আজ রবিবার, ১৯ আগষ্ট ২০১৮ ইং, ০৪ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



টাকা বন্দুক টাকা

Published on 22 February 2018 | 5: 32 am

– এ কে এম বেলায়েত হোসেন –

১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার উদ্দেশ্যে দল থেক নমিনেশন চেয়েছিলাম । সাক্ষাৎকারের সময় প্রসঙ্গক্রমে আমি বলেছিলাম বন্দুকের জোড়ে ক্ষমতা দখল করা আর টাকার জোড়ে নমিনেশন পাওয়া, এ দু’য়ের মধ্যে গুনগত কোন প্রার্থক্য নেই। দুৃ’টোই গনতন্ত্র ধ্বংশের প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত।
স্বাধীনতা বিরোধী বিত্তবান প্রার্থীদের বিরুদ্ধে বিত্তবান প্রার্থী ছাড়া নির্বাচনে জয়লাভ সম্ভব নয়। এধরনের ভাবনা থেকেই ‘৭৫ পরবর্তী সময়ে সুবিধাবাদী ব্যবসায়ী
প্রার্থীরা দলীয় নমিনেশন পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধীকার পেতে থাকে। ক্রমান্বয়ে সংসদে এরা সংখ্যা গরিষ্ট হয়ে উঠে। এসব অরাজনৈতিক অসাধু ব্যবসায়ী সাংসদরা
দলীয় সংগঠনকে পাশ কাটিয় চলে। মাদক ব্যবসা সহ অসদুপায়ে অর্জিত অর্থ দিয়ে সন্ত্রাসী মাস্তান ভাড়া করে নিজশ্ব পেশিশক্তি গঠন করে। জনগন তাদের কাছে জিম্মি হয়ে পরে। মানুষ শত অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে ও প্রতিবাদ করার সাহস পায়না।

এসব সুবিধাবাদী নোংড়া মানষিকতা সম্পন্ন সাংসদ নামীয় দস্যু ব্যবসায়ী অপশক্তির কারনে যুগ যুগ ধরে শত সহস্র ত্যাগী কর্মীদের নিরলস ত্যাগের বিনিময়ে গড়ে উঠা দলীয় সংগঠন গুলোর মধ্যে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। সংগঠনের Total Chain Of Command ভেঙ্গে পরছে। দেশের রাজনীতির জন্য, গনতন্ত্র ও গনমানুষের অধীকার সুরক্ষার জন্য এ অবস্থার অবষান অতীব জরুরী। ত্যাগী নেতা কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দাঁড়াতে হবে। দেশ ও জনগনের একমাত্র আশা-ভরষার জায়গা বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে এসব পরগাছা উপড়ে ফেলতে হবে। মান অভিমান ভুল সবাই মিলে প্রমান করেদিন
বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ত্যাগী নেতা কর্মীরা এখনও সব মরে নাই।

[লেখক : প্রবীন রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি, বর্তমানে উপদেষ্ঠা।]


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন