আজ বুধবার, ২০ জুন ২০১৮ ইং, ০৬ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



সাভারে কলেজ শিক্ষিকা স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা, স্বামী আটক

Published on 25 October 2016 | 4: 26 am

সাভারে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলা বিভাগে শিক্ষিকা আছমা আফরিন মিতুকে (২৮) পিটিয়ে হত্যার অভিয়োগ উঠেছে তার স্বামী মুরাদ মিয়ার বিরুদ্ধে।সোমবার রাতে সাভার পৌর এলাকার আনন্দপুর সিটি লেন এলাকায় নিহতের বাবার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় স্বামী মুরাদ মিয়াকে আটক করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ। তিনি ঢাকা জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশিনের শাখা সহকারী হিসেবে কর্মরত। নিহত শিক্ষিকার পরিবারিক সূত্রে জানা গেছে, এক বছর আগে প্রেমের সম্পর্কে সূত্র ধরে সাভারের আনন্দপুর এলাকার ব্যবসায়ী আলতাফ হোসেনের মেয়ে আছমা আফরিন মিতুর সঙ্গে চাঁদপুর এলাকার মুরাদ মিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের আগে তারা দু’জনই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন।

বিয়ের পর তারা ঢাকায় একটি ভাড়া বাসা নিয়ে বসবাস শুরু করেন। পরে আছমা আফরিন মিতু ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলা বিভাগে শিক্ষকতা শুরু করেন। কয়েক দিন আগে তারা দু’জনেই মিতুর বাবার বাড়ি আনন্দপুর এলাকায় বেড়াতে আসেন।

নিহতের মা জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে সোমবার রাত পৌনে ৮টার দিকে তার মেয়ে মিতুকে পিটিয়ে হত্যা করে মুরাদ। এরপর তার লাশ ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

এ সময় এলাকাবাসী মুরাদকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোর্পদ করে। পরে পরিবারেরর সদস্যরা মিতুকে উদ্ধার করে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ রাত ৯টায় পুলিশ শিক্ষিকার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

প্রাথমিক সুরত হাল রিপোর্ট অনুযায়ী মিতুর দেহে কয়েকটি গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মাহাবুবুর রহমান যুগান্তরকে জানান, মিতুকে পিটিয়ে হত্যা করার বিষয়টি জানতে পেরে এলাকাবাসী তাকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে তাকে আটক করে থানা হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি। তার স্বামীকে আটক করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দিলে হত্যা মামলা দায়ের করা হবে।’


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন