আজ সোমবার, ২৫ জুন ২০১৮ ইং, ১১ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



আলোড়নের আলোড়ন সৃষ্টি কারী বর্ষ বরণ

Published on 17 April 2018 | 2: 53 am

:: মহিউদ্দিন টিপু ::
“নব আনন্দে জাগো বাঙালি প্রাণ” এই শ্লোগানকে প্রতিবাদ্য বিষয় ধরে , “আলোড়ন সন্দ্বীপ” বিগত সময়ের মতো এবারও নানা কর্মসূচীর মাধ্যমে ১৪২৫ বাংলা সনকে স্বাগত জানায়।
নববর্ষের প্রথম প্রহরে সকাল ৮ টায় মঙ্গল শোভাযাত্রার মাধ্যমে আয়োজনের শুভ সূচনা হয়। তারপর শুরু হয় পাঁচন ভোজন। যা গ্রাম বাংলার ঐতিয্যবাহী একটি খাবার প্রবাদ আছে আঠারো রকমেন সবজি এই পাচন রান্নায় ব্যবহার করা হয় বলে এই খাবারটি কে সন্দ্বীপেরর মানুষ আড়োরা বলে থাকে। উপস্থিত শিশু শিক্ষার্থী, অভিবাবক সহ এলাকার বিপুল সংখ্যক মানুষ পাঁচন ভোজনে অংশ নেয়।
এই ব্যাপক উপস্থিতি সামলে উঠতে দীর্ঘ সময় ব্যয় হয়ে যায়। যার কারণে সকাল বেলা আর কোন আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। বিকাল ৩ টা থেকে একটানা গান, কৌতুক, নৃত্য, কথামালা, কবিতা আবৃত্তি চলতে থাকে। তাহেরা খানম দিলরুবার নৃত্য পরিবেশনের মধ্যদিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টানা হয়।
তারপর আরম্ভ হয় আলোচনা পর্ব।
সংগঠনের সভাপতি, পবিত্র কুমার রায়ের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন, মা: আবুল কাশেম শিল্পী (অবসর প্রাপ্ত), মা: মহিউদ্দিন শাহজাহান (প্রধান শি:), ডা: আতাউল হাকিম, আমিন রসুল হেলাল, আশরাফ উল্লা রাহান ও প্রভাষক ফসিউল আলম।
আরো উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সা: সম্পাদক রুহুল আমিন, মা: গফুর ইসলাম প্রমুখ। বক্তারা বাংলা সনের উৎপত্তির ইতিহাস, ঐতিহ্য তুলে ধরার পাশাপাশি, আলোড়নের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করেন, কামরুল হাসান অপু।
সর্বশেষ আয়োজন, মা: আবুল কাশেম শিল্পীর রচিত ও পবিত্র কুমার রায় পরিচালিত নাটক, “বিয়ে বাড়ি”।
সঙ্গীত পরিচালনা করেন, রুহুল আমিন আর অলংকরণের দায়িত্বে ছিলেন, আহসান গোফরান। আলোড়নের শিশুরা ছাড়াও এতে অভিনয় করেন, আকিজ, শাকিল, মঞ্জু প্রমুখ।
নাটক শেষে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায়, কাশেম স্যার শিশুদের শারীরিক ভাষা ও রুহুল আমিনের গানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। ফসিউল আলম তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আলোড়নের আলো ছড়ানো এ আয়োজনে আমি মুগ্ধ। তাদের এই ধারা অব্যাহত থাকুক”।
মা: মহিউদ্দিন শাহজাহান পেছন দিক থেকে মঞ্চে উঠে স্পিকার নিয়েই বলতে শুরু করে, আমি দর্শক সারীর একদম পেছনে ছিলাম, সেখান থেকে বন্ধু পবিত্রর অভিনয়ের প্রশংসা শুনে আর থাকতে পারলাম না। তারা বলাবলি করছিল, স্যার যদি সবসময় সহযোগীতা করে এমন আয়োজন চালিয়ে যায়, তাহলে এলাকার মানুষ ভালো কিছু পাবে।আরো অনেক কথাই বলে এবং সবসময় পাশে থাকার অঙ্গিকারও করে।
সবশেষে অভিনয় শিল্পিদের পরিচয় পর্বের মাধ্যমে সমাপ্তি ঘোষণা করতে করতে রাত সাড়ে দশটা বেজে যায়। দু’জন মানুষের কথা না বললেই নয়, একজন জাহাঙ্গীর আলম (সন্তোষ পুর) আরেকজন রনজীৎ দাশ (হারামিয়া) এই দুই যন্ত্র শিল্পীর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা।


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন