আজ শুক্রবার, ২৫ মে ২০১৮ ইং, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



এবারের বাণিজ্যমেলায় স্টল কমছে

Published on 19 December 2017 | 9: 59 am

অতীতের ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় (ডিআইটিএফ) স্টল বাড়ানোতে গুরুত্ব থাকলেও এবার ঘটছে উল্টো। এবার বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের স্টল গতবারের চাইতে কমছে। কমছে অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যাও। দেশী-বিদেশী প্রতিষ্ঠানের স্টল ও প্যাভিলিয়ন মিলিয়ে এবারের ২৩তম বাণিজ্যমেলায় ৫৪০টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। গতবার অংশ নিয়েছিল ৫৮৪টি। সেই হিসেবে এবার ৪৪টি স্টল কমছে। আগামী পহেলা জানুয়ারি থেকে রাজধানীর শেরে বাংলানগরে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা শুরু হতে যাচ্ছে। মেলার আয়োজন করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)। আয়োজক সূত্র জানিয়েছে, এবারের মেলায় ডিজিটালাইজেশন বা তথ্য প্রযুক্তিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মেলায় থাকবে ডিজিটাল এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার। এর মাধ্যমে মেলায় অবস্থিত স্টল ও প্যাভিলিয়নের অবস্থান জানা যাবে। ফলে দর্শণার্থী সহজেই কাঙ্ক্ষিত স্টলে যেতে পারবেন। নির্দিষ্ট অ্যাপসের মাধ্যমে মেলার হালনাগাদ অবস্থা জানা যাবে। অনলাইনে দেশ-বিদেশ থেকেও সব ধরনের তথ্য পাওয়া যাবে। এছাড়া এবারের মেলায় বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়নের আকার গতবারের চাইতে দ্বিগুণ করা হচ্ছে। দেশের প্রথিতযশা চিত্রশিল্পীদের আঁকা বঙ্গবন্ধুর উপর ২৬টি চিত্রকর্ম থাকবে বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়নে। থাকছে সুন্দরবনের আদলে মিনি সুন্দরবন। বাংলাদেশ ছাড়াও ১৭টি দেশ এবারের মেলায় অংশ নিচ্ছে। এগুলো হলো ভারত, পাকিস্তান, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, ইরান, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ভুটান, মরিশাস, ভিয়েতনাম, মালদ্বীপ নেপাল ও হংকং।
মেলা আয়োজক সূত্র জানিয়েছে, মেলা আয়োজনের লক্ষ্যে বেশিরভাগ কাজই ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এখন মেলা প্রাঙ্গণে অংশগ্রহণকারী দেশী-বিদেশী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টল ও প্যাভিলিয়ন তৈরির কাজ চলছে। এবারের মেলায় মেলা প্রাঙ্গণের চলাচলের রাস্তা প্রশস্ত রাখা, অর্কিড বাগান, মিনি সুন্দরবন তৈরি ও বঙ্গবন্ধু পাভিলিয়নের জন্য বাড়তি জায়গা রাখায় স্টল কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।
অতীতের মত এবারের মেলায়ও তৈরি পোশাক, হোমটেক্সটাইল,  ফেব্রিক্স পণ্য, হস্তশিল্পজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, গৃহস্থালি ও উপহার সামগ্রী, চামড়াজাত পণ্য, সিরামিকের তৈজসপত্র, প্লাস্টিক পণ্য, কসমেটিকস হারবাল ও প্রসাধনী সামগ্রী, খাদ্য ও খাদ্যজাত পণ্য, ইলেকট্রিক ও ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী, জুয়েলারি, নির্মাণ সামগ্রী ও আসবাবপত্রের স্টল থাকছে। গত বছরের মেলায় ৮০ কোটি টাকার রপ্তানি আদেশ পাওয়া গেছে। এবারের মেলায় আরও বেশি রপ্তানি আদেশ বাড়বে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।
এদিকে সরকার পূর্বাচলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করছে। ২০১৮ সালের পর বাণিজ্যমেলা রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে হবে না বলে ইতিমধ্যে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে।

 


Advertisement

আরও পড়ুন