আজ মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই ২০১৮ ইং, ০২ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



ওরা আসে। এরা যায়।

Published on 28 December 2017 | 9: 27 pm

 

প্রথম ছবিতে নির্যাতিত রোহিঙ্গারা নদী পাড়ি দিয়ে দলবলে বাংলাদেশে ঢুকছে। তাদের মধ্য থেকে অন্তত একলাখ শরণার্থীকে আশ্রয় দেয়া হবে ঠ্যাংগার চরে- যেটি আসলে সন্দ্বীপের বাস্তুহারাদের বাপদাদার ভিটেমাটি।

দ্বিতীয় ছবিতে সন্দ্বীপে বেড়িবাঁধ থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে শ’ শ’ পরিবারকে। নদী ভাঙনে এদের অনেকেই বাস্তুহারা। জীবন সংগ্রামে এদের অনেকেই জয়ী হলেও নতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখী এখন তারা। উচ্ছেদ।

বলা হচ্ছে, ঘোষণা দিয়ে উচ্ছেদ করা হচ্ছে তাদের। এর মানে, ঘোষণা উচ্ছেদের বৈধতা। কেউ বলেছেন, এরা দখলদার। তাহলে, রোহিঙ্গারা কি?

কিছু মানুষ এ উচ্ছেদের বৈধতা দিতে নিজেদের মতো বক্তব্য প্রচার করছেন। তাতে কিন্তু উচ্ছেদকারী, কিংবা সরকারী কোন ভাষ্য দেখিনি। এদের কথা বুঝে মনে হয় এরাই উচ্ছেদকারী।

আমার এ পোস্টে হামলে পড়বেন না।
আমি যা বলছি, মন চাইলে সেটার জবাব দেবেন। প্যাঁচাল নয়।
আমি আগের পোস্টে জানতে চেয়েছিলাম কারা এ উচ্ছেদ করছে আর কেনো। সে জবাব না দিয়ে কেউ কেউ সেখানে বিচারক সেজেছেন।

আবারো বলছি, শীতের পর একাজ করা যেতো না?
আর, এদের কারণে সন্দ্বীপের লাখ লাখ মানুষ জীবন-হুমকিতে আছে, এ বক্তব্য একটি ডাহা মিথ্যে কথা।

আসল কথা, ২৩৬ কোটি টাকার কাজ হবে বেড়িবাঁধকে কেন্দ্র করে। সে কাজের প্রতিবন্ধকতা এই মানুষগুলো। অতএব, তাদের বিদায় করো যেইসেইভাবে। আর এ বিদায়ে তাদের প্রতিপক্ষ হয়ে গেছে প্রায় পুরো সমাজ। ২৩৬ কোটির প্রত্যক্ষ সুবিধাভোগী যারা। ঠিকাদারি কাজ পাবে যারা। কমিশন পাবে যারা। আর যারা হাবা খাবেন, হাবা। মানে, বেড়িবাঁধ দিলে ভেতরে পানি যাবে না। বাতাস তো যাবে?

রোহিঙ্গাদের ঠ্যাংগার চরে কেনো?
কাজ বেশি।
খরচ বেশি।
আয় বেশি।
ভুংভাংও বেশি।

ভাইসব, সব বেশি কিন্তু ভালো না।


সোহেল মাহমুদ :
নিউ ইয়র্ক থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক সন্দ্বীপ সম্পাদক ও প্রবাসী টিভি’র সিইও
সাবেক হেড অব নিউজ- মোহনা,
সাবেক বিশেষ সংবাদদাতা- এটিএন বাংলা, আরটিভি, চ্যানেল ওয়ান,
সাবেক প্রতিবেদক- দৈনিক রূপালী, একুশে টিভি

 


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন