আজ মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৮ ইং, ১১ বৈশাখ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



জঙ্গি রাষ্ট্র বানানোর ষড়যন্ত্র

Published on 16 April 2016 | 3: 22 am

বাংলাদেশকে নিয়ে বিদেশী প্রভাবশালী গোষ্ঠীর গভীর ষড়যন্ত্র ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদি চক্রান্ত বাস্তবায়ন করতে গণতন্ত্রের মুখোশধারী চক্রটি এখানে জঙ্গি, সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএস (ইসলামিক স্টেট) থাকার বিষয়টি এক রকম নিশ্চিত করতে নানা পন্থা বেছে নিয়েছে। উদ্দেশ্য বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দেয়া। বিপরীতে তাদের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করা। যে কারণে তারা প্রকাশ্যে যা বলছে, পর্দার আড়ালে করছে তার সম্পূর্ণ বিপরীত। প্রকাশ্যে জনগণের ভোটের অধিকারসহ বাক-স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে নানাভাবে বক্তব্য ও বিবৃতি দিয়ে আসছে। অথচ পেছন দরজা দিয়ে একদলীয় শাসন ও জঙ্গিবাদ প্রতিষ্ঠা করতে সব চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি এখন প্রতিবেশী দুটি দেশ ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্কে কিভাবে টানাপোড়েন ধরানো যায় সে অপচেষ্টার এজেন্ডা নিয়েও মাঠে নেমেছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের কয়েকজন যুগান্তরের কাছে শুক্রবার তাদের এমন সব প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তারা বলেন, পশ্চিমা এ গোষ্ঠীটির ষড়যন্ত্রের সর্বশেষ উদাহরণ আইএসের সাময়িকী ‘দাবিক’ ম্যাগাজিনে বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদন। যেখানে বলা হয়েছে, ভূ-অবস্থানগত কারণে দক্ষিণ এশিয়ায় ঘাঁটি বানাতে বাংলাদেশকে পছন্দ করছে আইএস। আর এখান থেকেই ভারতে হামলা চালাতে চায় মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক এ জঙ্গি সংগঠন। এজন্য এ বিষয়ে আইএসের বাংলাদেশ শাখার কথিত শাখা প্রধানের সাক্ষাৎকারও প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে উসকানিমূলক নানা কথা বলা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল শুক্রবার দুপুরে বলেন, ‘বাংলাদেশে আইএসের কোনো অস্তিত্ব নেই। তাদের মতাদর্শ বিশ্বাস করে এমন কেউ কেউ থাকতে পারেন। বাংলাদেশ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। এ দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হচ্ছে। দেশ ও বিদেশে থেকে এ বিচার বাধাগ্রস্ত করার নানা চেষ্টা অব্যাহত আছে। এর ফলে বাংলাদেশ নিয়ে চলছে দেশী এবং বিদেশী ষড়যন্ত্র। কিন্তু সরকারের তৎপরতার কারণে এ গোষ্ঠী সফল হতে পারছে না। এদের সঙ্গে সরকারবিরোধী ও জামায়াত-শিবির জড়িত রয়েছে। তারা বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ও মিয়ানমারের সঙ্গে বর্তমানে যে ভালো সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে সেটায় ফাটল ধরানোর চেষ্টাও চালাচ্ছে।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এ দেশে কোনো জঙ্গিগোষ্ঠীর ঘাঁটি তৈরির সুযোগ নেই। কেউ এ দেশকে ঘাঁটি করে কোথাও হামলাও করতে পারবে না। এ বিষয়ে আমরা সতর্ক রয়েছি। আর এসব কারা করছে, কেন করছে তাও আমাদের কাছে স্পষ্ট।’ তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে এ দেশে সীমান্ত এলাকায় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ঘাঁটি তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকারের আমলে এসব ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে।’
এদিকে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, আইএস বা জঙ্গিবিরোধী ভূমিকায় পশ্চিমা বিশ্ব ও মার্কিনিদের ভূমিকা এখন প্রশ্নবিদ্ধ। এরা জঙ্গি মোকাবেলার নামে যা বলে সেটার বিশ্বস্ততা অনেকটাই হারিয়ে গেছে। সিরিয়া বা ইরাকসহ বিভিন্ন দেশে যেভাবে ডাবল স্ট্যান্ড (দ্বৈত ভূমিকা) দেখিয়ে পরাশক্তির খেলা করেছে তাতে করে তাদের মুখোশ উন্মোচন হয়ে গেছে। এখন এ শক্তি বাংলাদেশকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার চেষ্টা করছে। ‘সর্প হয়ে দংশন করে, ওঝা হয়ে ঝাড়ে’ এমন বীভৎস ফর্মুলায় ষড়যন্ত্র করছে। যেমন ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ একটি রাজনৈতিক দলকে কৌশলের ফাঁদে ফেলে নির্বাচন থেকে দূরে রাখে। বিপরীতে গোপন সমর্থন দিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে দিয়ে একতরফা নির্বাচন আয়োজনে মদদ জোগায়। উদ্দেশ্য ছিল গণতন্ত্রের পায়ে কুঠারাঘাত করা। সেখানে তারা সফল হয়। মূলত ৫ জানুয়ারি থেকেই এ চক্রটি বাংলাদেশ নিয়ে সুগভীর চক্রান্ত শুরু করে। এরাই আবার এখন প্রায় বক্তব্য ও বিবৃতি দিয়ে বলে আসছে, মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব করা হলে ভিন্ন শক্তি বা জঙ্গিগোষ্ঠীর আবির্ভাব হবে। ধারণা করা হচ্ছে, বিভিন্ন সন্ত্রাসী ঘটনার সঙ্গে এ চক্রের হাত থাকতে পারে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের কেউ কেউ মনে করেন, যেসব হত্যা বা হামলার ঘটনায় আইএস দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়ে আসছে সেসব ঘটনার পেছনে এ চক্রেরই ইন্ধন রয়েছে। হতে পারে তা খুবই দূরবর্তূ নিয়ন্ত্রণ।
এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আবদুর রশীদ বলেন, পৃথিবীর যেসব দেশে ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব ও মার্কিন স্বার্থ জড়িত রয়েছে, সেখানে আল কায়দা বা আইএসের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি করা হচ্ছে। আর এ ভূ-রাজনৈতিক কারণে বাংলাদেশেও তারা হামলে পড়ার চেষ্টা করছে। যে কারণে কিছু হলেই বলা হয়, এটা আইএসের কাজ, বাংলাদেশে আইএস আছে। এভাবে বিদেশী চক্র ও তাদের কিছু দেশীয় দোসর বিশেষ ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছে। জেনারেল রশীদ বলেন, দূরবর্তী অদৃশ্য শক্তি আইএস বা আল কায়দাকে নিয়ন্ত্রণ করছে। একই গোষ্ঠী ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্বে বাংলাদেশে সাংবিধানিক সংকট তৈরির চেষ্টা করে। এ কারণে ৫ জানুয়ারি বিএনপি নির্বাচনে যায়নি। কোনো কোনো দল যাতে নির্বাচনে অংশ না নেয়, তার পেছনেও পশ্চিমা ষড়যন্ত্র ছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার ভারত, চীন, রাশিয়াহ বিভিন্ন পরাশক্তির সমর্থন পেয়েছিল ওই নির্বাচনে। পরবর্তী সময়ে আবার পশ্চিমারাও এ সরকারের সঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছাও প্রকাশ করে। এখন তারা দেখছে, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তাই নতুন কৌশলে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে, যা ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হচ্ছে। আর এটা যারা করছে তারা শুধু মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে, জঙ্গিবিরোধী বক্তব্য দেয়। বাস্তবে তারাই নেপথ্যে থেকে জঙ্গি রাষ্ট্র বানানোর কূটকৌশল করছে। পৃথিবীর বেশ কয়েকটি দেশে তারা এমন পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার সবকিছু আঁচ করতে পেরে নিজেদের সমুন্নত রাখতে কৌশল গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, এ দেশে থাকা যুদ্ধাপরাধীদের সংগঠন জামায়াত নানাভাবে আন্তর্জাতিক মহলে যোগসূত্র তৈরি করে ছক করেছে। সেই ছক অনুযায়ী, এ দেশকে অকার্যকর করার চেষ্টা চলছে। তবে এ ষড়যন্ত্র সফল হবে না। এ বিশ্লেষক বলেন, আইএস দিয়ে যে খেলা খেলানো হচ্ছে, তা ইসলামের জন্য করা হচ্ছে না। এটা আধিপত্যের প্রতিযোগিতায় ব্যবহার করছে পশ্চিমা ষড়যন্ত্রকারীরা।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও সাবেক এয়ার কমডোর ইশফাক ইলাহী চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্ত এখনও অনেকটাই অরক্ষিত। দীর্ঘ সীমান্তে আরও নজরদারি বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় করে এ বিষয়ে খোঁজখবর নিতে হবে। দাবিক ম্যাগাজিনে যে ব্যক্তির নাম এসেছে আদৌ সে বাংলাদেশী কিনা, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সম্পর্ক ভালো। মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ভালো হচ্ছে। কিন্তু এখন যারা জঙ্গি রাষ্ট্র বানানোর চেষ্টা করছে, তারা অরক্ষিত সীমান্ত ও দুর্গম এলাকা সম্পর্কে অবহিত। তাই সরকারের এ বিষয়ে আরও সতর্ক থাকতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন যুগান্তরকে বলেন, দাবিকের এ প্রতিবেদন ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে কিনা, তা এখনই জোর দিয়ে বলা যাচ্ছে না। কেননা দেশে যে সহিংসতা আছে (যদিও এখন দেখা যাচ্ছে না) তার একটা প্রভাব তো ভেতরে ভেতরে আইএসে যোগ দেয়ার প্রবণতা তৈরি করতে পারে। তাছাড়া ৯০ শতাংশ মুসলিম দেশের মানুষের মধ্যে আইএসে কিছু কিছু লোক যে আকৃষ্ট হবে না, তা বলা যায় না। এছাড়া সিরিয়ায় বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত মারা গেছে। এগুলোর যদি লিংক করা যায়, তাহলে তো সন্দেহের অবকাশ আছে। তাছাড়া আইএসের আঞ্চলিক প্রধান বলে যার নাম বলা হয়েছে, নামটা সঠিক নাও হতে পারে। বাইরের ব্যক্তিও হতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশের কেউ যে জড়িত নেই, তা তো বলা যায় না। কিছু ঘটনা তো দেশে আইএস পদচিহ্নের প্রমাণ দেয়। ভিন্নমতাবলম্বীদের হত্যা ও ব্লগারদের ওপর একের পর এক হামলার ঘটনা তো ঘটছে। যার কোনো সুরাহা আইনশৃংখলা বাহিনী সেভাবে করতে পারছে না। তাহলে প্রশ্ন হল, আল কায়দা বা আইএস যদি না থাকে তবে এরা কারা? যারা এসব হামলাকারী তাদের সম্পর্কে তো  জানা দরকার। কারা এ অজ্ঞাত?
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আমার মনে হয়, এখানকার জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে আইএসের আদর্শিক একটা সম্পর্ক থাকতে পারে। কারণ, আইএস তো আর সিরিয়া থেকে এসে দিনে-দুপুরে হত্যা করে যাচ্ছে না। অবশ্যই এখানে তাদের আদর্শিক মিত্র আছে। সরকার সব কিছু রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করলে তো হবে না। দাবিকের জার্নালে বিরাট একটা অংশজুড়ে বাংলাদেশের কথা বলা হয়েছে। তারা বাংলাদেশ সম্পর্কে যথেষ্ট সজাগ। এসব সাইন তো ভালো নয়। এটাকে খতিয়ে দেখা দরকার। যদিও আমাদের কাছে কোনো তথ্য  নেই। আর যেসব তথ্য আছে সেটা থেকে এটাকে হেলাফেলাও করা যাচ্ছে না। মিয়ানমারে একটা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়ে আছে। মুসলিম মাইনোরিটি রোহিঙ্গা নিয়ে রিপ্রেশন চলছে। পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলিমদের মধ্যে টেনশন আছে। উত্তরপূর্ব ভারতে বিচ্ছিন্নতাবাদীরাও করছে আন্দোলন। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের চারপাশে তো আইএসের ওই মতাদর্শের একটা উর্বর ভূমি তৈরি হয়ে আছে। সেখানে আইএসের নজরপড়া তো স্বাভাবিক। সরকার যদিও বারবার না বলেছে, সেটা জনগণের কতটুকু ভালোর জন্য বলছে তাও তো বলতে পারি না। তবে আমি মনে করি, পুরো বিষয়টি আরও উন্নত গবেষণা ও তদন্তের দাবি রাখে। তাছাড়া দাবিক যে সাক্ষাৎকার ছাপছে সেটা তো কোনো ফেলনা কথা নয়, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও সতর্ক থাকাও জরুরি। বিশেষ করে সরকারকেই তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে প্রমাণ করতে হবে যে, এখানে আইএস নেই।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তারেক শামসুর রেহমান বলেন, সরকার বারবার বলছে আইএস নেই, অথচ আইএস দাবি করছে তাদের কার্যক্রম আছে। এটা জনমনে একটা কনফিউশন তৈরি করছে। তিনি মনে করেন, অস্তিত্ব থাকুক বা না থাকুক যেহেতু বাংলাদেশে আইএসের কথিত প্রধানের কথা বলা হয়েছে, সেহেতু বিষয়টাকে হালকাভাবে নেয়া ঠিক হবে না। এটিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে দেখতে হবে যে, আইএসের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো জঙ্গিগোষ্ঠীর সম্পর্ক আছে কিনা। কারণ পৃথিবীর বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে মিলে তাদের স্বার্থ হাসিল করতে আইসএস নতুন নতুন স্ট্রাটেজি (কৌশল) গ্রহণ করছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের চিন্তার আরেকটা কারণ হচ্ছে যে, ভারত ও মিয়ানমারে হামলার পরিকল্পনা আছে। এ বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। শুধু আইএস নয়, কোনো জঙ্গিগোষ্ঠীই যেন বাংলাদেশকে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে। আর ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করার জন্য করা হচ্ছে কিনা, সে বিষয়ে মন্তব্য না করা গেলেও তাদের এ কার্যক্রম পুরো ভারতীয় অঞ্চলের সম্পর্কে যে টানাপড়েন তৈরি করবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এজন্য আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাকে আরও তৎপর হয়ে সব জঙ্গিগোষ্ঠীকে দমনে যথাযথ উদ্যোগ নিতে হবে।’


Advertisement

আরও পড়ুন