আজ বুধবার, ১৮ জুলাই ২০১৮ ইং, ০৩ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



যমুনা টিভির সাংবাদিকের ওপর হামলা, দুই হামলাকারী গ্রেফতার – ডিআরইউর উদ্বেগ

Published on 08 November 2016 | 3: 38 am

যমুনা টিভির রিপোর্টার শাকিল হাসান ও ক্যামেরাপারসন শাহীন আলমের ওপর হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হামলার একদিন পর সোমবার রাতে চকবাজারের দেবিদাস লেনের একটি বস্তি থেকে শাওন (২০) ও অভি (২০) নামে দুই তরুণকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হামলার কথা স্বীকার করেছে। এদিকে হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি।

চকবাজার থানার ওসি শামীম উর রশিদ সোমবার রাতে যুগান্তরকে বলেন, হামলাকারী দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার পর তারা আত্মগোপনে চলে যায়। এ ঘটনায় আরও যারা জড়িত তাদের গ্রেফতারেও অভিযান চালানো হচ্ছে।

পুলিশ জানায়, চকবাজার এলাকা থেকে হামলাকারী দুই তরুণকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মঙ্গলবার তাদের আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাওয়া হবে। গ্রেফতার দু’জন ওই এলাকার একটি পলিথিন কারখানার কর্মচারী।

রোববার সকালে রাজধানী চকবাজারের দেবিদাস লেনে অবৈধ পলিথিন তৈরি কারখানায় খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হন শাকিল হাসান ও শাহীন আলম। ঘটনার পর দুই সাংবাদিক বাদী হয়ে চকবাজার থানায় একটি হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করেন। মামলায় দু’জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এদিকে এ হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। বিবৃতিতে সংগঠনের নেতারা জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

ঢাবিতে মানববন্ধন : বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার জানান, যমুনা টিভির দুই সাংবাদিককে হত্যাচেষ্টায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়ার দাবি জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের আয়োজনে এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ঢাবি ভিসি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মফিজুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান, ঢাবি সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি হাসান নিটোল, বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী সোলায়মান নিলয়, যমুনা টেলিভিশনের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মনির হোসেন, ঢাবি সাংবাদিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন প্রমুখ।
ঢাবি ভিসি আরেফিন সিদ্দিক বলেন, সাংবাদিকরা পেশাগত কাজ করতে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় তথ্য সংগ্রহ করবে। পরে তা প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করবে। সেখানে যদি কারও বক্তব্য প্রকাশিত না হয় তাহলে প্রতিবাদলিপি পাঠাতে পারে। যদি সেটিও প্রকাশিত না হয় তাহলে প্রেস কাউন্সিলে যেতে পারে। এসব কিছু উপেক্ষা করে রোববার যে ঘটনা ঘটল তা অত্যন্ত জঘন্য ও নিন্দনীয়। এদিকে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি।


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন