আজ শুক্রবার, ২৫ মে ২০১৮ ইং, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



প্যাকেটে ভুল তারিখ, ইগলু চিনিকে জরিমানা

Published on 31 August 2016 | 3: 03 am

প্যাকেটের গায়ে উৎপাদন তারিখ ভুল হওয়ায় ইগলু চিনিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের কারওয়ানবাজার কার্যালয়ে এক শুনানি শেষে মঙ্গলবার সকালে এ জরিমানা করা হয়।

অভিযোগ নিষ্পত্তিকারী কমিটি-৩ এর সদস্য ও অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ফাহমিনা আক্তার বাদী-বিবাদীর শুনানি শেষে এ জরিমানা করেন। ফাহমিনা আক্তার বলেন, ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর ৪৫ ধারায় বলা আছে প্রতিশ্রুত পণ্য যথাযথভাবে বিক্রি না করা অপরাধ। এ ধারায় সর্বোচ্চ ৫০ হাজার জরিমানা কিংবা এক বছরের কারাদণ্ড ও উভয়দণ্ডের বিধান রয়েছে।’

শুনানিতে প্রতিষ্ঠানটির অনিয়ম প্রমাণ হওয়ায় ৪৫ ধারার বিধানমতে জরিমানা করা হয়েছে। ইগলু চিনি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আবদুল মোনেম সুগার রিফাইনারি প্রতিষ্ঠান গত মাসে তাদের চিনি বাজারে ছাড়ে। এতে আগাম উৎপাদন তারিখ ১৩ জুলাই ২০১৭ দেখানো হয়। আর মেয়াদ উত্তীর্ণ তারিখ দেখানো হয় ১৩ জানুয়ারি ২০১৮ সাল।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভুক্তভোগী ওই ক্রেতা বলেন, ‘আমি মোহাম্মদপুরের বাসার নিচের দোকান থেকে গত ২ আগস্ট চিনি কিনি। চিনি ব্যবহারের সময় প্যাকেট খুললে উৎপাদন তারিখে অসঙ্গতি দেখি।’

‘২০১৬ সালের আগস্টে চিনি কিনলাম অথচ প্যাকেটের গায়ে লেখা রয়েছে ২০১৭ সাল।’ যোগ করেন ওই ক্রেতা। চিনির প্যাকেটে ভুল তারিখ দেখে ওই ক্রেতা ৭ আগস্ট ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করেন।

ইগলুর ওয়েবসাইট ভিজিট করে জানা যায়, ২০০৬ সালে কোম্পানি চিনি উৎপাদন শুরু করে। কোম্পানির চিনি উৎপাদন ক্ষমতা বছরে তিন লাখ টন। বাংলাদেশে মোট চিনির চাহিদা বছরে ১ দশমিক ২ মিলিয়ন টন।

চিনি উৎপাদনে কোম্পানিটি আইএসও সনদ ২২০০০-২০০৫। জরিমানার বিষয়ে আবদুল মোনেম সুগার রিফাইনারি লিমিটেডের সিনিয়র ম্যানেজার লুলু ইমতিয়াজ বলেন, ‘কারিগরি ত্রুটি থাকায় প্যাকেটের গায়ে ভুল উৎপাদন তারিখ লেখা হয়েছিল। চিনি বাজারজাত হওয়ার পর আমরা সেগুলো বাজার থেকে তুলে নিই।’

উৎপাদনের তারিখ ভুল হলেও চিনির গুণগত মান ঠিক ছিল বলে দাবি করেন কোম্পানির ওই কর্মকর্তা।


Advertisement

আরও পড়ুন