আজ সোমবার, ২০ আগষ্ট ২০১৮ ইং, ০৫ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



ওজন বাড়াতে বরফে রেখে গরুর গোশত বিক্রি, ১৬ জনকে জরিমানা

Published on 18 June 2016 | 3: 17 am

ওজন বাড়াতে বরফে রেখে গরুর গোশত বিক্রি এবং বেশি দাম রাখার অভিযোগে ১৬ ব্যবসায়ীকে এক লাখ ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমান আদালত।

শুক্রবার রাজধানীর হাতিরপুল কাঁচাবাজারে অভিযান চালায় র‌্যাব-৩।র‌্যাব সূত্র জানায়, এদের মধ্যে চারজন গোশত ব্যবসায়ী, দাম বেশি রাখার কারণে একই বাজারের আটজন মুরগি ও চারজন মাছ ব্যবসায়ীকে এ জরিমানা করা হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টার অভিযানে এই বাজার থেকে জব্দ করা হয়েছে ১০০ কেজি গরুর গোশত। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম।

তিনি জানান, ওই বাজারের তিন ব্যবসায়ী বরফ-ভর্তি ককশিটের বক্সের ভেতর গরুর গোশত রাখতেন। বরফে রাখা হলো গোশত শক্ত হয় ও ওজন বৃদ্ধি পায়। এভাবে চার-পাঁচ দিন মাংস রেখে দেয়া হতো। এই গোশত আবার সদ্য জবাই করা গরুর গোশতের সঙ্গে মিশিয়ে দিতেন। এভাবে সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত মূল্য ৪২০ টাকায় বিক্রি করে বেশি লাভ করতেন এই তিন গোশত ব্যবসায়ী। এ অপরাধের কারণে গোশত ব্যবসায়ী শুকুর মিয়াকে ৫ হাজার টাকা, বাবুল মিয়াকে ২০ হাজার এবং ইসমাইল হোসেনকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তাছাড়া নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্যে খাসির গোশত বিক্রি করায় বেলাল হোসেনকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তালিকার চেয়ে ১২৫ টাকা বেশি মূল্যে ৫০০ টাকা প্রতি কেজি দেশি মুরগি, পাকিস্তানি কক জাতের মুরগি ২৬০ টাকা বদলে ৩০০ টাকায় বিক্রি করছিলেন বাজারের আট ব্যবসায়ী। এ অপরাধে মুরগি ব্যবসায়ী আনসারুল ইসলামকে ৪ হাজার টাকা, মাসুম মিয়াকে ৫ হাজার টাকা, সবুজ মিয়াকে ৫ হাজার টাকা, নবীউর রহমান হোসেনকে ৮ হাজার টাকা, তাজুল ইসলামকে ৮ হাজার টাকা, জামাল হোসেনকে ৮ হাজার টাকা এবং রাজিব হোসেনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তাছাড়াও নষ্ট পানিতে বয়লার মুরগী ড্রেসিং করার অপরাধে দ্বীন মোহাম্মদকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করে আদালত।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, রুই মাছের মূল্য প্রতি কেজি ৩০০ টাকা হলেও হাতিরপুল বাজারে তা বিক্রি হতো ৫৫০ টাকায়। এ জন্য এখানকার চারজন মাছ ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়।


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন