আজ মঙ্গলবার, ১৯ জুন ২০১৮ ইং, ০৫ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



বিটিভির চট্টগ্রাম কেন্দ্রের জিএমের স্বেচ্ছাচারিতার প্রতিবাদ

Published on 30 January 2016 | 8: 28 am

বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের অনিয়ম দুর্নীতি জেনারেল ম্যানেজারের স্বেচ্ছাচারিতা ও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণে অনিয়মের প্রতিবাদে
শিল্পী সুরকার, গীতিকার, নাট্যকার উপস্থাপকগণের সমন্বয়ে সংবাদ সম্মেলন

১৯ বছর আগে স্থাপিত হয় চট্টগ্রামের একমাত্র ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ভিজ্যুয়াল ইলেকট্রনিক মিডিয়া বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্র। আজকের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সালে এটি উদ্বোধন করেন। সে সময় থেকে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই কেন্দ্রটি ভবিষ্যতে অনেক বড় হবে এবং গোটা দেশে শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতি বিকাশে অবদান রাখবে। কিন্তু শুরু থেকেই কিছু চক্রান্ত, কর্তাব্যক্তিদের অবজ্ঞা, আখের গোছানোর মানসিকতা ও উদাসিন্যের কারণে এই কেন্দ্রটি চট্টগ্রামবাসীর আকাংখা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। এক সময়কার বিটিভি চট্টগ্রাম উপকেন্দ্র টিভি কেন্দ্র হয়েছে সত্যি কিন্তু দেড় যুগ সময় অতিক্রম করার পরেও এটি পূর্ণাঙ্গ টেলিভিশন কেন্দ্রের রূপ লাভ করতে পারেনি। গোড়া থেকেই বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রটি যেন পূর্ণতা না পায় সে বিষয়ে যেন তারা পদক্ষেপ নিয়েছিল। কয়েকটি বিষয়ে পার্থক্য খতিয়ে দেখলেই তা পরিষ্কার বোঝা যাবে। আমাদের পরিষ্কার ভাবে বুঝে নেয়া দরকার এটি বিটিভি না আলাদা টিভি। যদি এক হবে তা হলে এখানকার তালিকাভুক্ত শিল্পীরা ঢাকাকেন্দ্রে অনুষ্ঠান করতে পারছে না কেন। বাংলাদেশ বেতারে তো পারে। একটি ছাড়পত্র নিয়ে যে কোনো কেন্দ্রের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারেন এক জন তালিকাভুক্ত শিল্পী। এখানে একটু মনে করা দরকার চট্টগ্রামকেন্দ্রের শিল্পী নির্বাচনী পরীক্ষা সরাসরি বিটিভি ঢাকা কেন্দ্র থেকে সম্প্রচারিত হয়েছিল। এবং তা উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী। তারপর দেড় দশক অতিবাহিত হলেও আজ পর্যন্ত শিল্পী তালিকাভুক্তির জন্য অডিশন গ্রহণ করা হয়নি। চট্টগ্রামের সর্বস্তরের শিল্পীদের প্রাণের এই দাবি এখনও পূরণ না হওয়ায়র কারণ বেধগম্য নয়। অগ্রাধিকার ভিত্তিতেঅডিশনের যেমন প্রয়োজন তেমনি শিল্পীদের গ্রেডেশন অত্যন্ত জরুরি।
বাংলাদেশ টেলিভিশনের দুটি কেন্দ্র ঢাকা ও চট্টগ্রাম। শিল্পীদের সম্মানী পরিশোধ করার জন্যে নির্দিষ্ট শিল্পী সম্মানী কাঠামো রয়েছে। কিন্তু চট্টগ্রাম ও ঢাকাকেন্দ্রের তালিকাভুক্ত শিল্পীদের সম্মানী রয়েছে ব্যপক তারতম্য। ১৯৬৪  সালের ২৫শে ডিসেম্বর বর্তমান বাংলাদেশ টেলিভিশন ঢাকা কেন্দ্র প্রথম অনুষ্ঠান প্রচার শুরু করে। তখন ছিল সাদাকালো । মাত্র ১৬ বছরের মধ্যে বিটিভি ঢাকা কেন্দ্র থেকে সারাদেশে রঙিন অনুষ্ঠান প্রচার শুরু করে ১৯৮০ সাল থেকে। আর ১৯ বছরের মাঝে বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রকে রাজস্ব খাতে পর্যন্ত অন্তর্ভূক্ত করা হলো না। চট্টগ্রামের জনগণ চাইছেন এই কেন্দ্রটি সম্পূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক। আমরা যারা শিল্পী তাদের ও স্বপ্ন এই পূর্ণাঙ্গ টেলিভিশন কেন্দ্র। সরকারে ইচ্ছে আছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত আগ্রহও রয়েছে এ বিষয়ে। প্রয়োজনীয় অর্থের বরাদ্দও দেয়া হয়েছে কিন্তু কেন বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রটি রাজস্ব খাতে যাচ্ছে না।  বাড়ছেনা এর সম্প্রচার পরিধি এই প্রশ্ন আমাদেরও।
বাংলাদেশ টেলিভিশন, চট্টগ্রাম কেন্দ্রের অনিয়ম দুর্নীতি অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করে এতই অনিয়মে ভরপুর হয়েছে যা এখন কোন সরকারি নীতিমালার মধ্যে নেই বলে আজ আমরা চট্টগ্রামের সকল শিল্পী, সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক, গীতিকার, নাট্যকার ও যন্ত্রশিল্পীর পক্শ থেকে এই সাংবাদিক সম্মেলন করতে বাধ্য হয়েছি। বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্র চট্টগ্রামের শিল্পী সাহিত্যিক, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, সাধারণ মানুষ সবার আন্দোলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠার পর থেকে হাঁটি হাঁটি পা পা করে ১৯ বছর পার করে এসেছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে আমরা চট্টগ্রামের শিল্পী, সুরকার, সঙ্গীত পরিচালকরা নিজেদের খরচে ১,৫০০/- (এক হাজার পাঁচশত) টাকার বিনিময়ে বাইরের স্টুডিও থেকে একটা গান রেকর্ড করে ৪ মাস পরে গিয়ে গ্রেড অনুযায়ী ৭০০/- থেকে ১২০০/- টাকার সম্মানী চেক পেতাম। আমরা এই কেন্দ্রটিকে নিজেদের প্রতিষ্ঠান ভেবে এত বছর থেকে মেধা, শ্রম, টাকা দিয়ে এই পর্যন্ত দাঁড় করিয়েছি। কিন্তু আজ যখন শিল্পীদের এত দিনের পরিশ্রমের ফলে সুফল ভোগ করার দিন এসেছে, একদল কুচক্রী মহল এই কেন্দ্রের বরাদ্দ অর্থকে লুটপাট করে খাওয়ায় উঠে পড়ে লেগেছে, যা আমরা চট্টগ্রামবাসীর জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক। বিগত ৪ মাস থেকে সুরকার, সঙ্গীত পরিচালকদের অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিয়ে ঐ টাকা দিয়ে জিএম এর নিয়োগপ্রাপ্ত প্রযোজক, এডিটর সহযোগীদের বেতন দেওয়া হচ্ছে। গত ২১ জানুয়ারি আজাদী পত্রিকার আনন্দন এর পাতায় জিএম জাঁ নেসার ওসমানের বিশাল আকারে সাক্ষাৎকার এসেছে। ওখানে উনি অনেক কথা বলেছেন যার অর্ধেক মিথ্যা আর সাজানো। উনি বলেছেন এক ঝাঁক তরুণ-তরুণীর হাতে এই কেন্দ্র তুলে দিচ্ছেন। হ্যাঁ কিছু উনার চাটুকার তরুণের সাথে এক ঝাঁক কোমলমতি তরুণী এখন টিভি কেন্দ্রে ঘুরাঘুরি করেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম কেন্দ্রকে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ৬ঘণ্টা অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে এটিকে স্বতন্ত্র চ্যানেল হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য খুবই আন্তরিক ছিলেন। যার জন্য ৩৬ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয় কিন্তু দুঃখের বিষয় একটি চক্র বর্তমান জি এম জাঁ নেসার ওসমানের সহযোগিতায় এই গণমাধ্যমটিকে হরিলুটে মেতে উঠেছে। ইতিমধ্যে অনেকবার সিডিউল হয়েছিল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন কিন্তু ৬ঘণ্টা এবং স্যাটেলাইটে যাওয়ার যেসব কাজ করা দরকার তার কিছুই হয়নি বলে ২০১৫ বিদায় নিলেও চট্টগ্রাম কেন্দ্র স্যাটেলাইট এবং ৬ঘণ্টা সম্প্রচার হওয়ার মুখ দেখতে পাননি। টিভি কেন্দ্রের দেওয়াল রং করা এবং নতুন পর্দা লাগানোকে উন্নয়ন বলে না। বর্তমান জিএম ১৯ বছর আগে তৈরি করা জিনিসের ওপর বসে মজা করছেন। উনি কৃতিত্ব নেওয়ার মত কিছুই করেননি। এখনো পর্যন্ত এই কেন্দ্রটিকে রাজস্বখাতে নিতে পারেননি কোন অধিকারে উনি বাহবা নিতে চান আমাদের জানা নেই। নি¤েœ কিছু অনিয়ম এবং শিল্পীদের দাবি বর্ণনা করছি। জি এম জাঁ নেসার ওসমান ২০ সেপ্টেম্বর থেকে যোগদান করার পর থেকে ৪ মাস যাবৎ তালিকাভুক্ত গীতিকার, সুরকার, সঙ্গীত পরিচালকদের যুক্ত করে কোন সঙ্গীতানুষ্ঠান ধারণ করা হয়নি। কিন্তু যে কোন প্রচার মাধ্যমে গীতিকার, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালকদের সম্পৃক্তি ব্যতিরেকে বা তাদের স্বত্তকে অগ্রাহ্য করে অনুষ্ঠান প্রচার সম্ভব নয়, করলে তা বেআইনি। বর্তমানে তা  জি এম কর্তৃক সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত অনভিজ্ঞ, অদক্ষ প্রযোজকরা অহরহ করে চলেছেন। তাদের পছন্দের যে কোন শিল্পীকে ডেকে ২ থেকে ১০টি পর্যন্ত গান ধারণ করছেন। মাস যাবৎ ভালো মানের কোন অনুষ্ঠান নির্মাণ করে প্রচার করতে পারেনি। অতীতের কিছু পুরোনো অনুষ্ঠানকে বারবার পুনঃপ্রচার করে দেখানো হয়। এমনকি কিছু অনুষ্ঠানের পরিকল্পনাকারী ও টেলপে নাম পরিবর্তন করেও প্রচার করা হয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিয়ম মোতাবেক কোন নীতিমালা বর্তমানে এই কেন্দ্রে আছে বলে মনে হয় না। যখন ইচ্ছে হয় কয়েকজন শিল্পীকে ডেকে ৫/৭/১০টা গান রেকর্ড করে রেখে দেয়া হয় যার কোন সুরকার, সঙ্গীত পরিচালককে সম্মানী দেয়া হয় না। ৬ ঘণ্টার কথা বলে এসব গান ধারণ করে রাখা হচ্ছে যার কোন মান নির্ণয় পর্যন্ত হয় না। বর্তমানে সঙ্গীতানুষ্ঠান প্রচারিত হয় না বললেই চলে। এমনকি কোনকোন দিন শুধুমাত্র টকশো আর ডকুমেন্টারি দিয়ে পুরো অধিবেশন সম্প্রচারিত হচ্ছে। টকশো করানো হয় গুটি কয়েক ব্যক্তিকে বারবার ডেকে। কারণ ঐ সব ব্যক্তিদের খুশি রাখলে পত্রিকায় জিএম এবং তার অনুসারীদের গুণগান আর সুনাম চাপানো হয়। তার প্রমাণও আপনারা দেখেছেন। বর্তমানে জি এম ভাল মানুষের মুখোশ পরে এসব দূর্নীতি করে যাচ্ছে। তার মুখের কথায় এবং কাজের কোন মিল নেই। চট্টগ্রাম বেতার টিভি শিল্পী কল্যাণ সংস্থা কার্যকরী কমিটি নানা সমস্যার বিষয়ে আলোচনা করে সমাধান করতে জিএম এর সাথে সিডিউল নিয়ে জিএম দপ্তরে বৈঠক করেন গত ৯ ডিসেম্বর মাসে। উনি শিল্পীদের কোন প্রশ্নের জবাব না দিয়ে উল্টা একজন সিনিয়র শিল্পী নাজমুল আবেদীন চৌধুর কে ননসেন্স ডেকে খারাপ ব্যবহার করাতে শিল্পীরা মনক্ষুণœ হয়ে ফিরে আসেন। একটা সরকারি চ্যানেলে কোন প্রজ্ঞাপন জারি এবং বিজ্ঞপ্তি ছাড়া ব্যক্তিগত সম্পর্কের খাতিরে প্রযোজক, এডিটর, ক্যামেরাম্যান, মেকআপম্যানসহ ৩৮জন লোককে নিয়োগ দেন যাদের তেমন কোন যোগ্যতাও নেই। নিয়োগপ্রাপ্ত স্টাফদের বেতন দেওয়া হয় শিল্পীসম্মানী খাত থেকে। ফলে অচিরেই অর্থাভাবে শিল্পীসম্মানীও বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশংকা করছি। পরিচিত ব্যক্তিদের টকশোতে ডেকে জিএম এর ক্ষমতা বলে সাথে সাথে চেক প্রদান করেন কিন্তু কোন সঙ্গীতানুষ্ঠানের চেক প্রদান করা হয় না। এমনকি টকশো আমন্ত্রিত আলোচকদের ২ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা পর্য্যন্ত সম্মানী চেক দেয়া হয়, যা ক্ষমতার অপব্যবহার করা। চেক প্রদানের ক্ষেত্রেও বৈষম্য যেমন- যারা পিএম পবনের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠান করেছেন তাদের চেক এখনও পর্যন্ত হয়নি অথচ জিএম বা তার অনুসারীর ডাকে যারা অনুষ্ঠান করেছেন তাদের চেক অগ্রীম প্রদান করা হচ্ছে। সম্মানীর ক্ষেত্রে কোন নিয়ম নীতি নেই। একজন বিশেষ গ্রেডের শিল্পীকে ২টি গানে ৪৪০০ টাকার চেক অন্যজনকে ৫টি গানে ৫০০০ টাকার চেক। বর্তমান জিএম এসব বৈষম্য কোন ধারায় কোন নীতিতে করছেন জানা নেই। বর্তমানে এই কেন্দ্রটি সরকারি কোন নিয়মে আছে বলে মনে হয় না, এব্যাপারগুলো জোর তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।  বর্তমান সরকারি কোন প্রযোজক নেই যারা ছিল তাদেরকে জি এম এর নানা অনিয়মের কথা প্রতিবাদ করায় জোরপূর্বক ঢাকা কেন্দ্রে বদলি করে উনার নিয়োগ দেয়া দুজন প্রযোজক দিয়ে এখানে যত অনিয়ম আর অর্থ বানানোর হরিলুটে সম্পৃক্ত করানো হয়েছে। রাতের ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠান ধারণের নামে এই প্রজন্মের কিছু ছেলেমেয়ে নিয়ে যত অপকর্ম চালানো হচ্ছে। এ ধরনের অপকর্ম এবং অনিয়মের কারণে ঢাকা কেন্দ্র থেকে কোন প্রযোজক আসতে বর্তমানে অসম্মতি প্রকাশ করছে। কারণ এখানে বহিরাগত আর পুরোনো স্টাফদের মাঝে বর্তমানে গোপনে এবং প্রকাশ্যে অনেক মত পার্থক্য চলছে বলে জানা যায়। বর্তমান জি এমও ঢাকা কেন্দ্রের অনুষ্ঠান শাখার মান উন্নয়ন বিষয়ক পরিচালক হিসাবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত। টেলিভিশনের শিল্পীদের অনুষ্ঠানের ব্যাপার এবং নিয়ম-নীতির ব্যাপারে তার কোন অভিজ্ঞতা না থাকায় খেয়াল খুশিমত কর্মকা- চালিয়ে যাচ্ছেন। পরিচয় থাকলে রাতের বেলা ফোন করলে পরদিন সকালে ৫-১০টি গান গাওয়া যায়। অথচ মুখে বলা হয় ঢাকা কেন্দ্র থেকে অনুমতি নিয়ে সব অনুষ্ঠান করা হয়। বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র নিয়ে অভিযোগের শেষ নেই। যে স্বপ্ন ও প্রত্যাশা নিয়ে বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র তার যাত্রা শুরু করেছিল তা কতিপয় দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তাদের কারণে ব্যর্থতায় পযৃবেশিত হচ্ছে । অতীতের কর্মকর্তাদের দুর্নীতির কথা বর্তমান জি এম জা নেসার ওসমান স্থানীয় পত্রিকায় সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন। কিন্তু তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আরও অনেক বেশি । অথচ একটি উপসম্পাদকীয়তে পড়েছি ‘ আগে চুরি হলে এখন ডাকাতি হচ্ছে।” আমরা সে অভিযোগগুলোর  সামান্যই তুলে ধরলাম মাত্র। তাঁর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আছে যা প্রকাশ্যে তুলে ধরতেও আমাদের রুচিতে বাঁধছে। আমরা তার সময়কালের সমস্ত কর্মকা-ের তদন্ত দাবি করছি।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি কায়সারুল আলম, সহ-সভাপতি শেখ শহীদুল আনোয়ার, সহ-সভাপতি মো. মোস্তফা কামাল, সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন তাহের, সহ-সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন মাহমুদ খান, সহিদুর রহমান, মহিলা সম্পাদিকা আলেয়া আরিফ, প্রচার সম্পাদক আবদুল হালিম, কল্যাণী ঘোষ, জয়ন্তী লালা, আবদুর রহিম, তাপস বড়–য়া, গিরিজা রাজবর, উপদেষ্টা মৃনাল ভট্টাচার্য, নাজমুল আবেদীন চৌধুরী, ফাহিম উদ্দিন, লেয়াকত হোসেন খোকন, গীতি কবি সংসদ সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বাবু, গ্রুপ থিয়েটার সাংগঠনিক সম্পাদক রতন মজুমদার, যন্ত্রশিল্পী সংস্থা সহ-সভাপতি কামরুল আজম চৌধুরী টিপু মঞ্চ সংগীত সংস্থা সাধারণ সম্পাদক, কাইছার উদ্দিন, নাদিরা পারভীন পারুল, রাজীব ভট্টাচার্য, রাজীব মজুমদার, কল্পতরু ভট্টাচার্য্য প্রমুখ।


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন