আজ বুধবার, ১৫ আগষ্ট ২০১৮ ইং, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



ওয়ালশের পছন্দেই দলে শফিউল

Published on 23 September 2016 | 4: 42 am

মাত্র কিছুদিন হলো দলের সঙ্গে তিনি। বাংলাদেশ দল নিয়ে সেভাবে এখনও বিশ্লেষণে যাননি তিনি। প্রধান কোচ হাথুরুসিংহেকে বলে দিয়েছেন, আফগানিস্তান সিরিজ তিনি পর্যবেক্ষণ করে তার পরই পেসারদের শক্তি-দুর্বলতা নিয়ে কাজ করবেন। বাংলাদেশের নতুন বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশের এ সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছেন টিম ম্যানেজমেন্ট। সে সঙ্গে তার একটি রেফারেন্সকেও গুরুত্ব দিয়েছেন। দুই পেসার আল-আমিন আর শফিউলকে আফগানিস্তানের বিপক্ষে স্কোয়াডে রাখা নিয়ে যে ধন্ধে ছিল ম্যানেজমেন্ট, সেখানে ওয়ালশই সুপারিশ করেছেন পেসার শফিউলকে। আর সে কারণেই প্রায় দুই বছর পর ফের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ পেতে যাচ্ছেন শফিউল। মূলত ট্রেনিং সেশনে শফিউলের বোলিংই পছন্দ হয়েছে কোর্টনি ওয়ালশের।

এর মধ্যে আল-আমিনের বিপক্ষে একটি অভিযোগও আছে কোচিং স্টাফদের। প্রায়ই তিনি অনুশীলনে আসতেন দেরি করেন। সেটা ঠিক ভালোভাবে নেননি ওয়ালশ। গতকাল দল ঘোষণার সময় নির্বাচকপ্রধান মিনহাজুল আবেদীন নান্নুও কিছুটা ইঙ্গিত দিয়েছেন তার। ‘আল-আমিনের ব্যাপারে কিছু নেগেটিভ কথাবার্তাও উঠে এসেছে। ফিটনেস নিয়েও কথা এসেছে। ফিটনেস আর ফিল্ডিং বিবেচনা করে তার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। দলে এ জায়গায় আল-আমিন আর শফিউলকে নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। আমরা ফিটনেস ও অন্য সব কিছু নিয়ে ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে আলোচনা করে শফিউলকে নিয়েছি। কন্ডিশনিং ক্যাম্পে শফিউল খুব উন্নতি করেছে।’

শফিউল সর্বশেষ ২০১৪ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের হয়ে খেলেছেন। এর পর চোটের সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছে তার। আর তখনই ফর্ম হারিয়ে বসেন। সর্বশেষ ঢাকা লীগেও সেভাবে কিছু করতে পারেননি। ১০ ম্যাচে ১১ উইকেট শিকার করেছেন তিনি ওভারপ্রতি সাড়ে পাঁচের বেশি রান দিয়ে। তা ছাড়া গেল বিশ্বকাপের সময় আল-আমিন শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে দেশে ফিরে এলে অস্ট্রেলিয়ায় পাঠানো হয় শফিউলকে। সেখানে নেটে শফিউলকে দেখে সেভাবে পছন্দ হয়নি কোচ হাথুরুর। কিন্তু এবার ওয়ালশ তার নামটি সুপারিশ করায় দলে নেওয়া হয়েছে। আর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতেই খেলানো হবে শফিউলকে।

তবে প্রথম দুই ওয়ানডেতে বাদ পড়ায় এখনই আল-আমিনকে মন খারাপ করতে মানা করেছেন নির্বাচক প্রধান। তার যুক্তি, সামনে ছয় ওয়ানডে আর দুটি টেস্ট মিলিয়ে অনেক খেলা রয়েছে। আল-আমিন তাদের বিবেচনায় আছেন। বাংলাদেশের সর্বশেষ সিরিজে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩ ম্যাচে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন আল-আমিন। ঢাকা লীগেও ১৬ ম্যাচে ২৫ উইকেট শিকার করেছিলেন। তাই এখনই আশা ছাড়তে বারণ করা হয়েছে তাকে। ‘আমাদের সামনে অনেক খেলা রয়েছে। আল-আমিনকে ফেরানো হতেই পারে। এমন না যে, সে একদমই বাইরে চলে গেছে। আল-আমিন আমাদের পুলের মধ্যেই আছে।’ মিনহাজুল আবেদীন নান্নুর এ কথায় হয়তো সান্ত্বনা পাবেন ঝিনাইদহের এ পেসার।


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন