আজ বুধবার, ২০ জুন ২০১৮ ইং, ০৬ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ এ ভৌগলিক বিজয় অর্জন করলেও এখনো পরাজিত অপশক্তির হিং¯্র থাবা থেকে মুক্ত হতে পারিনি- জয় বাংলা মঞ্চ

Published on 23 December 2017 | 1: 47 pm

আজ ২৩ ডিসেম্বর ২০১৭, শনিবার বিকাল ৩ টায়, ২২/১, তোপখানা রোডস্থ কমরেড নির্মল সেন মিলনায়তনে জয় বাংলা মঞ্চের উদ্যোগে “মহান বিজয়ের ৪৬ বছর- ২০১৭” বিজয় পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জয় বাংলা মঞ্চের সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ী এর সভাপতিত্বে আলোচনায় বক্তব্য রাখেন এম এ জলিল সভাপতি জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ, জননেতা সিরাজুল হক সভাপতি কৃষক প্রজা পার্টি, কবির চৌধুরী তম্বয়, সভাপতি অনলাইন অ্যাক্টিভিটিস ফোরাম, যুবনেতা আনিসুর রহমান খোকন, কার্যনির্বাহী সদস্য, আশরাফ আলী হাওলাদার, সভাপতি, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক মুক্তি আন্দোলন, হাফেজ মাওলানা মুহূম্মদ আনোয়ার হোসাইন জুয়েল, যুবনেতা জামাল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু জাতীয় যুব পরিষদ, জাসদ নেতা হুনায়ুন কবির, জননেতা শাহিকুল টিটু, সভাপতি, লোকশক্তি পাটি, হাফেজ মাওলানা আখতার হোসাইন ফারুকী, যুগ্ন সম্পাদক ওলামা লীগ, মাওলানা কাজী তাজুল ইসকাম, যুগ্ম সম্পাদক ওলামা লীগ, এড মাওলানা মাহফুজুর রহমান, কেন্দ্রীয় সদস্য ওলামা লীগ ও মুহাম্মদ আলমগীর শেখ সভাপতি, মুক্তিযুদ্ধ পল্লী সোসাইটির সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
বিজয় পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭১ এ মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ত্রিশ লক্ষ শহীদ ও দুই লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে শত্রুমুক্ত করে বাংলাদেশের বিজয় ছিনিয়ে এনেছিল বাংলার সর্বস্তরের গণমানুষ। বিজয় অর্জনের একক নেতৃত্বে ছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।বাঙ্গালীকে বিজয়ের স্বাদ দেয়ার পূর্বেই দেশীয় ও বিদেশী চক্রের ষড়যন্ত্রে কিছু সংখ্যক পথভ্রষ্ট সেনা কর্মকর্তা জাতির পিতাকে স্বপরিবারে হত্যা করে। যে হত্যাটি ছিলো মূলত বাঙ্গালী জাতি সত্ত্বার হত্যা।তখন থেকেই পশ্চিমা হায়ানাদের ভাবধারায় বাংলাদেশ তথা বাংলাদেশের গণমানুষ শাসিত এবং শোষিত হচ্ছেছিল। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা চরমভাবে সর্বক্ষেত্রে হয় ভূলুণ্ঠিত।
পরিতাপের বিষয় হলো ভৌগলিক বিজয় অর্জন হলেও বিজয়ের ৪৬ বছর পার হলেও পরাজিত অপশক্তির হিং¯্র থাবা হতে আমরা এখনো মুক্ত হয়নি।দেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফিরে যেতে পারেনি। ধর্মান্ধ উগ্রগোষ্ঠী দ্বারায় স্বাধীনতার চেতনা প্রতিনিয়ত ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে। প্রগতিশীলরাও রাজনীতিতে করছে ধর্মের অপব্যবহার।মানবতাবিরোধী ঘাতকদের পাশে রেখে গণতন্ত্রের নামে আবার বিএনপি নেত্রী চালিয়েছিল আগুন সন্ত্রাস। সুতরাং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও উন্নয়নশীল শোষণ মুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে হলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তির ঐক্যের বিকল্প নেই। আমরা আনন্দিত মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বাদানকারী সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আজ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়। বঙ্গবন্ধুর কন্যা যোদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছেন। জাতীয় চারনেতা হত্যার বিচারও সম্পূর্ণ হওয়ার পথে। জাতির পিতার হত্যার বিচারসহ ১৫ আগস্টের সকল হত্যার বিচার হয়েছে। দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সম্প্রীতিতে বিশ্বের রোল মডেল। সন্ত্রাস ও দুর্নীতি প্রতিরোধে বিশ্বের জন্য অনুশীলনীয়।


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন