আজ শনিবার, ২১ জুলাই ২০১৮ ইং, ০৬ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



চুয়েটে স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা

Published on 07 April 2016 | 10: 21 am

আন্ডার গ্র্যাজুয়েট বা স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে রাউজানের চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)।

বৃহস্পতিবার (০৭ এপ্রিল) বিকাল তিনটার মধ্যে ছাত্রদের এবং শুক্রবার (০৮ এপ্রিল) সকাল ১০টার মধ্যে ছাত্রীদের হলত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় বৃহস্পতিবার (০৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় জরুরি সভায় চুয়েট কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত চুয়েটের স্নাতক পর্যায়ের পরীক্ষাসহ সব শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

গুরুত্বপূর্ণ ওই সভায় উপাচার্য ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী, যন্ত্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামালসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, পরিচালক, প্রভোস্টরা উপস্থিত ছিলেন।

চুয়েট সূত্রে জানা গেছে, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের লেভেল-৫, টার্ম-১ এর ছাত্র মো. মুহাইমিনুল ইসলাম (স্টুডেন্ট নম্বর-১০০৬০২১) গত ২৯ মার্চ মদুনাঘাট এলাকায় অটোরিকশায় (টুকটুকি/লেগুনা) মর্মান্তিক দূর্ঘটনার শিকার হয়ে নিহত হন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৩০ মার্চ থেকে চুয়েটে চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় চুয়েট শিক্ষার্থীরা ঘাতক চালককে গ্রেফতার, চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়ক চার লেন করা, চুয়েট পর্যন্ত সিটি সার্ভিসের বাস চালু, চুয়েট মেডিকেলের সামনে সার্বক্ষণিক দুটি অ্যাম্বুল্যান্স রাখাসহ বেশ কিছু দাবিতে আন্দোলন শুরু করে একাডেমিক কার্যক্রম (ক্লাস ও পরীক্ষা) থেকে নিজেদের বিরত রাখে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসহ একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনের প্রধান ফটকে দফায় দফায় তালা লাগিয়ে দেন। চুয়েট থেকে সাতটি বাসে শিক্ষার্থীরা এসে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে মানবন্ধন করে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এ বিষয়ে দফায় দফায় সভায় মিলিত হন। সভাগুলোর সিদ্ধান্তক্রমে শিক্ষার্থীরা সব দাবির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং তা সময়ে সময়ে শিক্ষার্থীদের অবহিত করা হয়। এরপরও ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষা কার্যক্রমে যোগদান না করে পরিচালকের (ছাত্রকল্যাণ) পদত্যাগের নতুন দাবিসহ ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন, বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত রাখে।

চুয়েটের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. ফারুক-উজ-জামান বাংলানিউজকে জানান, স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) পর্যায়ের সব শিক্ষা কার্যক্রম যথারীতি চলবে।


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন