আজ রবিবার, ১৯ আগষ্ট ২০১৮ ইং, ০৪ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



তনুর দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত রিপোর্ট চূড়ান্ত পর্যায়ে

Published on 12 June 2016 | 3: 59 am

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুর দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন ফরেনসিক ও মেডিকেল বোর্ডের প্রধান ডা. কেপি সাহা। রোববার সকালে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সিআইডি’র কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার দুপুরে ফরেনসিক ও মেডিকেল বোর্ডের প্রধান ডা. কেপি সাহা সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার মেডিকেল বোর্ডের সভায় প্রতিবেদন চূড়ান্ত করার পর ওই দিনই তা সিলগালা করা হয়। রোববার সকালে তা সিআইডি’র কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তবে প্রতিবেদনের ফলাফল নিয়ে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি। সিআইডি সূত্রে জানা যায়, এরই মধ্যে সন্দেহভাজনদের মোবাইল কল লিস্ট, তনুর পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য, বিভিন্নজনকে জিজ্ঞাসাবাদ ও সাক্ষ্য-প্রমাণে সন্দেহভাজনদের একটি লিস্ট তৈরি করা হয়েছে। ঘাতকদের শনাক্তে সর্বাধুনিক ডিএনএ প্রযুক্তির সহায়তা নিতে যাচ্ছে সিআইডি।

সিআইডি সূত্রে আরো জানা যায়, ঘাতকদের শনাক্ত করতে সন্দেহভাজনদের হাতের ছাপ, রক্ত ও বীর্যসহ শরীরের আরও কিছু অংশের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হবে। এছাড়াও তনুর শরীরে থাকা আঙুলের ছাপ ঘাতকদের থেকে আলাদা করতে তার স্বজন, পুলিশ, ডাক্তার, ডোমের ছাপের ডিএনএ নেয়া হবে। কিন্তু এসব প্রক্রিয়া কবে নাগাদ শুরু করা হতে পারে এসব বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

২০ মার্চ রাতে তনুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ওই দিনগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জেলার মুরাদনগর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের বাড়িতে তনুকে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় তনুর বাবা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।এই হত্যাকাণ্ডে দেশে-বিদেশে তুমুল আলোড়ন ওঠে।

এর আগে ৪ এপ্রিল তনু হত্যার প্রথম ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। রিপোর্টে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়। এমনকি ওই রিপোর্টে তনুর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কোনো কারণও উল্লেখ করা হয়নি। ময়নাতদন্তের ওই রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করেন তনুর বাবা ইয়ার হোসেনসহ সচেতন মহল। এরপর আদালতের নির্দেশে ৩০ মার্চ তনুর লাশ কবর থেকে তুলে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের কয়েকদিন পর মামলাটি কুমিল্লা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হলে মরদেহ পুনঃময়নাতদন্তের জন্য আদালতে আবেদন করা হয়।


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন