আজ শনিবার, ২৩ জুন ২০১৮ ইং, ০৯ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



‘দেশের উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে’

Published on 05 November 2016 | 12: 05 pm

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকারের সঠিক নীতির কারণে দেশে ধনী-গরিবের বৈষম্য কমেছে। আমাদের নীতি দেশকে উন্নত করা, সমবায়কে বহুমুখী হিসেবে গড়ে তোলা। দেশের উন্নয়নে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

শনিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ৪৫তম সমবায় দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বহুদূর যেতে হবে। সেই লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি। সমবায় আইন যাতে সবাই বুঝতে পারে সেইভাবে বাংলায় তৈরি করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের উন্নয়ন করতে বিভিন্ন প্রকল্প আমরা হাতে নিয়েছি। প্রতিটি এলাকায় সমবায়ভিত্তিক বিভিন্ন কাজ চলছে। মৎস্য খামার, গবাদি পশু খামার, হস্তশিল্প উন্নয়ন, পরিবেশের উন্নয়ন, কুটির শিল্প, মৃৎ শিল্পের উন্নয়নে কাজ চলছে।’

শেখ হাসিনা বালেন, ‘সমগ্র বাংলাদেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে। যাতে যত্রতত্র চাষের জমি নষ্ট করে শিল্প কারখানা গড়ে না ওঠে। অর্থনৈতিক অঞ্চলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পও গড়ে উঠবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছিলাম। আর এটা এখন বাস্তব। একটা মোবাইল ফোনে পুরো বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয় চলে আসে। কোরবানির গরুও মানুষ অনলাইনে কিনতে পারে। দেশের কেউ অশিক্ষিত থাকবে না। প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ দিয়েও দক্ষ জনবল গড়ে তোলা হচ্ছে।’

বহুমুখী সমবায় বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মাইক্রো ক্রেডিটের পরিবর্তে মাইক্রো সেভিংস চালু হয়েছে। যাতে কাউকে ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে আত্মহত্যা করতে না হয়। মাইক্রো সেভিংস-এর মাধ্যমে মানুষ পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে টাকা জমা রাখতে পারবে। নিজে ২০০ টাকা জমা করতে পারলে সরকার তাকে আরো ২০০ টাকা দেবে। এভাবে দুই বছর পর্যন্ত সেবা পাবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য দেশকে এগিয়ে নেওয়ার। গৃহায়ন তহবিল থেকে টাকা দিয়ে গৃহহীন ব্যক্তিদের ঘর করে দেওয়া হচ্ছে। শ্রমিকদের জন্য মালিকেরা হোস্টেল বা ডরমেটরি নির্মাণ করতে চাইলে সরকার তাদের টাকা দেবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সমবায় নিয়ে যে যখন দায়িত্ব পেয়েছে, তা ঠিকভাবে পালন করেনি। তাই কিছু সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এখন থেকে নিবেদিত প্রাণ হিসেবে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এখন দেশে কত পরিবর্তন হয়েছে। এখন ডিজিটাল সেন্টার করে দেওয়া হয়েছে। একজন কৃষকও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তথ্য নিতে পারে। এসব সুযোগ দিয়ে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। ২০৪১ সালে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার উন্নত দেশ হবে। এক্ষেত্রে সমবায় আন্দোলনটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।’

 

 


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন