আজ শনিবার, ২৩ জুন ২০১৮ ইং, ০৯ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



‘ঝাড়ুদারের চিকিৎসায়’ ঢাকা মেডিকেলে রোগীর মৃত্যু

Published on 24 September 2016 | 6: 55 am

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক সেজে এক ঝাড়ুদার রোগীকে চিকিৎসা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই রোগীর মৃত্যু হলে বিক্ষুব্ধ স্বজনরা ওই যুবককে মারধর করেছে। শুক্রবার বিকেলে ৪টার দিকে ঘটনাটি ঘটে।

ওই যুবকের নাম সুমন (২৭)। পরে খবর পেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দায়িত্বরত পুলিশ ও শাহবাগ থানার পুলিশ সুমনকে আটক করে হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ভেতরে নিয়ে যায়। এ সময় বাইরে রোগীর স্বজনেরা বিক্ষোভ করে।

ভুল চিকিৎসার কারণে মারা যাওয়া ওই রোগীর নাম বিপ্লব মণ্ডল (২৬)। তিনি ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাসিন্দা। বিপ্লব মণ্ডলের বাবা বিনোদ মণ্ডল সাংবাদিকদের বলেন, গত রোববার ছেলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করি। আজ  ৪টার দিকে বিপ্লব অসুস্থবোধ করলে আমি দ্রুত চিকিৎসকেদের কাছে যায়। চিকিৎসক ব্যবস্থাপত্রে ইনজেকশনের নাম লিখে দিয়ে তা দ্রুত কিনে আনতে বলেন।আমি ইনজেকশন কিনতে নিচে গেলে সুমন নামে ওই ছেলেটি এসে বিপ্লবের মুখে অক্সিজেন মাস্ক চেপে ধরেন। একটু পর সুমন নিজ থেকেই বলেন, রোগী মারা গেছেন।

বিনোদ অভিযোগ করে বলেন, সুমনের গলায় চিকিৎসকের স্টেথেসকোপ ছিল। প্রথমে আমরা ভেবেছিলাম সুমন চিকিৎসক। কিন্তু পরে জানতে পারি ওই ছেলে কিছুক্ষণ আগেও মেঝে ঝাড়ু দিয়েছে।

এ সম্পর্কে ঢামেকের পুলিশ ক্যাম্পের তত্ত্বাবধায়ক সহকারী উপপরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তবে যে কোনো ধরনের ঝামেলা এড়াতে  হাসপাতালের সামনে র‍্যাব ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।

তিনি বলেন, সুমন ৪–৫ মাস ধরে ঢাকা মেডিকেলের ২০০ নম্বর ওয়ার্ডে ওয়ার্ড বয় হিসেবে চাকরি করছেন। এক ওয়ার্ডমাস্টারের মাধ্যমে তিনি এ চাকরি পেয়েছেন।


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন