আজ মঙ্গলবার, ১৯ জুন ২০১৮ ইং, ০৫ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



মেয়েদের ন্যূনতম স্নাতক পর্যন্ত পড়াতে হবে: আইনমন্ত্রী

Published on 25 December 2017 | 3: 48 am

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আমাদের মেয়ে সন্তানকে ন্যূনতম স্নাতক পর্যন্ত শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।

অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ১৮ বছরের আগে বিয়ে দিয়ে কন্যা সন্তানদের ভবিষ্যত নষ্ট করবেন না। তিনি বলেন, সবার জন্য শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা আমাদের জাতীয় কর্তব্য।

আইনমন্ত্রী বলেন, সরকারের একার পক্ষে এই বিশাল দায়িত্ব পালন করা কঠিন। সেজন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এমনকি ব্যক্তি বিশেষকে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলে সরকারের হাত বেশি শক্তিশালী হবে।

২০৪১ সালের আগেই বাংলাদেশ একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে।

রোববার রাজধানীর মিরপুরে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের অর্থায়নে স্নাতক পর্যায়ে অধ্যয়নরত ৩ হাজার ১৯ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তিপ্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, আজকের ছাত্র-ছাত্রীরাই আগামী দিনে দেশ পরিচালনা করবে। তারা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে। তাই তাদের মেধা বিকাশে সঠিক যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

তিনি বলেন, ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার সবসময় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি দিয়ে ডাচ-বাংলা ব্যাংক সরকারের এ চেষ্টায় সহযোগিতা করছে। মেধাবী অথচ আর্থিকভাবে অসচ্ছল ছাত্র-ছাত্রীদের কল্যাণে ডাচ-বাংলা ব্যাংকের শিক্ষাবৃত্তি কার্যক্রম সত্যিই প্রশংসনীয়। তিনি আশা প্রকাশ করেন এই মহতি কার্যক্রম ডাচ-বাংলা ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখবে এবং দেশ ও জাতি গঠনে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করবে।

তিনি বলেন, মেধাবী অথচ আর্থিকভাবে অসচ্ছল ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার মাধ্যমে সমাজ ও জাতির বহুমুখী উন্নয়ন সম্ভব। তাই আসুন আমরা সবাই মিলে দেশ গড়ি, শিক্ষার আলোয় আলোকিত করি সমাজ ও জাতিকে।

আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার বিশ্বাস করে যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা ছাড়া সুশিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তাই তার সরকার ভিশন-২০২১ কে সামনে রেখে সুশিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার জন্য শিক্ষাকে দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রধান হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনায় নিয়েছে। এ জন্য সরকার বাস্তবমুখী বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।

ডাচ-বাংলা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সায়েম আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কাশেম মো. শিরিনসহ প্রমুখ বক্তৃতা করেন। এ সময় ব্যাংকটির প্রতিষ্ঠাতা ও ডাচ-বাংলা ব্যাংক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এম সাহাবুদ্দিন আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন