আজ বুধবার, ২৩ মে ২০১৮ ইং, ০৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



সুপ্রিমকোর্টে রায়ের রিভিউ দায়ের – ষোড়শ সংশোধনী ফের বহালের আবেদন

Published on 25 December 2017 | 3: 51 am

বিচারকদের অপসারণ সংক্রান্ত বহুল আলোচিত ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) জন্য সুপ্রিমকোর্টে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

রোববার সকালে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় থেকে সুপ্রিমকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ৯০৮ পৃষ্ঠার এই রিভিউ আবেদন দাখিল করা হয়। রিভিউ আবেদনে জাতীয় সংসদে আনা সংবিধানে ষোড়শ সংশোধনী পুনর্বহাল চাওয়া হয়েছে। সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল বাতিল করে ১৯৭২ সালের সংবিধানের মূল অনুচ্ছেদে ফিরে যাওয়ার আবেদন করা হয়েছে।

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সুপ্রিমকোর্টে রিভিউ আবেদন দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। রোববার তিনি বলেন, রিভিউ আবেদনে ষোড়শ সংশোধনীর পক্ষে ৯৪টি যুক্তি দেখিয়ে আপিল বিভাগের রায় বাতিল চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রায়ের পর্যবেক্ষণ নিয়ে কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, আশা করি ৯৪টি গ্রাউন্ড বিবেচনায় নিয়ে আপিল বিভাগ রায় পুনর্বিবেচনা করবেন। এতে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বহাল থাকবে।

চূড়ান্ত রায়ে যেসব অপ্রাসঙ্গিক পর্যালোচনা এসেছে, রিভিউয়ে তা বাতিল চাওয়া হয়েছে। এছাড়া সুপ্রিমকোর্টের বিচারক অপসারণ সংক্রান্ত আইন হওয়ার আগেই আপিলের রায়ে ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করা হয়েছে- যা সরকারের কাছে অপরিপক্ব মনে হয়েছে। রিভিউ আবেদনে ওই রায় বাতিল চাওয়া হয়েছে।

সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, রিভিউ আবেদনে সব বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। এ মামলায় যেসব বিষয় আলোচ্য ছিল না তাও রায়ের পর্যবেক্ষণে আনা হয়েছে। সংসদ, রাজনীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে নানা মন্তব্য করা হয়েছে। যার প্রয়োজন ছিল না। তিনি বলেন, কোনো বিচারকের বিরুদ্ধে যদি অভিযোগ ওঠে তবে তা কোন পদ্ধতিতে প্রমাণ করা হবে সে বিষয়ে সংসদে আইন করা দরকার।

বিশিষ্ট সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক যুগান্তরকে বলেন, ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় সরকারের পছন্দ হয়নি। তাই তারা রিভিউ আবেদন করেছেন। এখন আবেদনটি চেম্বার জজ আদালতে যাবে। সেখানে থেকে পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠানোর কথা। আপিল বিভাগ রিভিউটি গ্রহণ করবেন কিনা তা নিয়ে একটি প্রশ্ন আছে। এছাড়া আপিল শুনানিতে সাতজন বিচারপতি ছিলেন। এখন আছেন পাঁচজন বিচারপতি। তারা রিভিউ শুনানি করতে পারবেন কিনা এ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এরপর হবে শুনানি, সব মিলে এটা একটা লম্বা প্রক্রিয়া। সবশেষে কি রায় আসে সে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করে হাইকোর্টের দেয়া রায় বহাল রেখে সর্বসম্মতিক্রমে চূড়ান্ত রায় দেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ। জুলাই মাসে দেয়া ৭৯৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়ের পর্যবেক্ষণে এসকে সিনহা দেশের রাজনীতি, সামরিক শাসন, নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি, সুশাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। রায়ের পর এসকে সিনহা ছুটি নিয়ে দেশত্যাগের ২৮ দিনের মাথায় পদত্যাগ করেন। তিনি গত ১০ নভেম্বর সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে রাষ্ট্রপতি বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি।

ষোড়শ সংশোধনীর রায় বাতিলে আইনি পদক্ষেপ হিসেবে ‘রিভিউ’ প্রস্তুতির জন্য ১১ সদস্যের একটি কমিটি করে অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস। আদালতের দৈনন্দিন কাজ শেষ করে প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে রাত প্রায় দশটা, ১১টা পর্যন্ত এ কমিটি অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের লাইব্রেরিতে বসে আইনি তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণসহ এ সংক্রান্ত কাজ করেছে।

উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে নিতে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রস্তাব সংসদে পাস হয়, যা ষোড়শ সংশোধনী হিসেবে পরিচিত। নয়জন আইনজীবীর রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২০১৬ সালের ৫ মে সংবিধানের ওই সংশোধনী ‘অবৈধ’ ঘোষণা করে রায় দেন। ৩ জুলাই আপিল বিভাগও ওই রায় বহাল রাখেন। যার পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ পায় গত ১ আগস্ট।

রিভিউয়ে তুলে ধরা উল্লেখযোগ্য কিছু যুক্তি :

ষোড়শ সংশোধনীর আপিলের রায়ে বলা হয়েছে, ‘ঋড়ঁহফরহম ঋধঃযবৎ’ং ড়ভ ঃযব পড়ঁহঃৎু’. এই বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষ তাদের রিভিউ আবেদনে যুক্তি দেখিয়ে বলেছেন, এটা স্পষ্ট যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীর পিতা (বাঙালির) হিসেবে ইতিমধ্যে স্বীকৃত। কিন্তু রায়ে ঋধঃযবৎ না লিখে ঋধঃযবৎ’ং (চষঁৎধষ ডড়ৎফ) শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যা সংশোধনযোগ্য।

ষোড়শ সংশোধনীর আপিলের রায়ে বলা হয়েছে, ‘আমাদের অবশ্যই আমিত্বের ধারণা থেকে মুক্তি পেতে হবে।’ রায়ের এই অংশে রাষ্ট্রপক্ষ তাদের যুক্তি দেখিয়ে বলছেন, আদালতের এই পর্যবেক্ষণ ভিত্তিহীন ও অপ্রত্যাশিত, যা আমাদের এই মামলার বিবেচ্য বিষয় নয়, যা সংশোধনযোগ্য। ষোড়শ সংশোধনীর আপিলের রায়ে বলা হয়েছে, ‘১. আমাদের নির্বাচন প্রক্রিয়া ও সংসদ এখনও শিশুসুলভ ; ২. এখনও এই দুটি প্রতিষ্ঠান মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারেনি।’ কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি, এই পর্যবেক্ষণ আদালতের বিচার্য বিষয় নয়। যা বিচারিক শিষ্টাচারের বাইরে গিয়ে পর্যবেক্ষণ দেয়া হয়েছে, যা সংশোধনযোগ্য।

ষোড়শ সংশোধনীর আপিলের রায়ে বলা হয়েছে, ‘সংসদীয় গণতন্ত্র অপরিপক্ব। যদি সংসদের হাতে বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা দেয়া হয় তবে তা হবে আত্মঘাতী।’ রাষ্ট্রপক্ষ বলছেন, আদালতের এই পর্যবেক্ষণ শুধু অবমাননাকরই নয়, বরং ভিন্ন রাজনৈতিক প্রশ্নও বটে! আদালতের বিচারিক এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে এই মন্তব্য করা হয়েছে। রাষ্ট্রের একটি অঙ্গ অন্য একটি অঙ্গের বিরুদ্ধে এরূপ মন্তব্য করতে পারে না। এটা বিচারিক মন্তব্য নয়, এ মন্তব্য করে আদালত ভুল করেছে, যা সংশোধনযোগ্য ও বাতিলযোগ্য।

রাষ্ট্রপক্ষ বলছেন, এই আদালত (আপিলের রায় প্রদানকারী আদালত) মার্শাল ল’ জারির মাধ্যমে প্রণীত কোনো আইনকে (ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ে) বৈধ হিসেবে বিবেচনা করেনি। কিন্তু সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের বিধান সংক্রান্ত বিষয়টি বৈপরীত্য দৃষ্টিকোণ থেকে গ্রহণ (সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের ধারণা) করে ভুল করেছে, যা সংশোধনযোগ্য।

রাষ্ট্রপক্ষ তাদের রিভিউ আবেদনে উল্লেখ করেছে, ‘রাজনৈতিক দলের সদস্যদের মধ্যে শৃঙ্খলা ও সরকারের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ আনয়ন করা হয়।’ জাতীয় রাজনীতি থেকে দুর্নীতি ও অস্থিতিশীলতা অপসারণ করাই ছিল এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য। কিন্তু সংবিধানের এই যে উদ্দেশ্য তা বিবেচনা না করে আদালত ভুল করেছেন। আদালতের এই ধরনের পর্যবেক্ষণ অপ্রত্যাশিত এবং বাতিলযোগ্য।

এই গ্রাউন্ডে রাষ্ট্রপক্ষ তাদের যুক্তি দেখিয়ে বলছেন, মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশটি তৎকালীন রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ দ্বারা গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু এই আইনকে (মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ) মার্শাল ল’-এর অধীনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। যে কারণে এই অধ্যাদেশটি দেশে আইন (বর্তমানে) হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে।

এই কারণে মার্শাল ল’ অধ্যাদেশটি ষোড়শ সংশোধনীর সঙ্গে তুলনা করা যাবে না, যা আদালত তুলনা করে ভুল করেছেন। এটি সংশোধনযোগ্য। যদিও সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অনুযায়ী সংবিধানের ৯৬ (৩) অনুচ্ছেদ অনুসারে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের বিধান রেখে একটি আইন করার কথা ছিল। কিন্তু সংবিধানের ৯৬ (৩) অনুচ্ছেদ অনুসারে সেই আইন এখনো করা হয়নি। অথচ এই আইন করার আগেই রিট দায়ের করা হয়েছে। তাই এই রিটটি অপরিপক্ব। অথচ এই অপরিপক্ব রিটটি আদালত আমলে নিয়ে রায় দিয়েছেন, যা সংশোধনযোগ্য।

মূল সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদ কার্যকর রেখে সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করার মাধ্যমে সরকার কোনো বিচারকের বিরুদ্ধে অসদাচরণ প্রমাণিত হলে আইন অনুসারে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংবিধানে সংশোধনী আনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। কিন্তু এ আদালত (আপিল বিভাগ) সেই সংশোধনীকে একটি ‘কালারফুল সংশোধনী’ মন্তব্য করে এবং কোনো প্রেক্ষাপট বিবেচনায় না নিয়ে এ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করার মাধ্যমে ভুল করেছে, যা সংশোধন হওয়া প্রয়োজন। মার্শাল ল’ এর যাবতীয় কার্যক্রম সংবিধানের পঞ্চম ও সপ্তম সংশোধনীর রায়ের মাধ্যমে মার্জনা করা হয়েছিল, যা সংবিধানের ষোড়শ সংশোধীর রায়ের ক্ষেত্রে বিবেচনা না করে ভুল করা হয়েছে। এ বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছে, যার কারণে এটি পুনর্বিবেচনা করা উচিত।

রায়ের পর্যবেক্ষণে এক জায়গায় তৎকালীন প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘মানবাধিকার ঝুঁকিতে, দুর্নীতি অনিয়ন্ত্রিত, সংসদ অকার্যকর, কোটি মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত। ৭৯৯ পৃষ্ঠার রায়ে সরকার, সংসদ, রাজনীতি, নির্বাচন কমিশন, বিচার বিভাগ, সামরিক শাসন এবং রাষ্ট্র ও সমাজের বিষয়ে এমন অনেক পর্যবেক্ষণ উঠে এসেছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘আমি ও আমিত্ব’র সংস্কৃতির বিষয়ে কড়া সমালোচনা করেন ওই রায়ে।

বেঞ্চের অপর বিচারপতিরাও ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পক্ষে তাদের অভিমত তুলে ধরেন। এরপরই রায়ে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার দেয়া পর্যবেক্ষণের তীব্র সমালোচনা করেন সরকারের মন্ত্রী, এমপি ও নেতারা। এমনকি কোনো কোনো মন্ত্রী এবং বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের নেতারা প্রধান বিচারপতির পদত্যাগের দাবিতে সরব হন।

ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় নিয়ে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদপ্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আন্দোলনের ডাক দেন। বিএনপির পক্ষ থেকে এর সমালোচনা করে বলা হয়, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণের জন্য এসকে সিনহার পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। বিএনপি ষোড়শ সংশোধনীর রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেছে, তারা এতদিন সরকারের বিরুদ্ধে যেসব কথা বলেছিল, বিশেষ করে অকার্যকর সংসদের যে দাবি তারা জানিয়ে আসছিল, এসকে সিনহার রায়ে সে বিষয়টি তুলে ধরায় তার পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে।

এমনকি একপর্যায়ে তাকে দেশত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে বলেও দলটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়। গত ১০ আগস্ট সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক। এরপর ১৮ আগস্ট রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করতে সরকার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন তিনি।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় এবং তার কিছু পর্যবেক্ষণের বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নিতে জাতীয় সংসদে একটি প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আদালত তার এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে সংসদে আনা সংবিধান সংশোধন বাতিলের এ রায় দিয়েছেন। এরপর কী আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে, তা স্পষ্ট করা না হলেও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, এ প্রক্রিয়ার কাজ তারা ইতিমধ্যে শুরু করেছেন। আইনমন্ত্রী এর আগে সুপ্রিমকোর্টের এ রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন করবেন বলে সংসদেই জানিয়েছিলেন।


Advertisement

আরও পড়ুন