আজ মঙ্গলবার, ১৯ জুন ২০১৮ ইং, ০৫ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



চট্টগ্রাম জেলা পরিষদে প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে স্বরনীয় সন্দ্বীপের এডভোকেট একে এম শামসুল হুদা এমপি

Published on 01 December 2016 | 5: 38 am

:: লিও রিয়াদ রহমান ::

চট্টগ্রাম জেলাধীন সন্দ্বীপ উপজেলা ১৫ নং মাইটভাংগা ইউনিয়নের সুযোগ্য সন্তান প্রয়াত এডভোকেট এ কে এম শামসুল হুদা সাহেব সাবেক জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংসদীয় এলাকা চট্টগ্রাম ৩ এর অন্যতম সন্তান ও জেলা নির্বাচনে প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে সন্দ্বীপ বাসীকে অলংকিত করে রেখেছিলেন। যা সন্দ্বীপবাসীর জন্য গর্ব ছিলো। এমন কি সন্দ্বীপ বাসীর জন্য এবং চট্টগ্রামবাসীর কাছে ইতিহাসের পাতায় স্বরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশে জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন।

তিনি তার সু -দক্ষ কর্মকান্ড দিয়ে সন্দ্বীপে’র মধ্যে সৎ যোগ্য নেতৃত্ব গড়া সহ উন্নয়নমুখী সন্দ্বীপ গড়া’র স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। যা চির স্বরনীয়।কিন্তু তিনি কোনো ক্যাডার বাহিনী তৈরী করেন নি ও পারিবারিক রাজনীতি জন্ম দেননি।এবং সন্দ্বীপে কোনো গ্রুপিং তৈরী করে যাননি, প্রতিপক্ষকে দমনের রাজনীতি করেননি এবং পশ্রয় দেননি। ওনার সু-শাসনের পর সন্দ্বীপ থেকে তেমন কোনো শিক্ষিত ও যোগ্য সৎ ভদ্র সমাজ গড়া’র মনমানসিকতার নেতৃত্ব সৃষ্টির প্রয়োজনে তেমন নেতা গড়ে উঠতে পারেনি। যা একমাত্র পেশীশক্তির মাধ্যমে সন্দ্বীপ বাসীকে দমন করার রাজনীতি সৃষ্টি হয়েছে।এসব একমাত্র ভেজাবিড়াল রাজনীতিবিদদের কারনে।

বর্তমানে সন্দ্বীপ উপজেলা রাজনীতি প্রেক্ষাপট আলোচনায় করলে তরুন প্রজন্ম সন্দ্বীপ রাজনীতিবিদদের থেকে শিখার কিছু নেই। যা একটু সৎ চিন্তা দিয়ে বিবেচনা করলে সন্দ্বীপের রাজনীতির অংকে সহজে মিল খুজে পাওয়া যায়। একটু লক্ষ্য করলে দক্ষিণ বাংলাদেশে সন্দ্বীপে কোনো সভ্য মনমানসিকতা দিয়ে রাজনীতি চর্চা হয় কিনা সন্দেহ। সন্দ্বীপে বর্তমানে কোনো যোগ্য নেতা সৃষ্টি হচ্ছে না তার কারন সন্দ্বীপে রাজনীতি নেতৃত্বের মধ্যে সৎ ইচ্ছার বড় অভাব। যদিও সচেতন মহল জানে রাজনীতি মানে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার একমাত্র প্রয়াস । কিন্তু সমগ্র সন্দ্বীপের রাজনীতি চিত্রটা বড় ভয়ংকর।

আজ পরিতাপের বিষয় হচ্ছে সন্দ্বীপের জনগণের অধিকার আদায়ের কথা প্রায় নেতারা ভূলে গেছেন। যা সততার ভাটা পড়ার কারনে।
এমন কি সন্দ্বীপে সৎ রাজনীতি চর্চা হয় বলে সন্দ্বীপের সচেতনরা আদৌ মনে করে না এজন্য যে, সাবেক সোনালী সন্দ্বীপে বার বার হত্যা, লুট, ধর্ষনের ঘটনা সহ সন্ত্রাসীদের তান্ডব, এবং যোগ্য নেতৃত্বস্থানীয়দের প্রতি অমানবিক নির্যাতন সহ ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনেরঅনিয়ম সহ অবমাননা করা হচ্ছে। এসবের তথ্য সন্দ্বীপের জনগণের কাছে আছে ।একটি কথা কি সমগ্র সন্দ্বীপের সাবেক যে সকল সন্মানিত নেতৃত্বধারীরা ছিলেন তারা সন্দ্বীপ গড়া’র রাজনীতি ও সৎ যোগ্যদের কে আসন সৃষ্টির রাজনীতি করতেন ও বাস্তবে করেছেন।

কিন্তু বর্তমান সন্দ্বীপের রাজনীতি এক ধরনে পারিবারিকতন্ত্রে প্রতিষ্ঠা করার পিছনে দৌড়াচ্ছে বলে অর্থ উপার্জনকে কেন্দ্র করে সমগ্র সন্দ্বীপের তরুন প্রজন্ম কে আজ বিনষ্ঠ করছেন ও পারিবারিক শেকড়কে শক্তিশালী করার পিছনে রাজনীতি চালাচ্ছে। সন্দ্বীপে সাবেক রাজনীতি ব্যক্তিত্বধারীদের মধ্যে যদি আলোচনা করি তারা সকলে সর্বস্তরে জনগণের কাছে অবিস্বরণীয় হয়ে আছেন সন্দ্বীপের জনমতে।এবং সন্দ্বীপের বর্তমান নেতাদের আদর্শত, চরিত্র ও দেশ প্রেম নিয়ে যদি প্রশ্ন আসে বা আলোচনা আসে তা সন্দ্বীপ বাসীর কাছে বড় প্রশ্ননবোধক। কারন সন্দ্বীপে কোনো সৎ রাজনীতি চর্চা নেই। এসবের একমাত্র কারন গ্রুপিং রাজনীতি।

গ্রপিং রাজনীতির ফলে সন্দ্বীপের সাধারন জনগণ বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। তাই যারা গ্রুপিং করে সন্দ্বীপের রাজনীতি করছেন তারা সন্দ্বীপের বিষধর সাপ। এছাড়া কোনো ভদ্র সমাজ সন্দ্বীপে রাজনীতিতে আসুক তা সন্দ্বীপে কোনো দমন রাজনীতি পরিবার চাই না। বরং দমন করার পিছনে দৌড়ায়। এবং অর্থ দিয়ে/নিয়ে চরিত্র বিক্রির রাজনীতি বেড়াজালে আবদ্ধ হচ্ছে নেতারা। তাই সন্দ্বীপের ভাগ্য পরিবর্তনের প্রয়োজনে যোগ্যদের হাতকে শক্তিশালী করার প্রয়োজন। সকল নেতৃবৃন্দ ও জনগণ সু-বুদ্ধি দিয়ে বিবেচনাকে কাজে লাগিয়ে মনগড়া মনোভাব পরিহার করে সৎ রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করা জরুরী। সাবেক নেতৃবৃন্দদের মতো যোগ্য নেতা বিবেচনা করে নতুন করে যোগ্যদের হাতকে শক্তিশালী করার বিকল্প নেই।

যাই হোক সন্দ্বীপের স্বার্থে এবারকার জেলা পরিষদ নির্বাচনে সৎ শিক্ষিত ও যোগ্য তা কে বিবেচনা করে ও যাদের দ্বারা উন্নয়ন হবে এবং গ্রুপিং মুক্ত ব্যক্তিত্ব কে মূল্যয়ন করবেন মাননীয় ভোটারগণরা। আর মাননীয় ভোটারগনরা যাকে জেলা মেম্বার হিসেবে তৈরী করবেন তিনি যেনো সুনামের পাত্র হয়ে সন্দ্বীপকে পুরো দেশের মানুষের মাঝে সন্দ্বীপের সুনাম পোঁছে দিতে পারবেন। এবং জনগণের সকল স্বার্থ আদায় করতে পারবেন এমন ধরনে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচিত হউক সন্দ্বীপের জনগণ তাই চাই । সময় এসেছে জেলা পরিষদ নির্বাচনের মাধ্যম দিয়ে সন্দ্বীপের উন্নয়নের স্বার্থে সকল নেতৃবৃন্দদের আর ছাড় দেওয়ার সুযোগ করবেন না। এবং মনগড়া নেতৃত্ব ও কোনো কোন্দল রাজনীতিতে পা রাখবেন না।

সন্দ্বীপের “উন্নয়নে যে কোনো ব্যাক্তির দমন রাজনীতির রাজনীতি থেকে সরে কাজ করতে হবে এবং স্বচ্চ রাজনীতি ব্যক্তিত্বের হাতকে সু নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে আধুনিক সন্দ্বীপ গড়ার সুযোগ করে দিতে হবে। সন্দ্বীপের উন্নয়নে প্রতিটি জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রেখে সন্দ্বীপের স্বার্থ রক্ষার জন্য এগিয়ে যেতে হবে এবং নেতৃবৃন্দরা অনেক আন্তরিক হয়ে কাজ করতে হবে ও সমগ্র সন্দ্বীপের উন্নয়নে সৎ যোগ্য শক্তিশালী ব্যাক্তিত্বের প্রার্থীকে জেলা প্রতিনীধ হিসেবে নির্বাচিত করতে হবে।

জেলা পরিষদ নির্বাচনে সন্দ্বীপের সর্বস্তরের জনগণ স্থানীয় প্রতিনীধিদের উপর ছেড়ে দিয়েছেন বলে আপনারা সু- বিবেচক বলে কোনো অর্থ অপশক্তির কাছে পরাজয় না হয়ে যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচিত করবেন।।

জয় হোক তারণ্যর, জয় হোক সন্দ্বীপবাসী।

———————————————————-

:: সময় সন্দ্বীপের সৌজন্যে ::

 

 


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন