আজ শনিবার, ১৮ আগষ্ট ২০১৮ ইং, ০৩ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



যৌতুক বিহীন সম্মিলিত বিবাহ প্রসঙ্গে

Published on 23 September 2016 | 2: 03 am

“বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম”

তোমাদের মধ্যে যারা অবিবাহিত তাদের বিবাহ সম্পাদক করে দাও। (-সূরা নূর-৩২)

প্রিয় ভাই ও বোনেরা,
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
আপনারা জানেন যে, যৌতুক আমাদের সমাজ জীবনে এক বিরাট ব্যাধি ও অভিশাপ। এর কুফলে সমাজ ব্যবস্থা জর্জরিত। যৌতুকের কারনে প্রতিনিয়ত বিবাহ বিচ্ছেদ, দাম্পত্য কলহ অবিশ^াস্যভাবে দিন দিন বেড়েই চলেছে। যৌতুকের দামি মিটাতে না পেরে অনেক নারীকে এসিড দগ্ধ হয়ে ও নানা জুলুম-অত্যাচারে অকালে জীবন দিতে হচ্ছে। যৌতুক জাহেলী যুগের অনুকরনীয় একটি প্রথা। এ প্রথার কারনে সমাজের অনেক দরিদ্র অসহায় পিতা কন্যাদেরকে সঠিকভাবে পাত্রস্থ করতে পারে না বিধায় এদিকটাকে সামনে রেখে, প্রত্যেকটি সমাজ, গ্রাম, মহল্লা, থানা, জিলাসহ সারা বাংলাদেশে “যৌতুকবিহীন সম্মিলিত বিবাহ অনুষ্ঠানের বাস্তবায়ন  কমিটি এবং সমিতি গঠন করা সহ প্রতি বছর সমিতি বা কমিটি নিজ নিজ উদ্যোগে ১০০/২০০ জোড়া বিবাহ সম্পূর্ণ করা উচিত বলে আমি মনে করি বা করা উচিত। কোরআন হাদিসের কোথাও যৌতুকের দাবির কোন ভিত্তি নাই। বরং ইসলামে ক্ষতিকর যৌতুক প্রথার পরিবর্তে মেয়েকে মোহরানা দেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। “নবী করিম (স:) বলেছেন- “মোহর হচ্ছে সে জিনিষ যার বিনিময়ে তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের হালাল করে নাও।” অতএব, সমাজে প্রচলিত যৌতুক নামক এ যুলুম থেকে সর্বস্তরের লোকজনকে বাঁচানোর জন্যে এবং যৌতুকের বিরুদ্ধে গণ-সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রত্যেক বাস্তবায়ন কমিটি সমাজ ও সমিতি সেবা কার্যক্রমের মাধ্যমে বা আওতায় বাংলাদেশে বিরাট ভূমিকা রাখবে বলে আমার দৃঢ় বিশ^াস এবং যৌতুববিহীন সম্মিলিত বিবাহ অনুষ্ঠানের উদ্যোগ গ্রহন করবেন বলে আশা ব্যক্ত করলাম।

তাই সমিতি বা সংগঠন করিয়া এবং উদ্যোগ গ্রহন করিয়া যৌতুকবিহীন সম্মিলিত বিবাহের আয়োজন করা আমার, আপনাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। এ ধরনের বিবাহে আগ্রহী পাত্র/পাত্রীর খোঁজ নিয়ে জানানো এবং বিবাহের এ মহৎ অনুষ্ঠানে সমাজের বিত্তশালী দানশীল ব্যক্তি, কল্যানমূলক সংস্থা ও জাকাত দাতাদের অংশগ্রহন ও সহযোগিতার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।

নিবেদক
আবুল বাসার ভূঁইয়া সন্দ্বীপি (আমেরিকা প্রবাসী)
ফার্মাসী ম্যানাজার, ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার, নিউইয়র্ক,
আমেরিকা ও সমাজসেবক, দানবীর।


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন