আজ বুধবার, ১৫ আগষ্ট ২০১৮ ইং, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



নিয়মিত করা যায় এমন পাঁচটি নেক আমলের ফযিলত

Published on 18 June 2016 | 4: 26 am

ঈশা এবং ফজরের জামা’আতের ফযিলত:

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি জামা’আতের সাথে ঈশার নামায আদায় করল, সে যেন অর্ধেক রাত পর্যন্ত দাঁড়িয়ে ইবাদত করল। আর যে ফজরের নামায জামা’আতসহ আদায় করল, সে যেন সারারাত দাঁড়িয়ে ইবাদত করল।” (সহিহ মুসলিম)

কিয়ামুল লাইল বা তাহাজ্জুদের ফযিলত:

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “হে লোক সকল!তোমরা ব্যাপকভাবে সালাম প্রচার কর, (ক্ষুধার্তকে) অন্ন দাও এবং লোকে যখন রাতে ঘুমিয়ে থাকবে তখন নামায পড়। তাহলে তোমরা নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” (সুনানে তিরমিযি)

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “রমযান মাসের রোযার পর সর্বোত্তম রোযা হচ্ছে আল্লাহর মাস মুহাররমের রোযা। আর ফরয নামাযের পর সর্বোত্তম নামায হচ্ছে রাতের (তাহাজ্জুদের) নামায।” (সহিহ মুসলিম)

কুরআন তিলাওয়াতের ফযিলত:

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি কুরআনের একটি হরফ পাঠ করে, তাকে একটি নেকি প্রদান করা হয়। প্রতিটি নেকি দশটি নেকির সমান। আমি বলি না যে, আলিফ-লাম-মীম একটি হরফ। বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ, মীম একটি হরফ।” (সুনানে তিরমিযি)

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “তোমরা কুরআন তিলাওয়াত কর, কারণ কুরআন কেয়ামতের দিন তিলাওয়াতকারীর জন্য সুপারিশ করবে।” (সহিহ মুসলিম)

আল্লাহর কাছে দু’আ করার ফযিলত:

আল্লাহ বলেন, “তোমাদের পালনকর্তা বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি সাড়া দিব।” (সূরা আল-মুমিন: আয়াত ৬০)

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “নিশ্চয় তোমাদের রব অতি লজ্জাশীল ও মেহেরবান। তাই তাঁর বান্দারা যখন তাঁর কাছে হাত ওঠায় তিনি তাদেরকে শূন্য হাতে ফেরত দিতে লজ্জা পান।” (সুনানে আবু দাউদ, সুনানে তিরমিযি)

যিকিরের ফযিলত:

আল্লাহ বলেন, “নিশ্চয় আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিতে এবং রাত ও দিনের পরিবর্তনে জ্ঞানী লোকদের জন্য নিদর্শন রয়েছে। যারা দাঁড়িয়ে, বসে এবং শুয়ে আল্লাহকে স্মরণ করে।” (সূরা আলে ইমরান: আয়াত ১৯০-১৯১)

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ (সা.)! ইসলামের বিধি-বিধান (নফল) আমার ওপর অনেক। আমাকে সংক্ষিপ্ত কিছু বলে দিন যা আমি সর্বদা ধরে থাকতে পারি। রাসূলুল্লাহ (সা.) তাকে বললেন, তোমার জিহ্বা যেন সর্বদা আল্লাহর যিকিরে তরতাজা থাকে। (সুনানে তিরমিযি)


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন