আজ বুধবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৮ ইং, ১২ বৈশাখ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



মানুষকে রক্ষায় বিজিবির ভূমিকা প্রশংসনীয়: প্রধানমন্ত্রী

Published on 21 December 2017 | 2: 38 am

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বাধীনতাবিরোধীরাই দেশে একসময় হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল। তাদের সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে। আগুন দিয়ে, পেট্রল বোমা মেরে মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে। তবে বিজিবি খুব প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছে। এ বাহিনী মানুষকে রক্ষা করায় ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছে।
বুধবার সকালে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দিবস উপলক্ষে রাজধানীর পিলখানায় প্যারোড পরিদর্শন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন দুর্যোগের সময় মানুষের জানমাল রক্ষায় বিজিবি খুব আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। বিজিবি নিজস্ব শৃঙ্খলা মেনে চলবে আশা করি। এ বাহিনী দেশের জন্য কাজ করে যাবে।
বিজিবি নিজস্ব শৃঙ্খলা মেনে চলবে বলে অনুষ্ঠানে আশাবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি বলেন, বিজিবিকে সময়োপযোগী করে গড়ে তোলা হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিজিবির সদস্য হিসেবে আপনাদের পারস্পরিক আস্থা ও শ্রদ্ধাবোধ, শৃক্সখলাবোধ, মানবিকতা এবং সর্বোপরি পারস্পরিক সহানুভূতিশীলতাই এই বাহিনীর বন্ধন দৃঢ়তর করবে। কাজেই ভবিষ্যতে সবাই বাহিনীর নিজস্ব শৃঙ্খলার বিষয়টি ভালোভাবে জেনে নেবে, চর্চা করবে এবং দেশের কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করবে।’
শেখ হাসিনা বলেন, বিজিবির সদস্য হিসেবে আপনাদের আনুগত্য ও বিশ্বস্ততা প্রশ্নাতীত। সীমান্ত রক্ষা, অভ্যন্তরীণ আইন শৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রাকৃতিক কিংবা সামাজিক যেকোনো দুর্যোগে বিজিবি জাতির আস্থার ঠিকানা।
এই বাহিনী ২২২ বছরের ঐতিহ্যমণ্ডিত উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৭৯৫ সালে রামগড় লোকাল ব্যাটালিয়ন নামে প্রথম গড়ে তোলা হয় এই বাহিনী। সময়ের ব্যবধান ও ভৌগোলিক পরিবর্তনের কারণে নানান নামে দায়িত্ব পালনের পর এখন বিজিবি নামে সীমান্তরক্ষী বাহিনী হিসাবে কাজ করছে।
গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে ও পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং জনসাধারণের জান-মাল রক্ষায় বিজিবির সদস্যদের দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।
বিজিবির প্যারেড উপলক্ষে সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী বীর উত্তম আনোয়ার হোসেন প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খান কামাল ও বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেন তাকে স্বাগত জানান। পরে বিজিবির  সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার দেন।
বিজিবি দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, উপদেষ্টাবৃন্দ, উচ্চপদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা এবং কূটনৈতিক কোরের সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।
সকাল ৮টায় বাহিনীর রেজিমেন্টাল পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে বিজিবি দিবসের কর্মসূচির সূচনা করেন বাহিনীর মহাপরিচালক।
দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীর পিলখানা বিজিবির সদর দফতর এবং সব রিজিয়ন, বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজ, সেক্টর ও ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।


Advertisement

আরও পড়ুন