আজ শনিবার, ১৮ আগষ্ট ২০১৮ ইং, ০৩ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



মেজর এ.কে.এম আসাদুল হক (১৯২৮-১৯৭১) চিকিৎসক, সামরিক কর্মকর্তা, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ

Published on 27 November 2016 | 8: 07 am

[আগামী ১ ডিসেম্বর সন্দ্বীপের কৃতি সন্তান ডা. (মেজর) এ কে এম আসাদুল হক এর ৮৮ তম জন্ম দিন। একাত্তরের শহীদ এই মহান চিকিৎসকের প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন স্বরূপ ইতি মধ্যে তাঁকে নিয়ে প্রকাশিত লেখা সমূহ সোনালী নিউজে ধারাবাহিক ভা্বে প্রকাশ করা হবে। আজ প্রকাশিত হল ৩য় পর্ব]   – সম্পাদক, সোনালী নিউজ

হক, মেজর এ.কে.এম আসাদুল (১৯২৮-১৯৭১)  চিকিৎসক, সামরিক কর্মকর্তা, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ। জন্ম ১৯২৮ সালের ১ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার সন্তোষপুর গ্রামে। পিতা মৌলবি সৈয়দ আহমেদ। আসাদুল হক ১৯৪৪ সালে সন্দ্বীপের কাঠঘর হাইস্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন, ১৯৪৬ সালে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে আইএসসি পাস করেন। তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ থেকে ১৯৫২ সালে এমবিবিএস, পাকিস্তানের কোয়েটা থেকে এফসিপিএস এবং ১৯৬২ সালে ইংল্যান্ডের রয়েল কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জনস থেকে এফআরসিএস ডিগ্রি লাভ করে

আসাদুল হক ১৯৫৩ সালে পাকিস্তান আর্মি মেডিক্যাল কোরে যোগদান করেন। ১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত তিনি কোয়েটা, এবোটাবাদ, যশোর, সারগোদা, আজাদ কাশ্মীর ও মুলতানে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭০ সালে তিনি চট্টগ্রাম সেনানিবাসে এএফএমএসডি (AFMSD) কমান্ডিং অফিসার হিসেবে যোগদান করেন এবং আমৃত্যু সেখানে কর্মরত ছিলেন।

১৯৫২ সালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে ইন্টার্নি চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত অবস্থায় ভাষা আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসাসেবা প্রদানের অভিযোগে তিনি পুলিশি হয়রানির শিকার হন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সৈন্যরা চট্টগ্রাম সেনানিবাসে বাঙালি সৈন্যদের ওপর আক্রমণ চালালে আসাদুল হক বাঙালি সৈন্যদের সঙ্গে মিলে প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রতিরোধ ব্যর্থ হলে মেজর আসাদুল হক অন্য বাঙালি অফিসারদের সঙ্গে সপরিবারে বন্দি হন। তাদের সিএমএইচ-এর একটি সংক্রামক ব্যাধির ওয়ার্ডে বন্দি রাখা হয়। সেখানে আটকাবস্থায় ১৭ এপ্রিল মেজর এ.কে.এম আসাদুল হকসহ কয়েকজন অফিসারকে হত্যা করা হয়। [বায়জীদ খুরশীদ রিয়াজ]

[লেখাটি ৫ মে ২০১৪ সালে বাংলাদেশ জাতীয় জ্ঞানকোষ ‘বাংলা পিডিয়া’ য় প্রকাশিত]

 


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন