আজ মঙ্গলবার, ১৯ জুন ২০১৮ ইং, ০৫ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



গণতান্ত্রিক পরিবেশের ‘অভাবে’ সম্মেলনে যায়নি বিএনপি

Published on 23 October 2016 | 8: 48 am

দেশে ‘গণতান্ত্রিক পরিবেশ’ না থাকায় আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে বিএনপি অংশগ্রহণ করেনি বলে জানিয়েছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রোববার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। প্রায় দুই মাস কারাভোগের পর মুক্তি পেয়ে রোববার সকালে কার্যালয়ে আসেন বিএনপির এই নেতা।

শনিবার শুরু হওয়া আওয়ামী লীগের দুদিনব্যাপী ২০তম জাতীয় সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হলেও বিএনপির কোনো প্রতিনিধি যায়নি। গত ১৯ মার্চ বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলেও একইভাবে আমন্ত্রণ পেয়েও আওয়ামী লীগের কোনো প্রতিনিধি অংশ নেয়নি।

আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে বিএনপির না যাওয়ার সিদ্ধান্তকে সঠিক মন্তব্য করে রিজভী বলেন, ‘গণতান্ত্রিক পরিবেশ থাকলে যাওয়া যেত।’ ‘যেখানে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আক্রমণ করে বক্তব্য দেয়, বিএনপির কাউন্সিলে আওয়ামী লীগ আসে না, বিএনপির নেতা-কর্মীদের গুম-খুন-মিথ্যা মামলা দিয়ে নির্যাতন করছে, এ রকম পরিবেশে কীভাবে তাদের কাউন্সিলে উপস্থিত হওয়া যায়?’ বলেন তিনি।

বিএনপির এই সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘সরকার দেশে সর্বক্ষেত্রে অত্যাচার চালাচ্ছে। তারা জনগণের প্রতিনিধি নয়, নিজেদের জমিদার মনে করে। তারা গোটা রাজধানীকে দখল করে নিয়ে অবৈধভাবে কাউন্সিল করছে। সরকার দস্যুবৃত্তির মাধ্যমে সব কাজ করছে। এরই প্রতিফলন দেখছি আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে।’

আওয়ামী লীগের কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে রাজধানীকে সুসজ্জিত ও আলোকসজ্জা করার সমালোচনা করেন রিজভী। ‘তারা (আওয়ামী লীগ) লাল, নীল ও ঝাড়বাতি লাগিয়ে ঢাকাকে একাকার করে ফেলছে। এভাবে রাজনৈতিক কাউন্সিল হতে পারে না। এটাকে বর্ণাঢ্য বলা যাবে না, এটা বেহাল্লাপনা।’

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ উৎসবমুখর পরিবেশে কাউন্সিল করলেও বিএনপির কাউন্সিল আয়োজনে বাধা দেওয়া হয়েছিল জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপির কাউন্সিলে সরকার বিভিন্নভাবে বাধা দিয়েছে। রাস্তায় রাস্তায় নেতা-কর্মীদের আসতে বাধা দিয়েছে। কাউন্সিলের অনুমতি দিয়েছে দু-তিন দিন আগে, যেন সকলের মনে একটা সন্দেহ হয় বিএনপি কাউন্সিল করতে পারবে কি না। আমাদের ব্যানার পোস্টার লাগাতে দেয়নি।’

এ সময় আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, মাহমুদুর রহমান মান্না, মেয়র অধ্যাপক এম এ মান্নান, হাবিব-উন-নবী খান সোহেলের নামে সকল ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহার করে তাদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান রিজভী।

বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, সহদপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, মুনির হোসেন, বেলাল আহমেদ, ঢাকা মহানগরের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী আবুল বাশার প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

 


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন