আজ বৃহঃপতিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ইং, ১৩ বৈশাখ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



নির্বাচন নিয়ে সবসময় কারচুপির অভিযোগ বিএনপির রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করছে-ওবায়দুল কাদের

Published on 18 December 2017 | 5: 13 am

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রতিনিয়ত নির্বাচন নিয়ে কারচুপির অভিযোগ তোলায় বিএনপির রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হচ্ছে। এ সকল অবান্তর অভিযোগে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে না, বিএনপির সদিচ্ছা ও বিশ্বাসযোগ্যতাই প্রশ্নবিদ্ধ হবে। অবশ্য নির্বাচন নিয়ে অভিযোগ করা বিএনপির পুরনো অভ্যাস। নির্বাচন এলেই তারা ভাঙা রেকর্ড বাজায়। রংপুরেও তারা সেই রেকর্ড বাজাচ্ছে। তারা নির্বাচনে হারার আগে হারে, জেতার আগেও হারে। ভাঙা রেকর্ড না বাজানোর জন্য তিনি বিএনপির প্রতি আহ্বান জানান।

গতকাল রবিবার বিআরটিসির গাবতলী বাস ডিপো এবং মোবাইল অ্যাপস ‘কতদূর’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, এর আগে চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে রেজাল্টের আগ পর্যন্ত অবিরাম অভিযোগ করেছিল। গাজীপুর, কুমিল্লা ও নারায়াণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়েও তারা একই অভিযোগ করেছিল। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি রংপুর সিটি করপোরেশনের ভোটারদের শেখ হাসিনা সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করতে চাই, সাম্প্রতিককালে যে রকম নির্বাচন নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লায় হয়েছিল, সে রকম নির্বাচন রংপুর সিটি করপোরেশনেও হবে। এ নির্বাচন হবে অবাধ ও নিরপেক্ষ। নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন স্বাধীন কর্তৃত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। রংপুরের জনগণ যাকে খুশি তাকে ভোট দেবে। এ পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে এবং এতে কোনো হস্তক্ষেপ থাকবে না।
উল্টোপথে গাড়ি নিয়ে চলা ভিআইপিদের প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘গত সাড়ে পাঁচ বছরে আমি কখনো রাস্তার রং সাইড ব্যবহার করিনি। দেশের মানুষ যদি যানজট সহ্য করতে পারে, তাহলে আমি কেন পারব না?
অনুষ্ঠানে বক্তব্য শেষ করার আগেই মঞ্চের সামনে বসা একজন চালক ৬ মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না বলে জানান মন্ত্রীকে। সঙ্গে সঙ্গে আরো শতাধিক চালক তাকে সমর্থন করে নিজেদেরর বকেয়া বেতন পরিশোধের দা?বি তোলেন। শ্রমিকদের আশ্বস্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী।
বিআরটিসির চেয়ারম্যান ফরিদ আহম্মেদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ১৪ আসনের সংসদ সদস্য আসলামুল হক, সড়ক পরিবহন ও মাহসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

 


Advertisement

আরও পড়ুন