আজ মঙ্গলবার, ২১ আগষ্ট ২০১৮ ইং, ০৬ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



মুজিব নগর দিবসকে জাতীয় প্রজাতন্ত্র দিবস ঘোষণা করার আহ্বান

Published on 28 April 2018 | 8: 54 pm

বঙ্গবন্ধু একাডেমির সমাবেশে লে. জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশিদ

অবসরপ্রাপ্ত সেনা প্রধান বীর প্রতীক ও মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট জেনারেল এম হারুন-অর-রশিদ বঙ্গবন্ধু একাডেমি চট্টগ্রাম মহানগর আয়োজিত ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবসের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেছেন কারো হুইসেলের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করেনি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, মুজিব নগর সরকারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছে এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বিজয় ও স্বাধীনতার মহানায়ক।

তিনি বলেন, ৪৭ বছর যাবৎ ইতিহাস বিকৃত করে যারা নায়ক হওয়ার অপচেষ্ঠায় লিপ্ত ছিল এসব কুলাঙ্গাররা ইতিহাসের খলনায়ক হিসেবে ইতিহাসে ধিকৃত হয়েছে। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ৪৭ বছর পর হলেও মুজিব নগর দিবসকে জাতীয় প্রজাতন্ত্র দিবস ঘোষণা করার যৌক্তিক মৌলিক দাবি। বঙ্গবন্ধু একাডেমি চট্টগ্রাম মহানগরের এই যৌক্তিক দাবিকে বাস্তবায়ন করার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান এবং কোটা পদ্ধতি বাতিল করায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. এস এম মনির-উজ-জামান বলেন, যত্রতত্র ইতিহাস লিখে স্বাধীনতা অর্জন হয়নি। এ অর্জন করতে গিয়ে ৩০ লাখ বাঙালি প্রাণ দিয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বাঙালির। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তাবায়ন করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশ। এদেশকে ভালবাসুন এবং দেশের উন্নয়নে নিজেকে আত্মনিয়োগ করার জন্য তিনি আহ্বান জানান। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চসিক প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মাত্র ৫৫ বছর বেঁচেছিলেন। ৫৫ বছর বয়সে একজন মানুষ দেশকে স্বাধীনতা এনে দেওয়া এটি বিশাল অর্জন। এ অর্জন আমাদের জাতীয় জীবনে বাস্তবায়ন করতে হবে এবং ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধেও সতর্ক থাকতে হবে।
বঙ্গবন্ধু একাডেমি চট্টগ্রাম মহানগর আয়োজিত গত ২৫ এপ্রিল চট্টগ্রামের চেরাগী পাহাড়স্থ সুপ্রভাত স্টুডিও হলে ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবসের সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু একাডেমির সি: সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ।

বঙ্গবন্ধু একাডেমির সাংগঠনিক সম্পাদক আলি আহমেদ শাহিনের সঞ্চালায় বক্তব্য রাখেন, জাসদ নেতা ভানুরঞ্জন চক্রবর্ত্তী, শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ ড. মুহাম্মদ সানাউল্লাহ, চট্টগ্রাম নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ উপদেষ্টা সমন্বয়কারী নাট্যজন সজল চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফোরাম সভাপতি এম এ সবুর, মহানগর যুবলীগ নেতা আসহাব রসুল চৌধুরী, উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আনোয়ার আজম, এড. আশুতোষ দত্ত লান্টু, ব্যাংকার ফাতেমা আক্তার, কবি এহসান মোহাম্মদ আলম, কবি আরিফ চৌধুরী, সাংস্কৃতিক সংগঠক প্রণবরাজ বড়–য়া, সৈয়দ দিদার আশরাফী, সাহাবুদ্দীন চৌধুরী, ব্যবসায়ী নেতা হাজী ইউনুচ, অধ্যাপিকা ডা. খোদেজা খুরশিদ অপরাজিতা, মুক্তিযোদ্ধা এস.এম. নুরুল আমিন, মুক্তিযোদ্ধা আবু বকর মোল্লা, ইঞ্জিনিয়ার মৃণাল কান্তি বড়–য়া, অধ্যাপক উপানন্দ মহাথের, আশেক ইবনে সাফা, মির্জা জামাল আহমদ, জাকির হোসেন, আলমগীর হোসেন মাসুম, এম আবু বকর ছিদ্দিক, লায়ন মোঃ মিজানুর রহমান মিজান, ইঞ্জিনিয়ার মোঃ বেলাল, মুক্তিযোদ্ধা এম এ সালাম, মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান মিলন, সিদ্দিক আহমদ ছিদ্দিক, সাবের আহমদ, কাজী আইয়ুব, সেলিম উদ্দিন ডিবলু, রিমন মহুরী, রোজি চৌধুরী, হারুন উর রশিদ, ইউনুচ মিয়া, দিলীপ হোড়, মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার আবুল কাশেম, সমীরণ পাল, মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম, কবি নুর নাহার ইউনুচ নিপা, কবি জান্নাতুল ফেরদৌস সোনিয়া, মিসেস নীলা বোস, ইয়ামিন আরা বেগম, দিলীপ সেনগুপ্ত, ডা. উত্তম কুমার সরকার, সজল দাশ, ইকবাল ভূইয়া, সোমিয়া সালাম, জয়া চৌধুরী কলি, জয়শ্রী চৌধুরী, মাহবুবুর রহমান, শাহেদ আমিন, রফিকুল ইসলাম রাজু, সৈয়দ এরশাদুল আলম হেলাল প্রমুখ।


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন