আজ শুক্রবার, ২২ জুন ২০১৮ ইং, ০৮ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



বাবাকে পুড়িয়ে মারা মুগ্ধ ‘সঙ্গ দোষে নষ্ট’

Published on 22 September 2016 | 5: 29 am

ফরিদপুরে মোটরসাইকেল না পেয়ে বাবাকে পুড়িয়ে মারা ছেলে ফারহান মুগ্ধ সঙ্গ দোষে নষ্ট হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাদের পরিচিত একজন।

নিহত রফিকুল হুদার বাল্যবন্ধু রমনা ট্রাফিক জোনের সার্জেন্ট গোলাম আম্বিয়া বলেন, ‘খারাপ ছেলেদের পাল্লায় পড়ে ছেলেটি বখে গিয়েছিল।’ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) মর্গের সামনে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘আমি রফিকুলের বাল্যবন্ধু। সেই ছোটসময় থেকেই তাকে আমি চিনি। সে খুব ভালো একজন মানুষ ছিল। তার এরকম মৃত্যু হবে এটা কখনো ভাবতেই পারিনি।’

গোলাম আম্বিয়া বলেন, ‘বিষয়টি আমার কাছে মনে হয়েছে সামাজিক অবক্ষয়। সবার বিষয়টি দেখা উচিৎ। প্রত্যেক বাবা-মায়েদের লক্ষ করা উচিৎ তাদের ছেলেমেয়েরা প্রতিদিন কাদের সাথে মেশে?’

‘যেদিন এ ঘটনা হয়েছে সেদিন আমি ফরিদপুরেই ছিলাম। আমার এক বন্ধুর ফোনের মাধ্যমে জানতে পারি যে, ছেলের দেওয়া আগুনে রফিকুল দগ্ধ হয়েছে।’

গোলাম আম্বিয়া আরো জানান, তার বন্ধুর সাথে সর্বশেষ তিনমাস আগে ফোনে কথা হয়েছিল। কিন্তু পারিবারিক কোনো কলহ বা অশান্তির বিষয় রফিকুলের ছিল না।

রফিকুল হুদার ভাই এটিএম সিরাজুল হুদা বুধবার বিকেলে জানান, লাশ কোথায় দাফন হবে তা নিয়ে এখনো পারিবারিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

নিহতের পরিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে বাবা রফিকুল হুদার কাছে নতুন একটি মোটরসাইকেল দাবি করে ছেলে ফারহান হুদা। কিন্তু ছেলের আবদার পূরণ না করায় ১৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে শোয়ার ঘরে বাবা-মায়ের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় ফারহান। আগুনে গুরুতর দগ্ধ হন রফিকুল হুদা। তার স্ত্রী সিলভিয়া সামান্য দগ্ধ হন।

প্রথমে রফিকুলকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় ওই রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

রফিকুল হুদা সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার এটিএম শামসুল হুদার ছোট ভাই।


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন