আজ রবিবার, ১৯ আগষ্ট ২০১৮ ইং, ০৪ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



ঘটনাস্থলে সিআইডির ডিআইজি চিকিৎসককে জিজ্ঞাসাবাদ

Published on 11 April 2016 | 5: 43 am

সোহাগী জাহান তনুর মরদেহ যেখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল, ময়নামতি সেনানিবাসের সে স্থান গতকাল রোববার পরিদর্শন করেছেন সিআইডির উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মাহবুব মোহসিন। এ ছাড়া তনুর মরদেহ ময়নাতদন্তকারী এক চিকিৎসকসহ দুজনকে গতকাল জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
সিআইডি সূত্র জানায়, ডিআইজি মাহবুব মোহসিনের নেতৃত্বে দুপুর সাড়ে ১২টায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল ময়নামতি সেনানিবাস এলাকায় যায়। এরপর তাঁরা ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের এরিয়া কমান্ডার ও জিওসি মেজর জেনারেল মো. এনায়েত উল্লাহ, তনুর বাবা ইয়ার হোসেন, মা আনোয়ারা বেগম, দুই ভাই নাজমুল হোসেন ও আনোয়ার হোসেন, চাচাতো বোন লাইজু জাহানসহ অন্যদের সঙ্গে কথা বলেন।
প্রতিনিধিদলে ছিলেন সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি আলাউদ্দিন আল আজাদ, সিআইডির বিশেষ সুপার ও তদন্ত সহায়ক দলের প্রধান আবদুল কাহার আকন্দ, সিআইডির বিশেষ সুপার নাজমুল করিম খান ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক গাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম।
বিকেল সোয়া তিনটায় প্রতিনিধিদলটি কুমিল্লা সিআইডি দপ্তরে ফেরে। তখন জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে গণমাধ্যমকর্মীরা ডিআইজির সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে নাজমুল করিম খান বলেন, ‘আমরা এ ঘটনাকে সারা দেশের ঘটনা মনে করি। এ ধরনের ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে ব্যাপারে সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে। ডিআইজি স্যার আসা মানে এ মামলাকে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া। আমরা এ হত্যাকাণ্ডের জট খোলার চেষ্টা করছি। এ ঘটনার কিনারা করতে চাই।’
এদিকে বিকেল সাড়ে চারটায় সিআইডি কার্যালয়ে যান তনুর লাশের প্রথম ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রভাষক শারমিন সুলতানা। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন ওই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান কামদা প্রসাদ সাহা। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন ডিআইজি।
কামদা প্রসাদ সাহা সাংবাদিকদের বলেন, ‘ময়নাতদন্তের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। যেসব বিষয়ে অস্পষ্টতা রয়েছে, সেগুলো সম্পর্কে তাঁরা জানতে চেয়েছেন। আমরা সব খুলে বলেছি।’
গত ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী তনুর লাশ কুমিল্লা সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে জঙ্গলে পাওয়া যায়। তাঁর বাবা কুমিল্লার কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশ গত ২২ দিনে এ ঘটনায় জড়িত কাউকে শনাক্ত করতে পারেনি।


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন