আজ শনিবার, ২১ জুলাই ২০১৮ ইং, ০৬ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



ডঃ রাজীব হুমায়ুন ও কিছু স্মৃতি

Published on 06 July 2017 | 3: 12 am

কামাল পাশা :::::::


ডঃ রাজীব হুমায়ুন, ৫ জুলাই ২০১৭ রাত ২.৩০ মিনিটে এপোলো হাসপাতাল ইন্তেকাল করেন । উনি বেশ কয়েক বছর আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। উন্নত চিকিত্‍সার জন্য ভারতে যান। কিন্তু চিকিত্‍সা শেষে দেশে ফেরার পর তাঁর স্বাস্থ্য আরো খারাপ হয়ে যায় অনেকটা paralyzed, কথায়ও জড়তা আসে। সাউথ সন্দ্বীপ হাই স্কুলের প্রাক্তন এই মেধাবী ছাত্র ঢাকাস্হ সাউথ সন্দ্বীপ হাই স্কুল প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদের সঙ্গে জড়িত ছিলেন । তিনি একজন ভাল ফুটবলারও ছিলেন ।
আমাদের পরিবারের সাথে বিশেষভাবে আমার মরহূম বাবার সাথে ওনার বড় ভাই বাংলাদেশের জীবন বীমার প্রথম ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামশুল হুদা, বাংলাদেশ বেতারের পরিচালক মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হুদা (কামাল), হোমিও চিকিত্সক কাউচারের ছিল heart to heart সম্পর্ক। ওনারা সবাই প্রয়াত। ১৯৭৮ সালে ছাত্রলীগের সম্মেলনে আমরা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করি মাত্র ১৫ জন। হঠাৎ বিকাল বেলা নীলক্ষেতের মোড়ে রাজীব হুমায়ুনের সংগে দেখা । কুশলাদি জিজ্ঞাসা শেষে অনেক অনেক মিষ্টি খাওয়ালেন। পকেটে টাকা পয়সা আছে কিনা জানতে চাইলেন । intelligenceএর লোকজন চারদিকে ঘুরঘুর করছে, সাবধানে থাকারও পরামর্শ দিলেন।

রাজীব হুমায়ুন সাহেব ছাত্র জীবনে ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতির সমর্থক ছিলেন। ওনার মুক্তিযোদ্ধা ছোট ভাই জসিম উদ্দিনও চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্র ইউনিয়নের প্রথম সারির নেতা ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধে আল বদরের হাতে নিহত হন তিনি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসাবে আসার পর সম্পর্কটা আরো গভীরতা পায় । শহরে ব্যাটারি গলির বাসায় রীতিমত যাতায়াত, খাওয়া দাওয়া, আড্ডা হত ।

অত্যন্ত সদালাপি, সহজ, সরল, প্রাণ খোলা মুক্ত মনের একজন নিরংকারি শিক্ষক, ভাই, বন্ধু, হিতাকাংখি ।
আমাদের স্মৃতি রহৃদয়ে বেঁচে থাকুন হাজার বছর। আল্লাহ মরহুমকে জান্নাত দান করুন ।


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন