আজ বৃহঃপতিবার, ১৬ আগষ্ট ২০১৮ ইং, ০১ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিলেই আন্দোলন প্রত্যাহার

Published on 20 January 2018 | 3: 48 am

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে ৫ দিন ধরে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালনকারী শিক্ষাক-কর্মচারীরা বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী চাইলে সব সম্ভব। তিনি সুনজর দিলে, আশ্বাস দিলেই আমরা আন্দোলন প্রত্যাহার করব। ঘরে ফিরে যাব। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাজ শুরু করব।

শুক্রবার দুপুরে দেখা গেছে, আন্দোলনকারী অধিকাংশ শিক্ষক-কর্মচারীই ক্লান্ত। অবসন্ন শরীর-মন নিয়ে শুয়ে রয়েছেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে। তবে দাবি আদায়ে তারা অনড়।

অনশনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষক নেতারা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ শুধু শিক্ষকদের জন্য নয়। ১৬ কোটি মানুষের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা। শিক্ষার মৌলিক অধিকার বাস্তবায়ন করার জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করে উন্নত জাতি গঠনে শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ সময়ের দাবি।

শিক্ষক-কর্মচারীদের ছয়টি সংগঠনের জোট ‘বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণ লিয়াজোঁ ফোরাম’ এর যুগ্ম মহাসচিব দেলোয়ার হোসেন খোকন বলেন, স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে প্রথম প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয়করণ করে শিক্ষার ইতিহাস উজ্জ্বল করেছেন। ৭৩ দিন আন্দোলনের পর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের বেতন ৭৫ টাকা ও সহকারী শিক্ষকদের বেতন ৫০ টাকা এবং রেশনিংয়ের ব্যবস্থা করেন। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ শেষ করার লক্ষ্যেই ২০১৩ সালে বেসরকারি রেজিস্টার্ড প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয়করণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘কিন্তু আমাদের দাবি এখনো অপূর্ণ রয়ে গেছে। গত ৮ বছরে বেসরকারি শিক্ষক সমাজের কঠোর আন্দোলনেও দাবি পূরণ হয়নি। আমাদের জাতীয়করণ করা হোক।’

আমরণ অনশন কর্মসূচিতে বিভিন্ন পর্যায়ে বক্তব্য রাখেন জোটের আহ্বায়ক আব্দুল খালেক, উপদেষ্টা রফিকুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুল হাসান সেলিম, জি এম শাওন, মতিউর রহমান দুলাল প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গত ১০ জানুয়ারি থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা এক দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু করেন। তবে ১৫ জানুয়ারি থেকে বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণ লিয়াজোঁ ফোরামের ব্যানারে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন শুরু করেন তারা।


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন