আজ বুধবার, ২৩ মে ২০১৮ ইং, ০৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



সন্দ্বীপে বিভিন্ন স্কুলে কোচিং এর নামে চলছে জমজমাট ব্যবসা : অভিবাবকরা ক্ষুদ্ধ

Published on 09 May 2017 | 11: 55 am

 সোলানী নিউজ ডেস্কঃ সারাটা বছর অক্লান্ত পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে স্কুলে ক্লাস করে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যে কিছু দিন বছরের মাথায় বন্ধের ছুটি পায় যেমন গ্রীষ্মকালের, ঈদ উপলক্ষ্যে, সরকারি ছুটি সহ ইত্যাদি ইত্যাদি। ইদানিং বন্ধ গুলোতে শিক্ষার্থীদের আনন্দ করতে না  দিয়ে বাধ্যতামূলকভাবে কোচিং করানোর অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে।
জানা গেছে  শিক্ষার্থীদের কাছ  থেকে কোচিং ফি এর নামে জনপ্রতি ৩০০ – ৪০০ টাকা নেয়া হয়। ওই শিক্ষার্থীরা কোচিং করুক বা না করুক টাকা বাধ্যতামূলক পরিশোধ করতে হয়। এটা কেমন অন্যায় অভিচার শিক্ষার্থীদের উপর? সারাটা বছর কোচিং নিচ্ছে। কিন্তু শিক্ষার্থীরা কিছু শিক্ষতে পারছে কিনা তা যাচাই করা হচ্ছে না।
একজন শিক্ষার্থী পড়ালেখা কতটুকু মনোযোগী হতে পারবে? সকাল ৮ টা থেকে যদি কোচিং হয় ১০ টা পর্যন্ত। তারপর স্কুলের ক্লাস ১০ টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। বেশ কয়েকজন অভিবাবক সোনালী নিউজকে জানান ‘মনে হয় না তারা (শিক্ষার্থীরা) কিছু শিক্ষতে পারছে।
একজন অভিবাবক আক্ষেপের সুরে বলেন- কোচিং এর মাধ্যমে আমাদের সন্তানরা যদি  সব কিছু শিখতে পারত  তাহলে ১০০% পাশ হচ্ছে না কেন? বছর শেষ তো দেখা যায় রেজাল্টর করুণ চিত্র। শিক্ষকেরা যদি ক্লাসে ভালো ভাবে পাঠে মনোযোগী করে পড়াতে পারেন তাহলে আমার থেকে মনে হয় কোচিং এর কোন প্রয়োজন নেই? তাহলে কেন শুধু শুধু কোচিংএর নামে টাকার ধান্ধা করছেন? এখানে ৩০০ – ৪০০ টাকা করে নিচ্ছেন আপনারা। কিন্তু সবার কি দেওয়ার সামর্থ্ আছে? আপনাদের (শিক্ষকদের) বিবেক কি বলে? অথচ আপনি কি করেন ? যে খেটে খাওয়া মানুষ তার থেকেও ৩০০ – ৪০০ টাকা করে নিচ্ছেন। আপনাদের টাকার কি এত প্রয়োজন? পারলে এভাবে শিক্ষার নামে ব্যবসা না করিয়ে পথে পথে ভিক্ষা করেন সেটা আপনার জন্য ভালো হবে। কিছু অসহায় মানুষ আছে তাদের ছেলে – মেয়ে পড়ালেখা করাতে দিচ্ছে কিছু শিক্ষার জন্য জানার জন্য কিন্তু এইভাবে অসহায় মানুষগুলোর প্রতি অন্যায় অভিচার করতে থাকলে তারা কিভাবে শিক্ষা অর্জন করতে পারবে। তারা তো টাকার অভাবে পড়ালেখা ছেড়ে দিয়ে চলে যাবে। কারন তাদের সহপাঠিরা টাকা দিচ্ছে তারা দিতে পারছে না এই লজ্জাতে সে স্কুল আসাও ছেড়ে দিবে। তাই আপনাদের কাছে একটা অনুরুধ প্লিজ আপনারা এই ব্যবসা বন্ধ করুন। কিছু কিছু কোমলমতি ছাত্র – ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ এভাবে নষ্ট করবেন না।


Advertisement

আরও পড়ুন