আজ সোমবার, ১৮ জুন ২০১৮ ইং, ০৪ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



‘খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে অনিয়ম করলে কঠোর শাস্তি’

Published on 02 October 2016 | 11: 00 am

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় দেশের ৫০ লাখ পরিবারকে ১০ টাকা কেজিতে চাল বিতরণের তালিকা প্রণয়নে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার আহবান জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম।

তিনি বলেছেন, ডিলার ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকলে তাদের বিরুদ্ধে থানায় এবং দুদকে মামলা দায়ের করা হবে এবং কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে।

রোববার রাজধানীর খাদ্য ভবনে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ডিসি ফুড) ও আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকদের (আরসি ফুড) সঙ্গে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা বিষয়ে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এ কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, ‘এটি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের একটি নিজস্ব কর্মসূচি। প্রধানমন্ত্রী গত ৭ সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারীতে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। এতে কোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি চলবে না। তালিকা প্রণয়নের ক্ষেত্রে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি বা রাজনৈতিক বিবেচেনায় ‘খাদ্যবান্ধব’কর্মসূচির তালিকা তৈরির কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কামরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রথম কোনো কর্মসূচি চালু করতে গেলে একটু ত্রুটি বিচ্যুতি হতে পারে। এজন্য অনেকে সমালোচনা করে থাকেন। তবে প্রকল্পটি যদি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা যায় তবে সমালোচকদের মুখ বন্ধ হবে।’

সারাবিশ্বে এই কর্মসূচির সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রধানামন্ত্রীর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক অবদানের কারণে তাকে পুরস্কৃত করা হচ্ছে। তার এই অর্জনকে আমাদের ধরে রাখতে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে।’

নিম্নপদস্থ কর্মচারীদের কোনো অনিয়ম জানা গেলে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ডিসি ও আরসি ফুড কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন খাদ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত বাস্তবায়িত সব কর্মসূচির মধ্যে সবচেয়ে সফল কর্মসূচি হিসেবে এটাকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। এই কর্মসূচি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন ও সফল করার জন্য গণামাধ্যমকেও ইতিবাচক হতে হবে।’

খাদ্য সচিব এ. এম. বদরুদ্দোজা বলেন, ‘খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ইতিহাসে এটা একটা বড় ধরণের কর্মসূচি। অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে টার্গেট করে এই কর্মসূচি হতে নেওয়া হয়েছে। তাই এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি।’

তিনি বলেন, ‘এ ধরনের একটি কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সবাইকে আরো আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে।’

খাদ্য বিভাগের মহাপরিচালক মো. বদরুল হাসান, বিভিন্ন জেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

 


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন