আজ শনিবার, ২৩ জুন ২০১৮ ইং, ০৯ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সূবর্ণ জয়ন্তী

Published on 15 December 2016 | 2: 12 am

:: অধ্যাপক আয়েশা পারভীন চৌধুরী ::

দেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ এবং গুরুত্বপূর্ণ উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান, আমাদের গর্ব ও ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের ৫০ বছর পূর্তি একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশ ও বিশে^র একটি অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই বিশ^বিদ্যালয় যুগ যুগ ধরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে। ১৯৬৬ সালের ১৮ই নভেম্বর থেকে এ সুদীর্ঘ ৫০ বছর ধরে চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় দেশে যোগ্য, দক্ষ ও আলোকিত মানব সম্পদ উৎপাদনের মাধ্যমে দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও ভূমিকা রেখে চলেছে। মহান মুক্তিযুদ্ধেও এ বিশ^বিদ্যালয়ের সদস্যদের অসামান্য অবদান ও গৌরব গাঁথা দেশ ও জাতির ইতিহাসে চিরস্মরনীয় হয়ে আছে। এ বিশ^বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা আজ দেশ বিদেশে উচ্চপদে মর্যাদাসীন থেকে বিভিন্ন পর্যায়ে দক্ষতার সাথে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এই বিশ^বিদ্যালয়ে অনেক উল্লেখযোগ্য প্রাক্তন শিক্ষক শিক্ষার্থী শিক্ষাগ্রহণ ও অধ্যাপনা করেছেন যার মধ্যে ১ (এক) জন নোবেল জয়ী এবং একাধিক একুশে পদক বিজয়ীও অন্তর্ভূক্ত রয়েছেন। কিন্তু আমাদের এই গর্বের ধন এবং শিক্ষার আলো জ¦ালিয়ে যে প্রতিষ্ঠানটি বিশ^ব্যাপী নাম ও সুখ্যাতি ছড়িয়ে যাচ্ছে সেই প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠার পিছনের ইতিহাস অনেকেরই অজানা। চট্টগ্রাম শহর থেকে সেই সুদূর হাটাজারীর পাহাড় ঘেরা গ্রাম্য পরিবেশে কীভাবে এই বিশ^বিদ্যালয়টির ভিত্তি স্থাপন হয়েছিল তার অতীত জানার আগ্রহেই এই লিখা।
বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে চট্টগ্রাম বিভাগে কোন বিশ^বিদ্যালয় না থাকায় চট্টগ্রামের অধিবাসীরা স্থানীয়ভাবে একটি বিশ^বিদ্যালয়ের প্রয়োজন অনুভব করে। ১৯৪০ সালের ২৮ ডিসেম্বর কলকাতায় অনুষ্ঠিত জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সর্বভারতীয় সম্মেলনে মাওলানা মুরিরুজ্জামান ইসলামবাদী সভাপতির ভাষণে চট্টগ্রাম অঞ্চলে একটি “ইসলামিক ইউনিভার্সিটি” নির্মাণের কথা উপস্থাপন করেন এবং এই লক্ষ্যে তিনি চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার দেয়াং পাহাড়ে বিশ^বিদ্যালয় নির্মাণের জন্য ভূমি ক্রয় করেন। দুই বছর পর ১৯৪২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি নূর আহমদ বঙ্গীয় আইন পরিষদে চট্টগ্রামে একটি বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আনুষ্ঠানিক দাবি উত্থাপন করেন।

ষাটের দশকে তৎকালীন পাকিস্তানের দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৬০-১৯৬৫) প্রণয়নকালে চট্টগ্রামে একটি বিজ্ঞান বিশ^বিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় নির্মাণের স্থান হিসেবে শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত চট্টগ্রাম সরকারি কলেজকে সম্ভাব্য ক্যাম্পাস হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। ১৯৬২ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনশিক্ষা উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফেরদৌস খান চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার একটি প্রাথমিক খসড়া পরিকল্পনা তৈরী করেন। একই বছর ১৯৬২ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় ফজলুল কাদের চৌধুরী এই বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সাধারণ প্রতিশ্রুতি দেন এবং নির্বাচন পরবর্তীকালে তিনি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী নির্বাচিত হলে চট্টগ্রামে বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

চট্টগ্রাম সরকারি কলেজের স্থানে এই বিশ^বিদ্যালয় স্থাপনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হওয়ার পর ১৯৬১ সালের  ৭ মে চট্টগ্রামের নিবাসির উদ্যোগে স্থানীয় মুসলিম হলে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ প্রধান অতিথির ভাষণে চট্টগ্রামে একটি বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পক্ষে মত প্রকাশ করেন এবং তা বাস্তবায়নের পক্ষে “চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় সংগ্রাম পরিষদ” গঠন করেন। পরবর্তীকালে ১৯৬২ সালের ৩০ ডিসেম্বর “চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ” নামে আরেকটি পরিষদ গঠিত হয়। এই সকল সংগঠনের উদ্যোগে বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ ও স্মারকলিপি প্রদান, পত্রপত্রিকায় বিবৃতি, সেমিনার অনুষ্ঠিত হতে থাকে। সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে ১৯৬২ সালের ৯ ডিসেম্বর লালদিঘী ময়দানে এক জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৬৩ সালের ৮ জানুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে চট্টগ্রামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট পালিত হয়।

১৯৬৩ সালের ২৯ নভেম্বর ফজলুল কাদের চৌধুরী পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার মনোনীত হন। ১৯৬৩ সালের ২২ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খানের অনুপস্থিতিতে মন্ত্রীসভার এক বৈঠকে সভাপতিত্বকালে ফজলুল কাদের চৌধুরী কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী এ.টি.এম মোস্তফাকে চট্টগ্রামে বিশ^বিদ্যালয় স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। ১৯৬৪ সালের ৯ মার্চ তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের বৈঠকে চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ মঞ্জুর করা হয়। এরপর ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য ডক্টর এম ওসমান গণিকে চেয়ারম্যান এবং ডক্টর কুদরাত-এ-খুদা, ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, এম ফেরদৌস খান ও ডক্টর মফিজউদ্দীন আহমদকে সদস্য নির্বাচন করে বিশ^বিদ্যালয়ের “স্থান নির্বাচন কমিশন” গঠিত হয়। এই কমিশন সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে হাটহাজারী উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের নির্জন পাহাড়ি ভূমিকে প্রস্তাবিত বিশ^বিদ্যালয়ের স্থান হিসেবে সুপারিশ করে। ১৯৬৪ সালের ১৭-১৯ জুলাই পাকিস্তানের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ফজলুল কাদের চৌধুরীর সভাপতিত্বে ইসলামাবাদে জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের সভায় “স্থান নির্বাচন কমিশন” এর সুপারিশের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং চূড়ান্ত অনুমোদন প্রদান করা হয়।
১৯৬৪ সালের ২৯ আগষ্ট পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। ১৯৬৫ সালের ৩ ডিসেম্বর রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ও বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরের প্রাক্তন কিউরেটর ড. আজিজুর রহমান মল্লিক (এ আর মল্লিক) কে চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের প্রকল্প-পরিচালক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। এরপর আজিজুর রহমান মল্লিক চট্টগ্রাম শহরের নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটির ৩নং সড়কের “কাকাসান” নামের একটি ভবনে চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় প্রকল্পের অফিস স্থাপন করেন। স্থপতি মাজহারুল ইসলামের “বাস্তকলা” প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিশ^বিদ্যালয়ের একটি মাষ্টারপ্ল্যান তৈরি করা হয়। প্রাথমিকভাবে ১টি দ্বিতল প্রশাসনিক ভবন, বিভাগীয় অফিস, শ্রেণিকক্ষ ও গ্রন্থগারের জন্য একতলা ভবন তৈরি করার পাশাপাশি শিক্ষক ও ছাত্রদের আবাসনের ব্যবস্থাও করা হয়।

বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় আরো যাদের অবদান স্মরণীয় তাদের মধ্যে অন্যতম- তৎকালীন এম.পি.এ. জনাব এ.কে. এম ফজলুর কবীর চৌধুরীর, অধ্যাপক আহমদ হোসেন, অধ্যাপক এ.বি.এম. সুলতানুল আলম চৌধুরী , বাদশা মিয়া চৌধুরী এম.কম, টি.কে, চট্টগ্রাম ল কলেজের অধ্যক্ষ এ্যাডভোকেট ইউ,এন. ছিদ্দিকী , রফিকউল্লাহ চৌধুরী বি.কম, ডা: এম.এ. মান্নান ও মি. এইচ.এম.এ সগীর ,গর্ভনর জাকির হোসেন, শেখ রফিকউদ্দীন আহমদ ছিদ্দিকী, প্রিন্সিপাল এ.এ. রেজাউল করিম, ব্যারিষ্টার সাইফুদ্দিন আহমদ ছিদ্দিকী, মির্জা মোহাম্মদ ইস্পাহানী, আবুল খায়ের ছিদ্দিকী, জহুর আহমদ চৌধুরী, ড. এনামুল হক, ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আবদুল খালেক, আবদুল্লাহ আল ছগীর, এড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, এম.এ আজিজ, মইনুর রহমান চৌধুরী, মোহাম্মদ খালেক, এড. সুলতান আহমদ, এম.এ জলিল চৌধুরী প্রমুখ।
১৯৬৬ সালের ২ নভেম্বর মাত্র ২০০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে এই বিশ^বিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে এটি একটি উচ্চশিক্ষা ও উন্নতশিক্ষার আধারে পরিণত হয়েছে। বাংলা, ইংরেজী, ইতিহাস এবং অর্থনীতি বিভাগ নিয়ে এই বিশ^বিদ্যালয়ের চলা শুরু হলেও পরবর্তীতে শিক্ষা, চিকিৎসা, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং আইন বিভাগ সংযুক্ত করে এর পরিধি বৃদ্ধি করা হয়েছিল। তবে ঐ সময়ে উপযুক্ত পরিবেশ ও সুযোগ সুবিধার অভাবে বিশ^বিদ্যালয়ের বাহিরে কলেজ পর্যায়ে পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করতে হয়েছিল। বিশে^র অন্যান্য বিশ^বিদ্যালয়ের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের র‌্যাঙ্কিং ৪৬৮২ তম এবং দেশের অন্যান্য বিশ^বিদ্যালয়ের মধ্যে এর র‌্যাঙ্কিং ১৪ তম। এখানে প্রায় ২৪২৮৩ জন শিক্ষার্থী , ৮৬২ জন শিক্ষক এবং  ৩১১ জন প্রশাসনিক কর্মকর্তা , অনুষদ ৭টি,বিভাগ     ৫২টি,গবেষণা কেন্দ্র     ৫টি,
৬টি ইনষ্টিটিউট রয়েছে ।
সকল দল-মতের ঐক্যের ভিত্তিতে প্রানপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় এর সূবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনের ঘোষণার দিন থেকেই প্রাক্তন ছাত্র/ছাত্রীদের মাঝে দেখা যায় এক ধরনের উৎসবের আমেজ। জাকঝমকপূর্ণ ও আনন্দময় এই দিনটি উদযাপনের জন্য প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে গড়ে উঠেছে একটি বন্ধন যা কীনা দিনটিকে একটি মহা মিলনমেলায় পরিণত করতে যাচ্ছে। এই মহামিলনের আনন্দের বার্তা আজ দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে। যারা যারা ইতিমধ্যে নিমন্ত্রণ পত্র হাতে পেয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার একটি ছবি পোষ্ট করে সকলের মাঝে সেই আনন্দ ছড়িয়ে দিয়েছে। এই মহা মিলনের মাধ্যমে শুধু পুরাতন ও নতুন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাক্ষাতই হবে না, তাদের মধ্যে ভাবের আদান-প্রদানও হবে তাতে উভয় পক্ষই অনেক ক্ষেত্রে সম্মৃদ্ধ হতে পারে। চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র/ছাত্রীরা বিভিন্নভাবে প্রতিষ্ঠিত ও প্রশংসিত হয়ে শুধু বিশ^বিদ্যালয়ের নাম উজ্জ্বল করেনি বরং দেশের বাহিরে আমাদের শিক্ষা ও দক্ষ মানব সম্পদের পরিচয় তুলে ধরেছে। আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকলেও উপযুক্ত পরিচর্যার ফলে দেশের শিক্ষার্থীরা অনেক দূর এগিয়ে যেতে যে সক্ষম চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। শিক্ষার আলোর মিছিল নিয়ে এই বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিচরণ এই দেশ ও জাতিকে বিশ^ দরবারে সমাদৃত করেছে। স্বাধীনতার পূর্ব সময় থেকে আজ অবধি সকল রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনের প্রাণ কেন্দ্র এই চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় কখনো কখনো অপরাজনীতির শিকার হয়েছে। এতে অনেক শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবনের অনেক সুন্দর সময় নষ্ট হয়েছে, অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীর মেধা বিকাশের পথ বাধাগ্রস্থ হয়েছে। এমনকি অনেক মায়ের আদরের সন্তান প্রাণ হারিয়েছে। জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার যে শপথ নিয়ে চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় এর যাত্রা শুরু হয়েছিল সেই যাত্রায় যেন কোন ধরনের ছন্দ পতন না হয় সেটাই সকলের কাম্য। কোন ধরণের অপরাজনীতির চর্চার কেন্দ্র হিসেবে নয়, আধিপত্য বিস্তারের ক্ষেত্র হিসেবে নয়, শক্তি ও ক্ষমতা প্রদর্শনের স্থান হিসেবে নয় বরং সুস্থ ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে রচিত রাজনৈতিক চর্চার কেন্দ্র হিসেবে, উচ্চ ও উন্নত শিক্ষার বিদ্যাপীঠ হিসেবে এবং সত্যিকারের মানুষ গড়ার বিশ^বিদ্যালয় হিসেবে এর উত্তর উত্তর সাফল্য বৃদ্ধির শপথই হোক এই সূবর্ণ জয়ন্তী উদ্যাপনের মূল উদ্দেশ্য।
 লেখকঃ শিক্ষার্থী,২৩ তম ব্যাচ, ইংরেজী বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়।
 কলামিস্ট ও শিক্ষক, ইংরেজী বিভাগ, ডাঃ ফজলুল-হাজেরা ডিগ্রী কলেজ, চট্টগ্রাম।


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন