আজ রবিবার, ১৯ আগষ্ট ২০১৮ ইং, ০৪ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



যুবরাজ দেশে ফিরে এলেন

Published on 24 November 2017 | 5: 13 am

:: কাজী ইফতেখারুল আলম তারেক ::


নয় মাস পর আমেরিকা থেকে দেশে ফিরে এলেন হেদায়েতুল ইসলাম মিন্টু জেঠা।বিশাল আকাশে উড়তে উড়তে পাখিও আপন নীড়ে ফেরার তাগিদ অনুভব করে,মানুষও তার ব্যতিক্রম নয়। মানুষও ফিরে আসে প্রয়োজনে। নিজ বাসভূমের প্রতি টান থাকা যেকোন মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি।তবে স্বপ্নের দেশ আমেরিকার মোহময় জীবন উপেক্ষা করে ফিরে আসা মানুষের সংখ্যা নেহাত কম।

অবশ্য সুদূর আমেরিকা থেকে তিনি আমাকে দূরআলাপনীতে প্রায় বলতেন- “এ দেশ আমার জন্যে নয়।আরো বলতেন- আমেরিকায় প্রাচুর্য থাকলেও জীবনের জয়গান নেই। কর্ম- চাঞ্চল্যকর আমেরিকার জীবনে আমি এক প্রকার অপ্রয়োজনীয় বস্তু। এখানকার সংস্কৃতির সাথে আমি অভ্যস্ত না কারণ আমি চিরায়ত বাঙালি সত্ত্বার মানুষ।

সেই সাথে “হ্রদয়ে সন্দ্বীপ” /মেইন ইন সন্দ্বীপ শ্লোগান বুকে ধারণ করে চলি।এখানে অসহায়ত্ব মন নিয়ে ঘরে বসে থাকার চেয়ে দেশে গিয়ে সন্দ্বীপের মানুষের সাথে বাকি জীবন কাটিয়ে দেয়া আমার জন্য পরম আনন্দের একই সাথে স্বস্তির ব্যাপার।।

অত্যন্ত অভিমান ও পরম অনুরাগ নিয়ে তিনি দেশে ফিরেছেন।প্রবাস জীবনে ক্রমে ক্রমে তাঁর ভেতরে স্বজাত্যবোধ জাগ্রত হওয়া এবং একই সাথে সন্দ্বীপের মানুষের প্রতি তাঁর আবাল্য হ্রদয়স্পর্শী টানে তিনি পৃথিবীর রাজধানী নিউইয়র্ক থেকে ছুটে আসতে বাধ্য হয়েছেন।

সাময়িক দূরে থাকলেও তিনি ভূলে যাননি আমাদের।আজ তাঁর সান্নিধ্যে গেলে পরম অনুরাগে তিনি বুকে জড়িয়ে কেঁদে উঠেন।এই সম্পর্ক, ভালবাসা, মায়া মমতা অবিচ্ছেদ্য এক বন্ধন।অনেক মান- অভিমান, আদর-শাসন, অনুরাগে অভিমানের পালা শেষ করে দিন শেষে প্রাণবন্ত হাসি দিয়ে তিনি আমাদের আবার বুক জড়িয়ে নিতেন।

সন্দ্বীপের সব শ্রেণী পেশার মানুষের কাছে সমান জনপ্রিয় তিনি।একাধারে তিনি বীর মুক্তিযোদ্বা, সমাজকর্মী,সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব,রাজনীতিবিদ,ক্রীয়া সংগঠক।

ভেবেছিলাম সন্দ্বীপ টাউনের যুবরাজের মুখে আমেরিকার গল্প শুনবো, গল্প তিনি ঠিকই শুনালেন ।সেই সাথে আমেরিকা থেকে আদর মিশ্রিত উপহারও এনেছেন আমার জন্যে ।আমেরিকায় অভিবাসী বিশেষত সন্দ্বীপীদের জীবন ধারা নিয়ে কাজ করতে আমার ভীষণ আগ্রহ রয়েছে।সেজন্য এবিষয়ে লেখতে অনুরোধ জানিয়েছিলাম।আশা করছি হ্রদয়ে সন্দ্বীপ নতুন সংস্করণে এ বিষয়ে পাঠক ধারণা পাবে।


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন