১৯ বছরে চ্যানেল আই : সোনালী মিডিয়া এন্ড পাবলিকেশন্স পরিবারের শুভেচ্ছা

উচ্ছ্বাসে প্রত্যয়ে ১৯ বছরে চ্যানেল আই।‘হৃদয়ে বাংলাদেশ’কে ধারণ করে ১৯ বছরে পদার্পণ করেছে দেশের প্রথম ডিজিটাল বাংলা টেলিভিশন চ্যানেল চ্যানেল আই। সোনালী মিডিয়া এন্ড পাবলিকেশন্স পরিবারের পক্ষ থেকে বেসরকারি টিভি চ্যানেল আই-এর উনিশ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে এর উদ্যোক্তা, সাংবাদিক, কলাকুশলী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা এর উত্তোরোত্তর সফলতা কামনা করছি।

উনিশের উচ্ছ্বাস
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রথম প্রহরে কেক কাটার মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী বর্ণিল আয়োজনে জন্মদিন উদযাপন শুরু হয়।
 
এই আয়োজনে অংশ নেন চ্যানেল আইয়ের পরিচালনা পর্ষদ এবং তাদের পরিবারের সদস্যসহ দেশের বিশিষ্ট নাগরিকরা। তাদের আশা, অতীতের মতো আগামী দিনেও চ্যানেল আই সৃষ্টিশীলতার অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রেখে যাবে।
 
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর নতুন সংযোজন হাইডেফিনেশন এইচডি। এবারের স্লোগান ‘উনিশের উচ্ছ্বাস’।
 
চ্যানেল আইয়ের হাত ধরে এদেশের টেলিভিশন জগতে উন্মোচিত হয় এক নতুন দিগন্তের। গত দেড় যুগে বিশ্বব্যাপী বাংলাভাষী মানুষ এবং টেলিভিশন শিল্পকে অনেক ‘প্রথম’ উপহার দিয়েছে চ্যানেল আই।
 
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চ্যানেল আই প্রাঙ্গণ সেজেছে নানা রংয়ের আলোর ঝলমলে সাজে। এই রং ছড়াবে টেলিভিশনের পর্দাতেও, কেননা এখন থেকে দর্শকরা চ্যানেল আই দেখবেন এইচ ডি বা হাইডেফিনেশন ভার্সনে।
 
জন্মদিন উপলক্ষে দেশের শীর্ষ দৈনিকগুলোতে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে চ্যানেল আই। সেখানে চ্যানেল আইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুও বাণী দিয়েছেন। শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চ্যানেল আই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর এবং পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ।
 
 
 
রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ তার শুভেচ্ছা বাণীতে আশা করেছেন, দেশপ্রেম ও বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশে চ্যানেল আই অগ্রপথিকের ভূমিকা পালন করবে। চ্যানেল আই প্রতিষ্ঠার পর হতে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে বিভিন্ন অনুষ্ঠান নির্মাণ ও প্রচার করছে। বিশেষ করে কৃষি উন্নয়ন তথা গ্রামনির্ভর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে জনগণকে উদ্ধুদ্ধকরণে চ্যানেল আই’র প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়।
 
চ্যানেল আইয়ের উদ্যোক্তা, সাংবাদিক, কলাকুশলী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমার প্রত্যাশা চ্যানেল আই সংবাদ পরিবেশনে বস্তুনিষ্ঠতা, দায়িত্বশীলতা, নিরপেক্ষতা বজায় রাখবে এবং রুচিশীল ও শিক্ষণীয় অনুষ্ঠান প্রচারের মাধ্যমে আমাদের সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখবে।
 
 
 
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, কল্যাণ আর আনন্দের বার্তা নিয়ে চ্যানেল আই পৌঁছে যাক দেশের সর্বত্র এবং বিশ্বময়।
 
চ্যানেল আই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর বলেছেন, চ্যানেল আই মানুষের বিশ্বাসটুকু পেয়েছে। আস্থাটুকু অর্জন করেছে। মানুষকে তার সম্মান দেয়ার দায়িত্ব পালন করেছে। সেজন্যে চ্যানেল আই পরিবারের উনিশের উচ্ছ্বাস আজ পৃথিবীময় সকল বাঙালির।
 
 
 
চ্যানেল আই’র পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ বলেন, দর্শকের সঙ্গে চ্যানেল আই’র সেতুবন্ধন ও পারস্পরিক যোগাযোগ এখন অনেক বেশি সম্প্রসারিত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক ও ইউটিউবেও কোটি দর্শকের কাছে সবসময় পৌঁছে যাচ্ছে চ্যানেল আই।
 
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ১ অক্টোবর দিনভর নানা আয়োজন করেছে চ্যানেল আই যেখানে সমাজের বরেণ্যজনরা অংশ নেবেন।
 
১৯৯৯ সালের ১ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে চ্যানেল আই। দুই বছর পর এদিন চালু হয় সংবাদ। আর ২০১৫ সালের ২০ এপ্রিল যাত্রা শুরু করে চ্যানেল আই অনলাইন।
শাহাদাৎ আশরাফ শাহাদাৎ আশরাফ

Leave a Reply

Top
%d bloggers like this:
Web Design BangladeshBangladesh Online Market