মুশফিকুর রহিমের জায়গায় নতুন টেস্ট অধিনায়ক সাকিব

বাংলাদেশ জাতীয় দল এখন নতুন কোচ খোঁজ করছে। গতকালও কোচ পদের জন্য সাক্ষাত্কার দিয়ে গেছেন ফিল সিমন্স। এরই মধ্যে ওলোটপালোট হয়ে গেলো বাংলাদেশের টেস্ট দলে।মুশফিকুর রহিমের জায়গায় নতুন টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে ঘোষণা করা হলো সাকিব আল হাসানের নাম। সেই সাথে জানানো হলো সাকিবের ডেপুটি হিসেবে টেস্টে থাকবেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এই ঘোষণার ফলে বাংলাদেশের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হলেন সাকিব। ওয়ানডে অধিনায়ক আগের মতোই রইলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।
গতকাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) এক সভা শেষে বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন এই ঘোষণা দেন। তিনি জানান, উইকেটরক্ষক ও ব্যাটসম্যান হিসেবে মুশফিকুর রহিম যাতে নিজের সেরাটা দিতে পারেন, সে জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখানে মুশফিকের প্রতি বিসিবির কোনো বিরাগ ছিল বলে তিনি স্বীকার করেননি। পাপন জানালেন, তিন ফরম্যাটে একই অধিনায়ক করার চিন্তা করছিলেন তারা। কিন্তু মাশরাফি যেহেতু টেস্ট খেলেন না, তাই এই চিন্তা এগোয়নি। আবার মাশরাফিকে ওয়ানডের দায়িত্ব থেকে সরানোর কোনো চিন্তাও আপাতত বোর্ডের নেই।
উল্লেখ করা যেতে পারে, টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে এর আগেও একবার দায়িত্ব পালন করেছেন সাকিব। ২০০৯ সাল থেকে ২০১১ সাল অবদি ৯টি টেস্টে অধিনায়ক ছিলেন তিনি। ২০১১ সালে তাকে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়েই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল মুশফিকুর রহিমকে। এই সময়ে মুশফিক দেশের সর্বোচ্চ ৩৪টি টেস্টে অধিনায়কত্ব করেন। তার অধীনে বাংলাদেশ সাতটি টেস্ট জিতেছে এবং ড্র করেছে ৯টি ম্যাচ। এর মধ্যে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দেশের মাটিতে এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তাদের মাটিতে জয় রীতিমতো দেশের সেরা ক্রিকেটীয় অর্জনগুলোর মধ্যে গণ্য হয়।
এতো সাফল্যের পরও মুশফিকুর রহিমের টেস্ট অধিনায়কত্ব নিয়ে বোর্ডের মধ্যে অনেকদিন ধরেই অসন্তোষ ছিল। বিশেষ করে বাংলাদেশ এগিয়ে আছে এমন সব টেস্টে রক্ষণাত্মক অধিনায়কত্ব করার জন্য সমালোচিত ছিলেন মুশফিক। এ ছাড়া বিভিন্ন সময় বোর্ডের বা কোচের বিভিন্ন ব্যাপার নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে মন্তব্য করেও তিনি বিরাগভাজন হয়েছিলেন।

 

minhaj rudvi

Leave a Reply

Top
%d bloggers like this:
Web Design BangladeshBangladesh Online Market