আজ শনিবার, ২১ জুলাই ২০১৮ ইং, ০৬ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



বঙ্গবন্ধু-১ এর সফল উৎক্ষেপণে এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে আতশবাজি উৎসব

Published on 16 May 2018 | 9: 36 pm

 

বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ ‘বঙ্গবন্ধু–১’ এর সফল উৎক্ষেপণ স্মরণীয় করে রাখতে চট্টগ্রামসহ সারাদেশে আতশবাজি উৎসব হয়েছে গতকাল। চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নগরের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে এ আতশবাজি প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া রাজধানীতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এবং হাতিরঝিলেও হয়েছে এ আতশবাজি উৎসব। চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত উৎসবে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নান বলেন, ‘আমরা যারা রাত জেগে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট–১ সফল উৎক্ষেপণের দৃশ্য দেখেছি প্রত্যেকেই ইতিহাসের অংশ হয়ে গেলাম। তিনি বলেন, ইতোমধ্যেই আমরা এই স্যাটেলাইটের সক্ষমতা সম্পর্কে অবহিত হয়েছি। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট–১ এর মাধ্যমে সারাবিশ্বে আমাদের যে ভাবমূর্তি বেড়েছে তার মূল্যায়ন টাকার অংকে হবে না।’

এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত উৎসবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) মমিনুর রশিদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আমিরুল কায়ছার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানী লিমিটেড চট্টগ্রাম অঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী প্রবাল কুমার শীল প্রমুখ।

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানী লিমিটেড চট্টগ্রাম অঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী প্রবাল কুমার শীল বলেন, বঙ্গবন্ধু স্যাটলাইট–১ এর সফল উথক্ষেপন উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী  শেখ হাসিনাকে অভিন্দন ও শুভেচ্ছা এবং আতশবাজি প্রর্দশনী উপলক্ষে আয়োজিত আজকের এই আনন্দঘন মুহুতে বঙ্গবন্ধু স্যাটলোইট-১ সফলভাবে উথক্ষেপনের জন্য সমগ্র দেশবাসীর সাথে আমরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই অনেক খুশি এবং আনন্দিত। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালে  বেতবুনিয়াতে বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট  আর্ট ষ্টেশন  স্থাপন করেন। তখন থেকে আমরা স্বপ্ন দেখতাম কখন মহাকাশে আমাদের নিজস্ব স্যাটেলাইট স্থাপতি হব। আজ জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ট নেতৃত্বে আমাদের স্বপ্নের স্যাটলাইট বাস্তবে মহাকাশে। এখন আমরা এই স্যাটলাইটের মাধ্যমে সন্দ্বীপ সহ দেশের দূর্ঘম অঞ্চলে টলিযোগাযোগ এবং ইন্টারনেটের সুবিধা ভোগ করতে পারব্। তাছাড়া শিক্ষা, আইন শৃঙ্খলা, আবহাওয়া এবং টিভি সম্প্রচার সহ সরকারের ডিজিটাল কার্যক্রম বহুগুনে এগিয়ে যাব। ব্যান্ডউইথ ব্যবহার ভাল হবে এবং ব্যয় অনেক কমে আসব। তবে এই সুবধিা গুলি রাষ্ট্ররে নিরাপত্তা এবং জনগনের স্বাথে সাইবার সিকিউরিটি প্রয়োগ করে সুষ্ঠুভাবে ব্যবহার করা সমীচীন হবে।

 


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন