আজ রবিবার, ২৭ মে ২০১৮ ইং, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



সেই পানিতে ভাসছে তেলাপোকা-ময়লা ।। প্রিয়া ড্রিঙ্কিং ওয়াটারকে দুই লাখ টাকা জরিমানা

Published on 22 June 2016 | 3: 50 am

একে তো বিএসটিআই’র লাইসেন্স নেই। তার ওপর সুয়্যারেজের পানি দিয়েই বাজারজাত করা হচ্ছিল ১৯ লিটারের জার। সেই পানিতে আবার ভাসছে তেলাপোকা। নগরীর কোতোয়ালী থানার হাজারী গলিতে অবস্থিত ‘প্রিয়া ড্রিঙ্কিং ওয়াটারে’ উপস্থিত হয়ে এসব অনিয়ম দেখতে পান জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এই অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির মালিক পাপড়ি রাণী ধর ঝন্টুকে দুই লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের জেল এর দণ্ড প্রদান করে আদালত।

গতকাল নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট তাহমিলুর রহমানের নেতৃত্বে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের শিক্ষানবিস নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসান বিন আলী, বিএসটিআই কর্মকর্তা মোঃ সাফায়েত হোসেন, ক্যাবের সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস, তৌহিদুল ইসলাম এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতায় ছিল পুলিশ ও ব্যাটালিয়ন আনসার।

অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া তাহমিলুর রহমান জানান, ‘প্রিয়া ড্রিঙ্কিং ওয়াটারে’র কারখানার পানি সংরক্ষাণাগারে ওয়াসা, গভীর নলকূপ ও সুয়ারেজের লাইনের একত্রিত সংযোগ ছিল। সেখানে ময়লা এবং মরা তেলাপোকার সন্ধানও মেলে। নিয়ম অনুযায়ী, পানি বাজারজাত করা বড় বোতলগুলো (জার) ওয়াশিং মেশিনের মাধ্যমে পরিষ্কারের কথা থাকলেও ওয়াশিং পাউডার দিয়ে তা হাতে পরিষ্কারের প্রমাণ মিলেছে। পানি রিফিল হবার কথা অটোমেটিক ফিলিং মেশিনে কিন্তু তাও অকার্যকর অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। জীবাণু মুক্তকরণের জন্য কোন ইউভি (অতিবেগুনী রশ্মি) এর কোন ব্যবস্থাও সেখানে ছিল না। পানির জারগুলোতে কোন উৎপাদন ও মেয়াদ উত্তীর্ণ এর তারিখ সম্বলিত কোন ট্যাগ বা সীল কোন কিছুই খুঁজে পাওয়া যায়নি। অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, চট্টগ্রামে ২৯ টি সম্পূর্ণ অবৈধ ও লাইসেন্সবিহীন ড্রিংকিং ওয়াটার কোম্পানি রয়েছে। এমনকি লাইসেন্সপ্রাপ্ত অনেক কোম্পানির বিরুদ্ধে সরাসরি ওয়াসার পানি ব্যবহার করে বোতলজাত করার অভিযোগ রয়েছে। বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।


Advertisement

আরও পড়ুন