আজ বৃহঃপতিবার, ১৯ জুলাই ২০১৮ ইং, ০৪ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



“স্টার্টআপ ঢাকা”র অনলাইন স্কুল উদ্বোধন

Published on 08 February 2018 | 3: 30 pm

:: 5th February, 2018 ::
 
ঢাকার “ইএমকে সেন্টারে“ “স্টার্টআপ ঢাকা” তাদের অনলাইন স্কুলের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জনাব আরিফ খান, সিইও আইডিএলসি ফাইন্যান্স, টিনা জাবীন, বাংলাদেশ সরকারের বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা, এবং আরো অনেকে। অনলাইন স্কুলটি “স্টার্টআপ বাংলাদেশ”-এর সহযোগিতায় স্থাপিত , এবং ইভেন্টটিতে সহযোগিতা করেছে “ইএমকে সেন্টার” এবং “স্টার্টআপ বাংলাদেশ”।
জনাব আরিফ খান এই উদ্যোগটি সম্পর্কে বলেনঃ “শুধু ভালো নিয়েই আমাদের সন্তুষ্ট হলে চলবে না, আমাদেরকে কাজ করতে হবে অসাধারন কিছু অর্জন করার জন্য। আর এই ধরনের উদ্যোগ আমাদেরকে সেই অসাধারণ কিছু করতে এগিয়ে নিয়ে যাবে”।
 
“স্টার্টআপ ঢাকা”র এই অনলাইন স্কুলে নতুন উদ্যোগতাদের থাকছে বিশেষজ্ঞদের দ্বারা পরিচালিত অনলাইনের ক্লাস এবং পরামর্শ। অনলাইন স্কুলটি একটি নতুন ব্যবসা পরিচালনার সবদিক নিয়ে আলোচনা করবে বেশ কয়েকটি কোর্সের মাধ্যমে। এবং এই কোর্সগুলোর মাধ্যমে নতুন উদ্যোক্তারা সাধারনত যে ধরনের ভুল করে থাকে সেই ভুলগুলোকে নিয়ে আলোচনা করা হবে এবং উদ্যোক্তাদের সাফল্যের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলবে।
 
স্টার্টআপ বাংলাদেশ আইডিয়া প্রোজেক্ট এর ডেপুটি প্রোজেক্ট নির্দেশক টিনা জাবীন বলেন, যেমন করে আমাদের দেশ তৈরিপোশাক শিল্পের একটি কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে তেমনি করে উচ্চপর্যায়ের ডিজিটাল কাজের জন্যও বাংলাদেশকে আমরা গড়ে তুলতে চাই। এবনহ এই ধরনের উদ্যোগ আমাদের দেশকে সেই দিকে এগিয়ে জেতে সাহায্য করবে।
 
“স্টার্টআপ ঢাকা”র সিইও মুস্তাফিজুর রহমান খান বলেনঃ “স্টার্টআপ বাংলাদেশ”-এর মত একটি পার্টনার সংস্থা পেয়ে আমরা সত্যিই ভাগ্যবান। আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এবং সবচেয়ে কার্যকরী অনলাইন স্কুল গড়ে তোলা। ২০১৮ এর মাধ্যমে আমরা কমপক্ষে ১০০ কোর্স তৈরি করতে চাই এবং ১০০০০ তরুন উদ্যোক্তার কাছে আমাদের কোর্সগুলো পৌঁছে দিতে চাই।“
এই অনলাইন স্কুল বাংলাদেশের স্টার্টআপ আঙ্গিনায় এক বিপ্লব ঘটাবে বলে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই আশা প্রকাশ করেন।
 
 
“স্টার্টআপ ঢাকা”:
“স্টার্টআপ ঢাকা” একটি প্ল্যাটফর্ম যা উদ্যোক্তাদের সাথে বিনিয়োগকারী এবং বিশেষজ্ঞদের সংযোগ ঘটানোর মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন নতুন সুযোগের সৃষ্টি করে। বর্তমানে “স্টার্টআপ ঢাকা” গ্রামীনফোনের সাথে পার্টনারশিপে একটি “এক্সালেরেটর” পরিচালনা করছে। গত ৩ বছরে “স্টার্টআপ ঢাকা” ২০০+ পিচ, ১০+ স্টার্টআপ ইভেন্ট এবং ১৫+ স্টার্টআপের জন্য বিনিয়োগের ব্যবস্থা করেছে।


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন