারি এমন মানুষ আমার জানা নেই । তাঁকে সবাই ভালবাসার মত অনেক গুণাবলী ছিল বলেই দেখেছি । কিন্তু তাঁকে ভালবাসা যায় না এমন কোন দোষ আমার চোখে পরেনি, কেউ দেখেছে কিনা জানিনা । তার কাছে মানুষ অফুরান ভালবাসা আর স্নেহ খুঁজে পেয়েছে । কেউ বলতে পারবেনা তাঁর কাছ থেকে তিনি ভালবাসা পাননি । রাহাত, শাহাদাৎ, মোসাদ্দেক, কবীর, বাবুল, ডঃ সালেহা, ইঞ্জিনিয়ার হান্নান, নুরুল আখতার, আলী হায়দার চৌধুরী (এমনি করে আরও অনেক মানুষ) প্রত্যেক মানুষ অকৃপণে বলবেন মাস্টার কে এম আজিজুল্লাহ আমাকেই বেশি ভালবাসতেন । কিন্তু কেউ বলতে পারবেন না, তিনি আমাকে অন্যদের মত ভালবাসতেন না । এ ছিল তাঁর এক আশ্চর্য রকম ভালবাসার ক্ষমতা । তিনি সবাইকে সমান ভাবে ভালবাসতে পারতেন । আমার কাছে মনে হয়েছে তাঁর কাছে ভালবাসা, স্নেহের বিশাল সাগর ছিল, যা থেকে তিনি অকৃপণে মানুষকে ভালবাসা বিলিয়েছেন । আর এই ভালবাসা দিয়েই তিনি বহুকাল মানুষের কাছে অমর হয়ে থাকবেন ।
তিনি ব্যক্তিগত জীবনেমাস্টার কে এম আজিজ উল্ল্যা স্কুল শিক্ষক হলেও দীর্ঘদিনে মনের অজান্তে তিনি সবার শিক্ষকে পরিণত হয়ে উঠেছিলেন । তিনি সকলের কাছে অনুকরনীয় হয়ে উথেছিলেন । তাঁর নিজের বহন করা শিক্ষতার পেশাতা তার কাছ থেকে শিখে নেয়া অনেক দুরহ ছিল - এ জন্য যে, মানুষ কি করে তাঁর মত এমন নিরহংকার, এমন বিশাল নির্মোহ, এত ত্যাগী নির্লোভ হতে পারেন তা মাস্টার কে এম আজিজুল্লাহ’কে না দেখলে, তার সাথে না চললে বুঝার উপায় ছিল না । তিনি উজার করে মানুষকে ভালবাসা দিয়েছেন । তার দেয়া ভালবাসার মাঝে কোন কৃত্তিমতা ছিল না । তার স্নেহের মাঝে কোন অভিনয় ছিল না । সত্যিই তিনি মানুষকে প্রান খুলে আদর করেছেন, ভালবাসা দিয়েছেন । পৃথিবীর সব চেনা মানুষগুলোই যেন তার অতি আপন । আর অচেনা মানুষগুলোকে আপন করাতে তাঁর কোন জুড়ি ছিল না । তিনি মুহূর্তেই মানুষকে আপন করে নিতে পেরেছেন । এমন অনেক মানুষ আছেন যিনি তাঁর চলার পথেই পরিচিত হয়েছেন, অথচ তিনিও তাঁর আপন হয়ে পরেছেন । তাঁকেও তিনি ভালবাসা দিয়ে ভরিয়ে দিয়েছেন ।
বর্তমান দুনিয়ায় অভিভাবকের বড় অভাব । কারন এমন অভিভাবকের দায়িত্ব নিতে পারার মত মানুষ আজকাল খুঁজে পাওয়া কঠিন । কিন্তু মাস্টার কে এম আজিজুল্লাহ যেন মনের অজান্তে ধীরে ধীরে মানুষের অভিভাবকে পরিণত হয়ে উঠেছিলেন । তাই তিনি অভিভাবক হিসাবেও ছিলেন অসাধারন । একজন সাধারন মানুষ তাঁর সাথে দেখা হতেই, কথা হতেই ধীরে ধীরে তাঁকে অভিভাবক ভাবতে শুরু করেছে । আমাদের অনেকেই আছি বিষয়টা এমন ভাবে বিবেচনা করিনি । কিন্তু তাঁর সামনে গেলেই মনে হয়েছে একজন প্রকৃত শ্রদ্ধা ভাজন, প্রকৃত গুরুজন, নির্ভরযোগ্য একজন অভিভাবকের সামনে উপস্থিত হয়েছি । অন্তরের অন্তস্থল থেকে এমন মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা নির্গত হয়েছে, একই সাথে তাঁর কাছ থেকে অবিরাম স্নেহ পাওয়া গেছে । যার সাথে কথা বললেই মনে হয়েছে তিনিই যোগ্য এবং প্রকৃত অভিভাবক । যার কাছে নির্ভয়ে কষ্টের কথা বলা যায়, যাকে নিশ্চিন্তে সুখ দুখের অংশীদার করা যায় । এমন বিষয়গুলো মানুষের মনের অজান্তেই তিনি সৃষ্টি করেছিলেন, মানুষ মনের অজান্তেই উপভোগ করেছে ।
আমাদের পৃথিবীতে যুগে যুগে এমন কিছু মানুষ সৃষ্টি হয়ে থাকে । মাস্টার কে এম আজিজুল্লাহ’র মত এমন আরও অনেক মানুষ আগে আমাদের কাছে এসেছিলেন, চলেও গেছেন । কিন্তু পৃথিবীর মানুষগুলো এমন মানুষদের কাছ থেকে অকাতরে গ্রহণ করে যায়, কিন্তু বিনিময়ে তারাও মানুষের অনেক ভালবাসা কুড়িয়ে নেয় । এমন মানুষগুলো অনন্য মানুষ হয়ে থাকেন । কখনও যাদের বিকল্প কেউ হয় না । তাঁরা নিজেরাই কেবল নিজেদের পরিপূরক হয়ে থাকেন এবং নিজেদের মহিমায় উজ্জল আসনে আসীন হয়ে থাকেন । আমার ব্যক্তিগত ভাবে মনে হয়েছে, এমন মানুষ তৈরি করা বা সৃষ্টি করা যায় না । এমন মানুষ সৃষ্টি কর্তার অপার দান হিসাবে পাওয়া হয় । মাস্টার কে এম আজিজুল্লাহও আমাদের জন্য সৃষ্টি কর্তার অপার দান হিসাবে এসেছিলেন । মাস্টার কে এম আজিজ উল্ল্যা’কে নিয়ে আমার দেখা আর জানা হতে অনেক লেখা বা বলা যায় । কিন্তু সেদিকে না গিয়ে শেষ করছি । আল্লাহ, তার দুনিয়ার সকল কর্মকে আমলে পরিণত করে নিন, তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করুন । আমীন ।
আকতারুজ্জামান মোহাম্মদ মোহসীন
সাহিত্যিক ও সমসাময়িক বিষয় লেখক


রিলেটেড নিউজ

আগস্ট : নিস্তব্ধতার কান্না

আগস্ট : নিস্তব্ধতার কান্না

Sonali News

ঐতিহাসিক ফরাসি দার্শনিক মালরো তাঁর `Rops and the mice' উপন্যাসে লিখেছেন, একজন ত্রিকালদর্শী শিল্পীর ফাঁসি ... বিস্তারিত

ডিভোর্স : লাঞ্ছিত একটি পদক্ষেপ

ডিভোর্স : লাঞ্ছিত একটি পদক্ষেপ

Sonali News

একটি সংবেদনশীল ও স্পর্শকাতর শব্দের পরিসমাপ্তি ডিভোর্স! আগামীর স্বপ্ন নিয়ে যখন মহাকাশ ভ্রমণের ... বিস্তারিত

আছাদুল হক চৌধুরী সাহেব মিয়া ছিলেন সন্দ্বীপের  কিংবদন্তি জননেতা

আছাদুল হক চৌধুরী সাহেব মিয়া ছিলেন সন্দ্বীপের কিংবদন্তি জননেতা

Sonali News

বিপন্ন মানবতা মাড়িয়ে উদ্ধারে সিদ্ধহস্ত একজন মানবিক যোদ্ধা। জীবন যৌবন মাড়িয়ে মা মাটি ও মানুষের ... বিস্তারিত

মরহুম মাস্টার কে এম আজিজ উল্যা'র অসাধারন জীবন

মরহুম মাস্টার কে এম আজিজ উল্যা'র অসাধারন জীবন

Sonali News

“মরহুম মাস্টার কে এম আজিজ উল্যা'র অসাধারন জীবন”(জম্মঃ ২৩ মার্চ ১৯৩৮ মৃত্যুঃ ১৩ জুন ২০২১) মরহুম ... বিস্তারিত

 স্মৃতিচারণ

স্মৃতিচারণ

Sonali News

শ্রদ্ধেয় এ কে এম আজিজ উল্যাহ স্যার আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। কিন্তু রেখে গেছেন অজস্র স্মৃতি। তা ... বিস্তারিত

ভাসান চর সমস্যার আন্তরিক সমাধান চাই

ভাসান চর সমস্যার আন্তরিক সমাধান চাই

Sonali News

ন্যায়ামস্তি, ভাসান চর, রোহিঙ্গা নিবাস যে নামেই ডাকুন এই জনপদ সন্দ্বীপের ন্যায়ামস্তিই । অনিয়মের ... বিস্তারিত

সর্বশেষ

‘প্রবাস প্রত্যয়ে বঙ্গবন্ধু’ শিল্পকলা একাডেমী ইউএসএ ইনকের অনুষ্ঠান আজ

‘প্রবাস প্রত্যয়ে বঙ্গবন্ধু’ শিল্পকলা একাডেমী ইউএসএ ইনকের অনুষ্ঠান আজ

Sonali News

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মৃজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে শিল্পকলা একাডেমী ইউএসএ ইনক এর ... বিস্তারিত

সন্দ্বীপে আজকের দিনটি ছিলো শিক্ষার্থীদের জন্য আনন্দময় একটি দিন

সন্দ্বীপে আজকের দিনটি ছিলো শিক্ষার্থীদের জন্য আনন্দময় একটি দিন

Sonali News

ইলিয়াস কামাল বাবু :: স্কুল ছাত্র- ছাত্রীদের জন্য আজকের দিনটি ছিলো অত্যান্ত আনন্দময় ও উৎসব মুখর। ... বিস্তারিত

সন্দ্বীপে হিন্দু সম্প্রদায়ের দু'গ্রুপ আলাদা ভাবে এবার জন্মাষ্টমী উদযাপন করলো

সন্দ্বীপে হিন্দু সম্প্রদায়ের দু'গ্রুপ আলাদা ভাবে এবার জন্মাষ্টমী উদযাপন করলো

Sonali News

ইলিয়াস কামাল বাবুসন্দ্বীপের সনাতনী হিন্দু সম্প্রদায় দু' ভাগে বিভক্ত হয়ে দু' টি আলাদা স্থানে এবার ... বিস্তারিত

মঙ্গল জলদাস সংবর্ধিত ও পুরস্কৃত

মঙ্গল জলদাস সংবর্ধিত ও পুরস্কৃত

Sonali News

ইলিয়াস কামাল বাবুএকজন সাগর সংগ্রামী মঙ্গল জলদাস, যার কিনা ঝড়, বৃষ্টি, সাগরের উত্তাল ঢেউকে উপেক্ষা ... বিস্তারিত