আজ বৃহঃপতিবার, ১৬ আগষ্ট ২০১৮ ইং, ০১ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



সন্দ্বীপে জোড়া খুন : আগামী রবিবার মানববন্ধন কর্মসূচি বিভিন্ন সংগঠনের

Published on 02 October 2015 | 5: 44 am

সন্দ্বীপে পশুর হাটে মর্মান্তিক জোড়া খুনের ঘটনার এগার দিন অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে মূল আসামিরা। পুলিশ এ পর্যন্ত মোট ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা হলবাবলু (বতা বাবলু), মাইনউদ্দিন, মো. রিয়াদ, মোশারফ ও মো. জুয়েল। কিন্তু মূল আসামিরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় নিহতদের পরিবারের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।

এ দিকে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধান আসামি ফজলে এলাহী মিশু’র পিতা রেজাউল করিমকে সন্দ্বীপ পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডস্থ তার শ্বশুর বাড়ি থেকে আটক করেছে পুলিশ। সন্দ্বীপ থানার ওসি এএইচএম মশিউর রহমান জানানরেজাউল করিমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সন্দেহজনকভাবে আটক করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২১ সেপ্টেম্বর বিকেলে সন্দ্বীপ পৌর এলাকার বাতেন মার্কেটের পশুর হাটে একদল সন্ত্রাসী গুলি করলে ঘটনাস্থলে জাহাঙ্গীর ও হুমায়ুন কবির নামে দু’জন সাধারণ মানুষ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। পরে নিহত জাহাঙ্গীরের পিতা মহসিন এ হত্যার জন্য স্থানীয় ফজলে এলাহী মিশুকে ১ নং আসামি করে মোট ৩০ জনের বিরুদ্ধে সন্দ্বীপ থানায় একটি মামলা করেন। হাটের ইজারাদার মোক্তারের কাছে ১ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে মিশু। উক্ত চাঁদা না দেয়ায় মিশুর নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

নিহত জাহাঙ্গীরের পিতা মহসিন এ প্রতিবেদককে ক্ষুব্ধ হয়ে জানানএত বড় একটি খুনের ঘটনায় পুলিশ এখনও প্রধান আসামিসহ মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করতে না পারায় আমরা বিস্মিত। তিনি অবিলম্বে তার নির্দোষ ছেলে হত্যার আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

সন্দ্বীপ থানার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি(তদন্ত) বিজন বড়ুয়া বলেনইতোমধ্যে জোড়া খুনের মামলার অন্যতম আসামি বাবলু বাহিনীর প্রধান বতা বাবলু সহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রধান আসামি মিশু’কে গ্রেপ্তারে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে।

এদিকে আগামী রোববার সন্দ্বীপে পশুর হাটে জোড়া খুনের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে উপজেলা সদরে কয়েকটি সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

র‌্যাব ও কোস্টগার্ড এর হাতে আটক ৩ জনকে রিমান্ড শেষে  চট্টগ্রামে কারাগারে প্রেরণ

গত সোমবার যৌথ অভিযানে ২৩টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক তিনজনকে সন্দ্বীপ আদালতে হাজির করে চারদিনের রিমান্ড চায় পুলিশ। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. বেলাল উদ্দিনের আদালত শুনানি শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
এইদিকে অভিযুক্ত তিনজনকে রিমান্ড শেষে চট্টগ্রামে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সন্দ্বীপ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বিজন কুমার বড়ুয়া।

উল্লেখ্য, সোমবার র‌্যাব ও কোস্টগার্ড যৌথ অভিযানে একটি অত্যাধুনিক একে-২২ রাইফেল ও বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্রসহ শাহেদ উল্লাহ (২৫) ও তার দুই সহযোগী মানিক মিয়া (২৫) এবং নীরব মিয়াকে (২৪) আটক করে পুলিশ।


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন