আজ শনিবার, ২৩ জুন ২০১৮ ইং, ০৯ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



বনানীর আরেকটি হোটেলে ধর্ষণের অভিযোগ

Published on 22 May 2017 | 2: 50 pm

 

বনানীর রেইনট্রি হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর এবার সেখানকার আরেকটি হোটেলে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

গত বছরের নভেম্বর মাসে এই ঘটনা ঘটে। আজ সোমবার বনানী থানায় একটি মামলা করেছেন ওই তরুণী।

বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল মতিন  জানান, ২০১৬ সালের ১৭ নভেম্বর বনানী থানা এলাকায় অবস্থিত হোটেল জাকারিয়া ইন্টারন্যাশনালে ২৯ বছর বয়সী এক তরুণীকে ধর্ষণ করা হয় উল্লেখ করে মামলাটি করা হয়েছে। ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এই মামলার নম্বর ২৯।

মামলার পর ওই নারীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলেও জানান আবদুল মতিন।

তবে ধর্ষণ বা মামলার বিষয়ে কিছুই জানে না হোটেল জাকারিয়া ইন্টারন্যাশনাল কর্তৃপক্ষ। সন্ধ্যায় হোটেলটির রিসিপশনিস্ট মোহাম্মদ আরিফ  বলেন, ঘটনা সম্পর্কে তাঁরা এখন পর্যন্ত কিছু জানেন না। তাঁর দাবি, এমন কোনো ঘটনা তাঁদের হোটেলে ঘটেনি। কারণ, স্বামী-স্ত্রী পরিচয় ছাড়া এখানে কাউকে কক্ষ ভাড়া দেওয়া হয় না।

এর আগে বনানীর রেইনট্রি হোটেলে জন্মদিনের পার্টিতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ এনে গত ৬ মে বনানী থানায় মামলা করেন এক ছাত্রী। মামলার আসামিরা হলেন আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন ও দেহরক্ষী রহমত উল্লাহ ওরফে আবুল কালাম আজাদ।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ২৮ মার্চ রাত ৯টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত আসামিরা মামলার বাদী এবং তাঁর বান্ধবী ও বন্ধু শাহরিয়ারকে আটক রাখেন।

অস্ত্র দেখিয়ে ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। বাদী ও তাঁর বান্ধবীকে জোর করে ঘরে নিয়ে যান আসামিরা। বাদীকে সাফাত আহমেদ একাধিকবার এবং বান্ধবীকে নাঈম আশরাফ একাধিকবার ধর্ষণ করেন। আসামি সাদমান সাকিফকে দুই বছর ধরে চেনেন মামলার বাদী। তাঁর মাধ্যমেই ঘটনার ১০-১৫ দিন আগে সাফাতের সঙ্গে দুই ছাত্রীর পরিচয় হয়।

লোকলজ্জার ভয়ে প্রথমে মামলা না করলেও ঘটনার ৪০ তিন পরে লোকলজ্জার ভয় এবং মানসিক অসুস্থতা কাটিয়ে আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে মামলার সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান নির্যাতিত দুই ছাত্রী।


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন