আজ বৃহঃপতিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৮ ইং, ১৩ বৈশাখ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



মিথ্যা প্রতিবেদন জমা ।। পাহাড়তলীর ওসি ও এএসআই’র আদালতে ক্ষমা প্রার্থনা

Published on 21 October 2016 | 3: 39 am

নগরীর পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রণজিৎ কুমার বড়ুয়া ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবছার উদ্দিন আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। মিথ্যা প্রতিবেদন দেওয়ার ঘটনায় এ ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়েছে আদালতের কাছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এএসআই আবছার আদালতে হাজির হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। একই ঘটনায় ওসি রণজিৎ বড়ুয়াও লিখিতভাবে আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। যুগ্ম চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ মোসাম্মৎ বিলকিস আক্তার এএসআই আবছারকে ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করে দেন। মামলা পরিচালনাকারী সরকারি কৌঁসুলি তুহিন গাঙ্গুলী জানান, পাহাড়তলী এলাকার বাসিন্দা মাহবুবুর রহমান ১০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে একটি মামলা করেন। এ মামলায় একজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। বাদীর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আদালত গত এপ্রিলে সমন জারি করেন। কিন্তু থানা থেকে সমনটি ফেরত আসায় আদালত গত ২৮ জুন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন বাদীর বিরুদ্ধে। সাক্ষীকে পাওয়া যায়নি এবং ওই নামের কোনো ব্যক্তি নেই উল্লেখ করে পাহাড়তলী থানার এএসআই আবছার আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। এতে স্বাক্ষর করেন পাহাড়তলী থানার ওসি রণজিৎ কুমার বড়ুয়া। গত ২৮ আগস্ট বাদী মাহবুবুর রহমান আদালতে হাজির হয়ে জানান, তাঁর বাড়িতে পুলিশ যায়নি। তিনি কোনো সমনও পাননি। ওই দিন আদালত পাহাড়তলী থানার ওসি রণজিৎ বড়ুয়াকে লিখিতভাবে ও এএসআই আবছারকে সশরীরে হাজির হয়ে কারণ ব্যাখ্যা দিতে বলেন।

আদালত থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বিচারকের কাছে দেয়া লিখিত বক্তব্যে এএসআই আবছার বলেন, স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে এবং তাঁদের বিশ্বাস করে সাক্ষী মাহবুবুর রহমানকে পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে ওসি রণজিৎ বড়ুয়া ক্ষমা প্রার্থনা করে এএসআই আবছারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান। জানা গেছে, আদালত ওসি ও এএসআইয়ের কাছে কারণ ব্যাখ্যা চাওয়ায় গত ২৯ আগস্ট বাদীর বাড়িতে গিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করার হুমকি দেন এএসআই আবছার। এ বিষয়ে বাদী গতকাল লিখিতভাবে আদালতে অভিযোগ দেন। আদালত এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাঠগড়ায় থাকা এএসআই আবছার বলেন, এ ধরনের অভিযোগ সত্য নয়।

 


Advertisement

আরও পড়ুন