আজ শুক্রবার, ২৫ মে ২০১৮ ইং, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



পুলিশের বিরুদ্ধে নগরীর স্কুল ছাত্রকে হত্যা মামলায় আসামী বানানোর অভিযোগ

Published on 18 March 2016 | 1: 25 pm

হত্যা মামলার পনের মাস পর ৮ম শ্রেণীর ছাত্রকে আসামী বানিয়ে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে নগরীর পাঁচলাইশ থানা পুলিশ। সিএমপি কমিশনার আব্দুল জলিল মন্ডলের কাছে এমন অভিযোগ করেছেন বিবিরহাট এলাকার হোসনে আরা বেগম নামের ষাটোর্ধ এক মহিলা।

চলতি বছরের ১ মার্চ লিখিত অভিযোগে মহিলা উল্লেখ করেন, নগরীর বিবিরহাট এলাকার আলোচিত রাজু হত্যা মামলার এজহারভূক্ত গ্রেফতারকৃত আসামী আইয়ুব ও তার সঙ্গীদের সাথে মহিলার পরিবারের প্রায় ত্রিশ বছর যাবৎ জায়গা-জমি সংক্রান্ত মামলা-মোকাদ্দমাসহ বিরোধ চলে আসছিল। এমনকি ২০১৪ সালের ২৩ নভেম্বর রাজু হত্যাকান্ডের সপ্তাহ খানেক আগে আইয়ুবসহ তার সহযোগীরা গভীর রাতে মহিলার বাড়িতে হামলা-ভাংচুর করে। এ বিষয়ে পরদিন ১৬ নভেম্বর থানায় লিখিত অভিযোগও করা হয়। যা পরবর্তীতে অর্থাৎ ১ ডিসেম্বর’১৪ তারিখে মামলা আকারে গ্রহণ করে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ। অথচ আমার মামলার এই আসামী ধূর্ত ও পেশাদার অপরাধী আইয়ুব ও আকবর পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে আমার ছেলে, স্কুল পড়ুয়া নাতি ও নিকট আত্মীয়দের নাম উল্লেখ করেছে।

বিষয়টি যথাযথ তদন্ত না করে রাজু হত্যাকান্ডের প্রায় ১১ মাস পর মামলার ২য় তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক আনিসুর রহমান উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে পুনরায় কতিপয় স্বাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে নিরপরাধ ব্যক্তিদেরকে আসামী করে আমাদের গোটা পরিবারকে হয়রানির মুখে ঠেলে দিয়েছে। এতে করে আমাদের সামাজিক ভাবমূর্তিই শুধু বিনষ্ট নয় আর্থিক ও মানসিকভাবেও আমরা প্রতিনিয়ত ক্ষতির সম্মুক্ষীন হচ্ছি।

মহিলা বলেন, হত্যাকান্ডের আসামী ও আমাদের প্রতিপক্ষ আইয়ুব গংদেরকে আমাদের সহযোগী হিসেবে দাঁড় করিয়ে প্রকৃত ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে মূল অপরাধীদের আড়াল করার অপচেষ্টা করছে পুলিশ।

তিনি অভিযোগে বলেন, আমি চাই মানুষ হত্যার মত জঘন্য অপরাধের উপযুক্ত বিচার হোক। ন্যায় বিচারের স্বার্থে মামলাটি পুনঃ তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীকে সনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।


Advertisement

আরও পড়ুন