আজ মঙ্গলবার, ১৯ জুন ২০১৮ ইং, ০৫ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



বিমানবন্দরের টার্মিনাল নির্মাণে ধীরগতিতে সংসদীয় কমিটির অসন্তোষ

Published on 29 December 2017 | 4: 20 am

হযরত শাহজালাল (রা.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গার ও তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পের ধীরগতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে এ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

তারা সব ধরনের আইনি জটিলতা ও কারিগরি সমস্যা কাটিয়ে দ্রুততার সঙ্গে প্রকল্প দুটির কাজ শেষ করার সুপারিশ করেছে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।

বৈঠক শেষে অসন্তোষ প্রকাশের কারণ ব্যাখ্যা করে কমিটির সভাপতি কর্ণেল (অব.) ফারুক খান সাংবাদিকদের বলেন, বিমানবন্দরে প্রাইভেট হেলিকপ্টারের যে হ্যাঙ্গার রয়েছে সেটা সরিয়ে নতুন করে হ্যাঙ্গার করতে হবে।

এ কাজটি এখনো শুরু হয়নি। তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণেও বেশ কিছু আইনি জটিলতা আছে। কমিটি আইনি জটিলতাগুলো সুরাহা নির্মাণ কাজ শেষ করতে বলেছে।

তিনি আরও বলেন, বেসামরিক বিমান কর্তৃপক্ষের অনেক কাজ শেষ করতে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি সময় লাগছে। কমিটি তাদের সতর্ক হতে বলেছে।

আগামী হজ মৌসুমে যাতে হজ ফ্লাইটে কোনো ধরনের সমস্যা না হয় সে জন্য এখন থেকেই পরিকল্পনা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে বলেও জানান কর্ণেল (অব.) ফারুক খান।

বৈঠক সূত্র জানায়, বৈঠকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। এ বিষয়ে ফারুক খান বলেন, বিমানবন্দরটি নির্মাণের জন্য দুটি জায়গা বিবেচনায় আছে। আগামী ৯ জানুয়ারি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হতে পারে।

এ বিষয়ে সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রাথমিকভাবে তিনটি স্থানের মধ্যে দুই টি স্থান নির্বাচন করে তাদের সুবিধা অসুবিধাসহ সাইট সিলেকশনের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ মোতাবেক পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে জানানো হয়, এখন বাংলাদেশ বিমান বহরে ১৩টি উড়োজাহাজ আছে। এর মধ্যে ছয়টি উড়োজাহাজ নিজস্ব। বাকিগুলো ভাড়া করা। আগামী বছরের আগস্ট ও নভেম্বরে দুটি ৭৮৭-৮ উড়োজাহাজ এবং ২০১৯ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে আরও দুটি উড়োজাহাজ বিমান বহরে যুক্ত হবে।

কমিটি সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খানের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটি সদস্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, অধ্যাপক আলী আশরাফ, কামরুল আশরাফ খান, তানভীর ইমাম, রওশন আরা মান্নান ও সাবিহা নাহার বেগম বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন