আজ শনিবার, ২৬ মে ২০১৮ ইং, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



জাতীয় ওষুধ নীতিমালা খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

Published on 20 December 2016 | 7: 47 am

প্রতি বছর অন্তত একবার ওষুধের মূল্য তালিকা হালনাগাদ করে জনগণের অবগতির জন্য সব ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে খুচরা মূল্য প্রকাশ করা হবে। সরকারই জনস্বার্থ বিবেচনা করে ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা নিয়মিত হালনাগাদ করবেএমন শর্ত রেখেই অনুমোদন দেয়া হয়েছে জাতীয় ওষুধ নীতিমালা২০১৬। গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ ‘জাতীয় ওষুধ নীতি, ২০১৬’ অনুমোদন পায়। সরকার এখন এ নীতিমালা প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করবে।

সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের জানান, ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণ এবং ওষুধ তৈরি, বিক্রি ও আমদানিতে আরও বেশি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় একটি নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ গঠনের সুযোগ তৈরি করে জাতীয় ঔষুধ নীতি অনুমোদন করেছে সরকার। তিনি বলেন, এই কর্তৃপক্ষের নাম হবে জাতীয় ওষুধ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ। এই কর্তৃপক্ষ ওষুধের মান থেকে শুরু করে কঁাঁচামাল ও অন্যান্য সরঞ্জামের মান দেখবে। বর্তমানে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর এবং ওষুধ প্রশাসন পরিদপ্তর এসব বিষয় দেখভাল করে।

মন্ত্রি পরিষদ সচিব বলেন, এখন ১২২টি দেশে বাংলাদেশের ওষুধ যাচ্ছে। ফলে মান নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। ২০০৫ সালে সর্বশেষ জাতীয় ওষুধ নীতি করা হয়েছিল। এর মধ্যে অনেক কিছুর পরিবর্তন হওয়ায় নতুন করে এই নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, নতুন ওষুধ নীতির আওতায় বিদ্যমান আইন ও বিধিমালা সংশোধন করা হবে। ‘কার্যকর, নিরাপদ ও মানসম্পন্ন’ ওষুধের সহজলভ্যতা এবং ওষুধের যৌক্তিক ও নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সব ওষুধ নিবন্ধন করতে হবে। এছাড়া নকল, ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ প্রস্তুত, বিক্রি ও বিতরণ রোধসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে নীতিতে বিস্তারিত বলা রয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান।

তিনি বলেন, ওষুধ নির্বাচন, পরিমাণ নির্ধারণ, ওষুধ সংগ্রহ, মজুদ ও বিতরণ, ওষুধের বিজ্ঞাপন ও প্রচার নিয়ন্ত্রণ, স্বচ্ছ ও যৌক্তিকভাবে ওষুধের মূল্য নির্ধারণ, দেশে নতুন প্রযুক্তি ও কারিগরি জ্ঞান স্থানান্তর, ওষুধ গবেষণা উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়েও নীতিতে বলা হয়েছে। কেউ ওষুধের অতিরিক্ত দাম নিলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


Advertisement

আরও পড়ুন