আজ শুক্রবার, ২২ জুন ২০১৮ ইং, ০৮ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব, এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ, পিছিয়ে যাচ্ছে সন্দ্বীপ

Published on 28 September 2016 | 7: 26 pm

 == হাসান মাহমুদ রাহেল ==

বাংলাদেশের মূল ভুখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন বঙ্গপোসাগরের বুকে সবুজের টিপ দ্বীপ কন্যা সন্দ্বীপ। কারো মতে হাজার বছর কারো মতে কয়েক শত বছরের প্রাচীন জনপদ আমাদের সন্দ্বীপ।আমাদের সন্দ্বীপের আছে অনেক ইতিহাস, আমাদের সন্দ্বীপে জন্ম নিয়ে অনেকে হয়েছেন বাংলাদেশের অনেক নামী দামী ব্যক্তি। বাংলাদেশের রেমিটেন্সের ১১% আসে আমার সন্দ্বীপের প্রবাসীদের নিকট থেকে। কিন্তু আমাদের প্রিয় জম্মভুমি দিন দিন সামনের দিকে না এগিয়ে পিছিয়ে যাচ্ছে। অতীতের মতো বর্তমানেও আমাদের আছে সংসদ সদস্য, আছে উপজেলা চেয়াম্যান, আছে মেয়র, ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার সব আছে কিন্তু তবু আমরা হাটছি পিছনের দিকে।

সন্দ্বীপের অনেক ইতিহাস আছে অনেক গুণীজনে বিভিন্ন সময় তা পুস্তক আকারে প্রকাশ করেছেন তা না হয় নাই লিখলাম কিন্তু আমরা যা দেখেছি আমরা যা পেয়েছি বর্তমান সন্দ্বীপ কি সে অবস্থা থেকে উন্নতি করেছে? যদি না করে থাকে তার ব্যর্থতা কার? আমাদের জনপ্রতিনিধি প্রশাসন সবার কাছে আমাদের খুব সহজ একটা উত্তর আছে তাহলো নদী ভাঙ্গন। নদী কি বাংলাদেশে শুধু সন্দ্বীপকে ভাঙ্গে? আমাদের খুব নিকটে হাতিয়া নদীতে ভাঙ্গে, ভোলা ভাঙ্গে, বাংলাদেশের অসংখ্য জনপদ প্রতিদিন নদী গর্ভে বিলিন হচ্ছে কিন্তু তারাতো পিছিয়ে যাচ্ছেনা, তারা এগিয়ে যাচ্ছে।তাহলে আমরা কেনো পিছিয়ে যাচ্ছি ? আমি আমার এই অল্প বয়সে দেখা সন্দ্বীপের বিভিন্ন পর্যায়ে পিছিয়ে পরার কিছু প্রতিষ্ঠান এর কথা বলতেছি।

প্রথমে আসি বিদ্যুতে, মুরুব্বিদের মুখে শুনেছি বৃটিশ আমলে আমাদের সন্দ্বীপে বিদ্যুতের আগমন ঘটে যে সময় বাংলাদেশের অন্য উপজেলাতো দুরের কথা অনেক বড় বড় জেলা সদরে বিদ্যুৎ ছিলোনা। ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ঘুর্নিঝড়ের দিন পর্যন্ত আমাদের সন্দীপের মুল সদর সহ বিভিন্ন গুরত্ব পুর্ন হাটবাজারে তখন বিদ্যুতের ব্যাবস্থা ছিলো। আমি নিজে গাছুয়া হকসাহেবের বাজারে বিদ্যুতের বাতি জলতে দেখেছি। কিন্তু সেই ঘুর্নিঝড়ের পরে যদিও আমাদের বিদ্যুৎ আবার চালু হয়েছে কিন্তু তা একটা নির্দিষ্ট এলাকাতে তার আর উন্নতি হয় নাই। এর ভিতর অনেকবার আমাদের সন্দ্বীপের বিদ্যুতের জন্য সরকারি বাজেট এসেছে কখনো খাম্বা এসেছেতো তার আসে নাই আবার যখন তার এসেছে তখন ইঞ্জিন আসে নাই যখন সব এসেছে তখন এই চালানোর লোকবল নাই। লাইম্যান দিয়ে ইঞ্জিন চালাতে গিয়ে ইঞ্জিনও নাই বিদ্যুতও নাই।

কিন্তু এই চলমান সময়ের ভিতর আমাদের বিদ্যুতের বাজেটের সাথের একি বাজেটে বাংলাদেশের অনেক অনেক এলাকা বিদ্যুতের আলোতে আলোকিত হয়ে গেছে। আর আমরা দিন দিন অন্ধকারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আমরা যখন প্রায়মারি স্কুলে পড়ি তখন আমরা দেখতাম প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত এবং বিকাল ৪টা থেকে রাতের ১২টা পর্যন্ত প্রতিদিন বিদ্যুৎ সাপ্লাই হতো। তখন শুক্রুবারে টিভিতে বাংলা ছবি দিতো আর এই ছবি উপলক্ষে বিকাল ৩টা থেকে বিদ্যুৎ দিতো। তাছাড়া টিভিতে যদি কনো বিশেষ প্রোগ্রাম থাকতো তাহলেও বিদ্যুৎ পেতাম আমরা। আর ঈদ, কোরবান, দুর্গা পুজা, শবেবরাত,‌ শবে কদরেতো সারা রাত বিদ্যুতের ব্যবস্থা থাকতো। আর বর্তমানে ?


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন