আজ শুক্রবার, ২৫ মে ২০১৮ ইং, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



মহিউদ্দিন চৌধুরীর অভাব পূরণ হওয়ার নয়: শেখ হাসিনা

Published on 25 December 2017 | 3: 42 am

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী জননন্দিত ও ত্যাগী নেতা ছিলেন। তার অভাব সহজে পূরণ হওয়ার নয়। চট্টলবীর খ্যাত আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক সিটি মেয়র প্রয়াত মহিউদ্দিন চৌধুরীর শোকার্ত পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

রোববার বিকালে ষোলশহরের দুই নম্বর গেটে মহিউদ্দিনের চশমা হিলের বাসভবনে যান প্রধানমন্ত্রী। মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রী হাসিনা মহিউদ্দিন, ছেলে ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলসহ পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান তিনি।

মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানি উপলক্ষে আয়োজিত মেজবানে পদদলিত হয়ে নিহত ১০ জনের পরিবারপ্রতি ৫ লাখ টাকা করে অনুদান দেন প্রধানমন্ত্রী। স্বজনহারা এসব পরিবারের সদস্যদেরও তিনি সমবেদনা জানান।

তিনি বলেন, দুর্ঘটনায় যারা মারা গেছেন, তাদের জীবন তো ফিরিয়ে দিতে পারব না। তবে তাদের পরিবারের প্রতি আমার সহযোগিতার হাত সব সময় প্রসারিত থাকবে।

বাংলাদেশ নেভাল একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ শেষে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বিকাল ৪টার দিকে প্রধানমন্ত্রী নগরীর ষোলশহর চশমা হিল এলাকায় মহিউদ্দিন চৌধুরীর বাসায় যান। সেখানে তিনি প্রায় আধ ঘণ্টা অবস্থান করেন। এ সময় মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রী হাসিনা মহিউদ্দিনসহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। তাদের খোঁজখবর নেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বাড়িটি যখন টিনশেড ছিল, তখন একবার এসেছিলাম। তখন মহিউদ্দিন ভাই ছিলেন। আজ আবার এখানে এলাম। কিন্তু মহিউদ্দিন ভাই নেই। এ সময় হাসিনা মহিউদ্দিনকে জড়িয়ে ধরে তিনি সান্ত্বনা দেন।

স্বামীর অসুস্থতা, চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন হাসিনা মহিউদ্দিন। দুই ছেলে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও বোরহানুল হাসান চৌধুরী সালেহীনকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিয়ে তিনি বলেন, ‘ওদের অভিভাবক এখন থেকে আপনি।’ এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি তাদের অভিভাবকের দায়িত্ব নিলাম।’

মহিউদ্দিন চৌধুরী যে ড্রয়িং রুমে বসে নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলতেন, সেই কক্ষে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তার এক পাশে হাসিনা মহিউদ্দিন এবং অন্যপাশে কন্যাকে নিয়ে বসেন নওফেল। মেজবানে পদদলিত হয়ে নিহত ১০ পরিবারের সদস্যদের হাতে অনুদানের অর্থ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুস ছালাম, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, উপদফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


Advertisement

আরও পড়ুন