আজ রবিবার, ১৯ আগষ্ট ২০১৮ ইং, ০৪ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



ফের জ্বালানি তেলের দাম কমানোর প্রস্তাব

Published on 16 November 2016 | 4: 29 am

প্রতি লিটার অকটেন ও পেট্রল ১০ টাকা এবং ডিজেলের দাম ৩ টাকা কমানোর প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। গত সপ্তাহে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠিয়েছে।

সোমবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় কো-অর্ডিনেশন কাউন্সিলের বৈঠকে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী মাস থেকে দাম কমানোর বিষয়টি কার্যকর হতে পারে।

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, প্রস্তাবনা পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে বেশ কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর জানতে চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম এখন বৃদ্ধির দিকে, এই মুহূর্তে দেশে তেলের দাম কমালে কি ধরনের প্রভাব পড়বে। বিপিসি আয় কত কমবে? বিপিসিকে কোনো ধরনের ভুর্তকি দিতে হবে কিনা।

এছাড়া জ্বালানি তেলের দাম কমালে জনগণের জীবনযাত্রার মানে কোনো প্রভাব পড়বে কিনা ইত্যাদি। ওই কর্মকর্তা বলেন, তেলের দাম কমানোর পুরো প্রক্রিয়াটি এখন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিবেচনাধীন। গ্রিন সিগন্যাল পেলেই মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

সর্বশেষ ২৪ এপ্রিল জ্বালানি তেলের দাম কমিয়েছিল সরকার। সে সময় বলা হয়েছিল, জনজীবনে দাম কমানোর প্রভাব পরিলক্ষিত হলে আবারও দাম কমানো হবে। আগের সিদ্ধান্তটি কার্যকর করতে যাচ্ছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, জ্বালানি বিভাগ থেকে দাম কমানোর বিষয় সংক্রান্ত প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে দীর্ঘ সময় জ্বালানি তেলের দাম নিম্নমুখী অবস্থানের পর এখন কিছুটা বাড়ছে। বিশ্ববাজারে মঙ্গলবার পর্যন্ত ব্যারেলপ্রতি অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ছিল প্রায় ৪৩ ডলার। চলতি বছরে প্রথমদিকে ছিল ৩০ ডলারের কাছাকাছি। দুই বছর আগে বিশ্ববাজারে এ পণ্যটির দাম ১৩০ ডলারের বেশি অতিক্রম করেছিল।

বর্তমানে দেশে বছরে ৫৫ লাখ টন বিভিন্ন ধরনের তেল প্রয়োজন হয়। এর মধ্যে বিপিসি প্রতি লিটার অকটেন ৮৯ টাকায়, পেট্রল ৮৬ টাকায়, কেরোসিন ও ডিজেল ৬৫ টাকায় বিক্রি করছে।


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন